জামায়াতের সভায় আ’লীগ নেতাদের উপস্থিতি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্কের ঝড়
তারিখ লোড হচ্ছে...
সর্বশেষ লাইভ ই-পেপার
       
খুঁজুন                
                               
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

জামায়াতের সভায় আ’লীগ নেতাদের উপস্থিতি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্কের ঝড়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ জুন, ২০২৫, ১০:৩৭ অপরাহ্ণ
জামায়াতের সভায় আ’লীগ নেতাদের উপস্থিতি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্কের ঝড়

মৌলিভীবাজার বড়লেখায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী ও ধর্মীয় সম্প্রীতির সভায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের কয়েকজন নেতা উপস্থিত থাকায় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার (৯ জুন) দুপুরে বড়লেখা পৌরশহরের ইসলামী ব্যাংক প্রাঙ্গণে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয় ঈদ পুনর্মিলনী ও ধর্মীয় সম্প্রীতির এ সভা। সভায় তিনি বলেন, “জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে দেশের কোনো নাগরিককে অধিকার আদায়ের জন্য দাবি করতে হবে না। অধিকার ঘরে ঘরে পৌঁছে যাবে।” এছাড়াও তিনি সেনাবাহিনীকে রাজনৈতিক নিরপেক্ষতার প্রতীক হিসেবে দেখতে চান বলে মন্তব্য করেন।

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের উপস্থিতিতে বড়লেখায় আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান শেষে বিকেল ৩ টায় স্হানীয় জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ধর্মীয় সম্প্রীতির সভায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের কয়েকজন নেতা উপস্থিত ছিলেন। তারা হলেন, বড়লেখা উপজেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট গোপাল দত্ত, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি ডা. মুক্তা লাল, দাসেরবাজার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক স্বপন চক্রবর্তী, দক্ষিণভাগ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি রঞ্জিত পাল, বড়লেখা পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি শৈলেন্দ্র দেব নাথ ও সহসভাপতি কিন্ময় দত্তসহ আরও কয়েকজন স্থানীয় নেতা। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা ও সমালোচনা।

জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এ সভাকে ধর্মীয় সম্প্রীতির অংশ হিসেবে দেখানো হলেও আওয়ামী লীগ নেতাদের উপস্থিতি নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ কেউ বলছেন, “ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের অঙ্গীকারের বিপরীতে জামায়াতের মঞ্চে আওয়ামী লীগের নেতারা কেন?” অন্যদিকে কেউ কেউ একে ধর্মীয় সহাবস্থানের ইতিবাচক দিক বলেও উল্লেখ করছেন।

একজন অংশগ্রহণকারী সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, “আমি জামায়াতে ইসলামীর মঞ্চে বিভিন্ন ধর্মের প্রতিনিধিদের উপস্থিতি দেখে বিমোহিত। যদি জামায়াত সত্যিই ধর্মনিরপেক্ষতার দিকে এগোয়, তাহলে তাদের অভিনন্দন জানাই।” তবে তিনি সতর্ক করে আরও লিখেছেন, “ধর্মীয় সম্প্রীতি ও ধর্মনিরপেক্ষতা দুটি ভিন্ন বিষয়। সংবিধান অনুযায়ী, সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করাটাই মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত।”

বিভিন্ন পোস্টে অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন, সভায় সংখ্যালঘুদের উপস্থিতি কী স্বতঃস্ফূর্ত ছিল, নাকি কোনো রাজনৈতিক চাপ বা মামলার ভয় দেখিয়ে সংগঠিত করা হয়েছে? তবে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ কিংবা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে, জামায়াতে ইসলামী নেতারা বলেন, “আমরা সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে একটি কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে এগোচ্ছি। মদিনা সনদের আদর্শে বিশ্বাসী হয়ে সকল ধর্মের মানুষের অধিকার নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।”

অনুষ্ঠানে উল্লেখযোগ্য বিষয় ছিল, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ ছিল অনেক বেশি। স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, “এটি হয়তো একটি ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত, কিন্তু এর পেছনে রাজনৈতিক কৌশল বা বাস্তবতা কী—তা সময়ই বলে দেবে।”

এ বিষয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকেও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জামায়াতের মঞ্চে একটি নিষিদ্ধ বা বিতর্কিত দলের নেতাদের উপস্থিতি রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রশ্নের জন্ম দেয়।

সভা ও তা ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক বড়লেখা ছাড়িয়ে এখন জাতীয় পর্যায়েও আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৪১ অপরাহ্ণ
রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

