শীতে ব্রেকফাস্টে কী খেলে সতেজ থাকবেন সারাদিন?
তারিখ লোড হচ্ছে...
সর্বশেষ লাইভ ই-পেপার
       
খুঁজুন                
                               
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

শীতে ব্রেকফাস্টে কী খেলে সতেজ থাকবেন সারাদিন?

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৪, ৭:০৫ পূর্বাহ্ণ
শীতে ব্রেকফাস্টে কী খেলে সতেজ থাকবেন সারাদিন?

শীত মৌসুমে আমাদের হজম প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। পানি কম পান করার ফলে শরীর ডিহাইড্রেট হতে শুরু করে। এমন পরিস্থিতিতে অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শীতে খালি পেটে কিছু জিনিস খেলে শুধু রোগই দূরে থাকে না, সারাদিন এনার্জিতে ভরপুর থাকা যায়।

শীতকালে ঠান্ডা, কাশি, গলা ব্যথা ও ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা লেগেই থাকে। তাই শরীরের দুর্বলতা হ্রাস করাসহ আরও বিভিন্ন ধরনের উপকার পেতে ব্রেকফাস্টে থাকতে হবে স্বাস্থকর খাবার।

 

ডায়াবেটিক রোগীদের ডায়েট চার্ট করে দেয়া হয়। শীতেও তাদের সেই ডায়েট চার্ট মেনে চলা উচিত। এ ছাড়া অন্যান্যদের ক্ষেত্রে ঠান্ডা জাতীয় খাবার না খাওয়াই ভালো। তবে ঠান্ডা থেকে বাঁচতে মধু, তুলসী পাতা, গোল মরিচ ও রসুন ব্যবহার করতে পারেন শরীর বুঝে। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এই সময়ের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী চলুন জেনে নেয়া যাক শীতে ব্রেকফাস্টে কী খাবেন-
  

চা পান

 

শীতের সকালে বিছানা ছেড়ে কিছুতেই উঠতে মন চায় না। তবে এক কাপ গরম চায়ে চুমুক দিলে সব আলসেমি দূরে পালিয়ে যায়। গ্রিন টি, তুলসী টি, অথবা আদা চায়ের উপকারিতা রয়েছে। এতে যেমন ক্লান্তি দূর হয়, তেমনি শরীরও সতেজ থাকে।
  

রুটি

 

আটার রুটি খেতে যেমন সুস্বাদু, তেমনই শীতকালে শরীরও গরম রাখে। লাল আটার রুটিতে ফাইবার এবং ভিটামিন বি রয়েছে। ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে শরীরে উষ্ণ ভাব এনে দেয়। আর ভিটামিন বি দেহকে উষ্ণ রাখে।
  

ডিম

 

গবেষণায় দেখা গেছে, শীতকালে ডিম খেলে শরীরের নানা সমস্যা দূরে থাকে। তাই সিদ্ধ, হোক বা পোচ প্রোটিন সমৃদ্ধ এই খাবার প্রতিদিনের সকালে খেতেই হবে। ডিমে প্রোটিন ছাড়াও ভিটামিন ই, ক্যালসিয়াম, ওমেগা-৩ রয়েছে।
 

মিক্সড ভেজিটেবল

 

মিক্সড ভেজিটেবলে প্রায় সব ধরনের ভিটামিন, মিনারেলস, ফাইবার থাকে। বিভিন্ন রোগের সঙ্গে লড়াই করতে সক্ষম এই সবজি। ত্বকের লাবণ্য ফিরে আনতেও এর জুড়ি মেলা ভার।
  

স্যুপ

 

স্যুপ খুবই স্বাস্থকর একটা খাবার। প্রতিদিন সকালে না হলেও যেকোনো একটা সময়ে স্যুপ খান। এতে শরীরে শক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি ঠান্ডা দূর করে এবং ত্বকের সৌন্দর্য বজায় রাখে।
  

মৌসুমি ফল

 

চিকিৎসকদের মতে, কিছু ফল রয়েছে যেগুলো শীত মৌসুমে খেলে উপকার পাওয়া যাবে। তাই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় মৌসুমি ফল অবশ্যই রাখুন।
 
 

মধু

 

শীতকালে মধুর কোনো বিকল্প নেই। গলার খুসখুস কমানোর পাশাপাশি মধু ঠান্ডা দূর করে মধু। প্রতিদিন এক চামচ করে মধু খেলে শীতকাল সুস্থভাবে পারবেন! মধুর মধ্যে প্রাকৃতিক এনজাইম, ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। মধু দেহের ইমিউনিটি সিস্টেমকে উন্নত করে।
  

