শাহবাজপুরে জুবেল আহমদের উপর আ’লীগের হামলা!


বড়লেখা প্রতিনিধি: দেশ থেকে আওয়ামী ক্ষমতা হারালেও সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়নি আ’লীগের নেতাকর্মীরা। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার থাকা পরিস্থিতেও দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রতিনিয়ত শোনা যায় আ’মীলীগের অঙ্গ সংগঠনগুলোর হামলা, ভাংচুর, হত্যাকান্ড,চাঁদাবাজি সহ নানান ঘটনা।
সিলেটের মৌলভীবাজার জেলায় বড়লেখা থানায় ৪ নং উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের, সায়পুর বিএনপির নেতা নুরুজ আলীর পুত্র জুবেল আহমদকে (২৮) পুলিশ পরিচয়ে নিজ বাড়ী থেকে চোখ বেঁধে তুলে নিয়ে গিয়েছিল আ’মীলীগের নেতাকর্মীরা। পরে, অজ্ঞাত” স্থানে নিয়ে বেধড়ক মার শুরু করে তারা। এক পর্যায় মৃত ভেবে ফেলে দুর্বৃত্তরা।অচেতন অবস্থায় বোবারতল এলাকার স্থানীয় ব্যক্তি আছকর আলী জুবেলকে অজ্ঞান
দেখলে এলাকার মানুষকে একত্র করে পরে বড়লেখা স্বাস্থ্য ক্লিনিকে ভর্তিকরেন স্থানীরা।
জুবেল জানান, তার ভাই রুবেল আহমদকে একই কায়দায় তুলে নিয়ে গিয়েছিল পুলিশ। পরে, পুলিশের হাতকরা অবস্থায় পালিয়ে গিয়েছিল তার ভাই।পূর্ব শত্রুতার জেরে তারা হত্যাকরতে চেয়েছিল ভাই রুবেল ও আমাকে।
ফ্রিডম সিলেট জুবেল এবং রুবেলের বাবা নুরুজ আলীর সাথে কথা বললে তিনি জানান, যে সময় ছেলেকে ধরে নিয়ে গিয়েছিল সেই সময় তিনি বাড়ীতে ছিলেন না। পুলিশ গ্রেফতার করেছে জানার পর তিনি বড়লেখা থানায় “গেলে”থানা কতৃপক্ষ জানান যে, এ বিষয় তারা কিছুই জানেন না। এমনকি হুমকি দিয়ে উল্টো বড়লেখা থানার অফিসার মাহবুবুর রহমান জানান এসব ফালতু বিষয় নিয়ে থানায় প্রবেশ না করতে। এমনকী সাধারণ ডাইরিও নেননি ওসি।
নুরুজ আলী বলেন, পরেরদিন সকালে বড়লেখা স্বাস্থ্য ক্লিনিক থেকে কল আসে আমার ছেলে হাসপাতালে ভর্তি।আমি বিচার চাই, জানতে চাই আমাদের অপরাধ কী? এটাই কী আমার জীবনের কাল ছিল ,২০২১ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির হয়ে মেম্বার পদপ্রার্থী হওয়াটা। যার কারনে এখনো বড় ছেলে আজ দেশছাড়া। আমরা ২০২২ সাল থেকে বাড়ী ছাড়া। এমনকি আমার বড় ছেলের স্ত্রী ও ২ ছেলে এখনও বাড়ীতে নেই।
বিএনপির রাজনীতি করাটা কী পাপ ছিল?’ বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। এই দেশে আমার পরিবারের জীবনের
নিরাপত্তা নেই। তিনি আরো বলেন, থানা গেলে পুলিশ নেওয়া হয়না মামলা, বারবার আমার পরিবারের উপর হামলা। তিনি প্রশ্ন করে বলেন এ দেশের বিচার ব্যবস্থা যদি হাল হয় এমন তাহলে মানুষের জীবনের নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব কার?
এদিকে,মৌলভীবাজারের বড়লেখা থানায় কল দিলে অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুবুর রহমান রিসিভ করলে জুবেল আহমেদের কথা জানতে চাই তিনি কাজে ব্যস্ততা দেখিয়ে কল রেখে দেন ওসি।


আপনার মতামত লিখুন