স্টাফরিপোর্টার:: মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার বর্ণীতে আয়োজিত এক সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেছেন, মানবকল্যাণে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। তারা বলেন, অসহায় ও আর্তমানবতার সেবার মাধ্যমে যেমন মহান স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়, তেমনি পাওয়া যায় মানুষের ভালোবাসা। মানবসেবাকে ইবাদতের সঙ্গে তুলনা করে বক্তারা আরও বলেন, এতিম-অসহায়দের সহায়তা এবং দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে কাজ করলে ইহকাল ও পরকালে কল্যাণ অর্জিত হয়। মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেয়ে বড় আনন্দ আর কিছু নেই বলেও উল্লেখ করেন তারা।শুক্রবার বিকেলে পীরে কামেল ওস্তাজুল উলামা আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.) প্রতিষ্ঠিত রহমানিয়া টুকা হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ উপলক্ষে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে এবং মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল আলিম ও সহ-সুপার মাহফুজুর রহমানের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত ব্যক্তি ছিলেন যুক্তরাজ্যপ্রবাসী, লন্ডন অক্সফোর্ড জামে মসজিদের খতিব ও বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা হেলাল আহমদ খান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আঞ্জুমানে আল ইসলাহ’র মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা এ. কে. এম. মনোয়ার আলী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিবপুর কেশবপুর কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হাকিম, দৈনিক রূপালী বাংলাদেশের সিলেট ব্যুরো প্রধান কবি সালমান ফরিদ এবং মাথিউরা ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মুফতি তকি উদ্দিন।আনন্দ টেলিভিশনের সিলেট প্রতিনিধি তাহের আহমদ।
বিয়ানীবাজার সহকারী শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হোসেন আহমদ, সায়রা মুক্তাদির দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুল হামিদ মাস্টার সফর উদ্দিনসহ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.)-এর জীবন ও কর্ম নিয়ে একটি স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। আয়োজকরা জানান, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির আগেই গ্রন্থটি প্রকাশ করা হবে ।

ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ
ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার দয়ামির ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কদরিছ  মিয়া প্রায় এক বছর ধরে নিখোঁজ রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। তিনি বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন ওসমানীনগর উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রলীগ নেতা সেলিম আহমদের পিতা।


‎পরিবার জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের পটপরিবর্তনের পর তাদের বাড়িতে হামলা হয়। রাজনৈতিক উত্তেজনা ও একাধিক মামলার কারণে এ সময় সেলিম আহমদ ও তার বাবা আত্মগোপনে ছিলেন। পরিবারের দাবি প্রায় এক বছর ধরে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। তার মোবাইল ফোন বন্ধ, আত্মীয়দের বাসাতেও নেই। তিনি জীবিত না মৃত এ নিয়েও নিশ্চিত হতে পারছেননা তারা।

‎স্থানীয় সূত্র জানায়, কদরিছ মিয়ার ছেলে ছাত্রলীগের ক্যাডার সেলিম আহমদ একাধিক মামলার আসামি। ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে উঠে আসা সেলিম সিলেট সিটির সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ারুজ্জামানের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শন ও বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা বাড়তে থাকে। ৫ আগস্টের ঘটনার পর থেকে সেও পলাতক।

‎পরিবারের সদস্যরা জানান,,,নিখোঁজের ঘটনায় থানায় অভিযোগ করার কথা ভাবলেও নিরাপত্তাহীনতা ও প্রতিশোধের আশঙ্কায় পরিবার এখনো অভিযোগ করতে পারেনি। পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রতিদিনই তাদের উদ্বেগ বাড়ছে কদরিছ মিয়া জীবিত না মৃত, কিছুই জানা যাচ্ছে না।

‎এই বিষয়ে ওসমানীনগর উপজেলা প্রশাসনের কাছে জানতে চাইলে তারা বলে আমরা শুনেছি এরকম একজনকে পাওয়া যাচ্ছেনা,তবে লিখিত কোন অভিযোগ পাই নাই। অভিযোগ পেলে প্রোয়োজনিয় ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে।

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সিলেট-৪ আসনে বিএনপির প্রাথী হচ্ছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী।

বুধবার রাতে আরিফুল হক চৌধুরী নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তবে বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোন ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

গত সোমবার দেশের অন্যান্য আসনের সাথে সিলেটের ৪ টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে বিএনপি। তবে সিলেট-৪ ও সিলেট-৫ আসনে সেদিন কোন প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি।

বিএনপি সূত্রে জানা যায়, আরিফুল হককে দল থেকে একাধিকবার সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে তাতে সম্মত হননি আরিফ। তিনি সবসময়ই সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে সিলেট-১ আসন অথবা সিঠের সিটি নির্বাচনের মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে আসছিলেন।সর্বশেষ সোমবার বিভিন্ন আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণার পর মঙ্গলবার বিএনপির শীর্ষ নেতবেৃন্দের পক্ষ থেকে জরুরী তলব দিয়ে আরিফকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে মঙ্গলবার ও বুধবার আরিফের সাথে দফায় দফায় বৈঠক করেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা। এসব বৈঠকে আরিফুল হককে সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি প্রথমে সম্মত হননি বলে জানা গেছে। এরপর বুধবার রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তাঁকে বাসায় ডেকে পাঠান।রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবনে চেয়ারপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে আরিফুল হক ওই আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হন।সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার কথা জানিয়ে ঢাকা থেকে রাতে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, “চেয়ারপারসন আমাদের জাতীয় মুরুব্বী। তাঁর নির্দেশে আমি সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হয়েছি। দলের প্রয়োজনে আমি বারবার নির্দেশ পালন করে আসছি। আজকের সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করার আদেশ মাথা পেতে মেনে নিয়েছি।