দুধ

 

শীতে স্বাস্থ্যের খুব যত্ন নিতে হয়। তা না হলে অনেক সমস্যা বেড়ে যায়৷ আর দুধের পুষ্টিগুণ কারও অজানা নয়। তাই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় দুধ অবশ্যই রাখুন। দুধে যে প্রোটিন থাকে তা শরীরের জন্য উপকারী।
  

কর্নফ্লেক্স

 

পুষ্টিবিদ ও চিকিৎসকরা গুরুত্ব দেন দিনের প্রথম খাবারের প্রতি। ব্রেকফাস্টের পরিমাণ ও খাদ্যবস্তুটির প্রতি সব সময়ই সচেতন থাকতে বলেন তারা। প্রতিদিন একঘেয়েমি খাওয়ার খেতে কারওই ভালো লাগে না। তাই মাঝে মধ্যে কর্নফ্লেক্স খান। এর মধ্যে ফল মিশিয়েও খেতে পারেন।
  

ব্রাউন ব্রেড

 

সাদা ব্রেডের চেয়ে ব্রাউন ব্রেড অনেক বেশি উপকারী। তাই সাদা ব্রেড ভুলে ব্রাউন ব্রেড খান। ব্রাউন ব্রেড গমের আটা, পানি, লবণ, চিনি এবং ইস্ট ব্যবহার করে তৈরি করা হয়। এটি গমের আটার জীবাণু এবং তুষ ধরে রাখে।
 

ওটস

 

ওটস খাওয়া শরীরের পক্ষে খুবই ভালো। ওজন এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যায় ভোগলে সকালে আপনার অবশ্যই ওটস খাওয়া উচিত। এটি আপনার শরীর থেকে টক্সিন দূর করে এবং আপনার অন্ত্রকে সুস্থ রাখে। কম ক্যালরি এবং উচ্চ ফাইবারযুক্ত ওটস আপনার পেটকে দীর্ঘক্ষণ ভরা রাখবে। ওটস অনেকভাবেই খেতে পারেন। দুধ দিয়ে, খিচুড়ি করে যেটা ভালো লাগে সেভাবেই খেতে পারেন।
  

কলা

 

ভিটামিন ও খনিজে ভরপুর ফল কলা খেতে পরামর্শ দেন চিকিৎসক থেকে পুষ্টিবিদরা। প্রতিদিনের ব্রেকফাস্টে কলা অবশ্যই রাখুন। যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা রয়েছে তারা প্রতিদিন কলা খান। কলা খেলে পেট ভরার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে আসে দারুণ এনার্জি।
  

মাখন

 

শরীরে কম-বেশি সব উপাদানই প্রয়োজন। তাই মাখনেরও চাহিদা রয়েছে। শীতে ব্রেকফাস্টে অবশ্যই মাখন খান। মাখন দিয়ে হালকা টোস্ট করে খেতে পারেন।
  

সুজি

 

সুজি পুষ্টিকর খাবার। সুজি দিয়ে অনেক রকম খাবার বানিয়ে খেতে পারেন। ঝাল হোক কিংবা মিষ্টি দুরকমভাবেই সুজি খাওয়া যায়। এতে পেটও যেমন ভরা থাকবে, তেমনি শরীরও ভালো থাকবে।

রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৪১ অপরাহ্ণ
রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

স্টাফরিপোর্টার:: মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার বর্ণীতে আয়োজিত এক সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেছেন, মানবকল্যাণে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। তারা বলেন, অসহায় ও আর্তমানবতার সেবার মাধ্যমে যেমন মহান স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়, তেমনি পাওয়া যায় মানুষের ভালোবাসা। মানবসেবাকে ইবাদতের সঙ্গে তুলনা করে বক্তারা আরও বলেন, এতিম-অসহায়দের সহায়তা এবং দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে কাজ করলে ইহকাল ও পরকালে কল্যাণ অর্জিত হয়। মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেয়ে বড় আনন্দ আর কিছু নেই বলেও উল্লেখ করেন তারা।শুক্রবার বিকেলে পীরে কামেল ওস্তাজুল উলামা আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.) প্রতিষ্ঠিত রহমানিয়া টুকা হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ উপলক্ষে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে এবং মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল আলিম ও সহ-সুপার মাহফুজুর রহমানের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত ব্যক্তি ছিলেন যুক্তরাজ্যপ্রবাসী, লন্ডন অক্সফোর্ড জামে মসজিদের খতিব ও বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা হেলাল আহমদ খান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আঞ্জুমানে আল ইসলাহ’র মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা এ. কে. এম. মনোয়ার আলী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিবপুর কেশবপুর কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হাকিম, দৈনিক রূপালী বাংলাদেশের সিলেট ব্যুরো প্রধান কবি সালমান ফরিদ এবং মাথিউরা ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মুফতি তকি উদ্দিন।আনন্দ টেলিভিশনের সিলেট প্রতিনিধি তাহের আহমদ।
বিয়ানীবাজার সহকারী শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হোসেন আহমদ, সায়রা মুক্তাদির দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুল হামিদ মাস্টার সফর উদ্দিনসহ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.)-এর জীবন ও কর্ম নিয়ে একটি স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। আয়োজকরা জানান, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির আগেই গ্রন্থটি প্রকাশ করা হবে ।

ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ
ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার দয়ামির ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কদরিছ  মিয়া প্রায় এক বছর ধরে নিখোঁজ রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। তিনি বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন ওসমানীনগর উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রলীগ নেতা সেলিম আহমদের পিতা।


‎পরিবার জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের পটপরিবর্তনের পর তাদের বাড়িতে হামলা হয়। রাজনৈতিক উত্তেজনা ও একাধিক মামলার কারণে এ সময় সেলিম আহমদ ও তার বাবা আত্মগোপনে ছিলেন। পরিবারের দাবি প্রায় এক বছর ধরে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। তার মোবাইল ফোন বন্ধ, আত্মীয়দের বাসাতেও নেই। তিনি জীবিত না মৃত এ নিয়েও নিশ্চিত হতে পারছেননা তারা।

‎স্থানীয় সূত্র জানায়, কদরিছ মিয়ার ছেলে ছাত্রলীগের ক্যাডার সেলিম আহমদ একাধিক মামলার আসামি। ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে উঠে আসা সেলিম সিলেট সিটির সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ারুজ্জামানের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শন ও বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা বাড়তে থাকে। ৫ আগস্টের ঘটনার পর থেকে সেও পলাতক।

‎পরিবারের সদস্যরা জানান,,,নিখোঁজের ঘটনায় থানায় অভিযোগ করার কথা ভাবলেও নিরাপত্তাহীনতা ও প্রতিশোধের আশঙ্কায় পরিবার এখনো অভিযোগ করতে পারেনি। পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রতিদিনই তাদের উদ্বেগ বাড়ছে কদরিছ মিয়া জীবিত না মৃত, কিছুই জানা যাচ্ছে না।

‎এই বিষয়ে ওসমানীনগর উপজেলা প্রশাসনের কাছে জানতে চাইলে তারা বলে আমরা শুনেছি এরকম একজনকে পাওয়া যাচ্ছেনা,তবে লিখিত কোন অভিযোগ পাই নাই। অভিযোগ পেলে প্রোয়োজনিয় ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে।

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সিলেট-৪ আসনে বিএনপির প্রাথী হচ্ছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী।

বুধবার রাতে আরিফুল হক চৌধুরী নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তবে বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোন ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

গত সোমবার দেশের অন্যান্য আসনের সাথে সিলেটের ৪ টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে বিএনপি। তবে সিলেট-৪ ও সিলেট-৫ আসনে সেদিন কোন প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি।

বিএনপি সূত্রে জানা যায়, আরিফুল হককে দল থেকে একাধিকবার সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে তাতে সম্মত হননি আরিফ। তিনি সবসময়ই সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে সিলেট-১ আসন অথবা সিঠের সিটি নির্বাচনের মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে আসছিলেন।সর্বশেষ সোমবার বিভিন্ন আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণার পর মঙ্গলবার বিএনপির শীর্ষ নেতবেৃন্দের পক্ষ থেকে জরুরী তলব দিয়ে আরিফকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে মঙ্গলবার ও বুধবার আরিফের সাথে দফায় দফায় বৈঠক করেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা। এসব বৈঠকে আরিফুল হককে সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি প্রথমে সম্মত হননি বলে জানা গেছে। এরপর বুধবার রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তাঁকে বাসায় ডেকে পাঠান।রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবনে চেয়ারপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে আরিফুল হক ওই আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হন।সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার কথা জানিয়ে ঢাকা থেকে রাতে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, “চেয়ারপারসন আমাদের জাতীয় মুরুব্বী। তাঁর নির্দেশে আমি সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হয়েছি। দলের প্রয়োজনে আমি বারবার নির্দেশ পালন করে আসছি। আজকের সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করার আদেশ মাথা পেতে মেনে নিয়েছি।