হুট করে কেন ফাহামিদুলকে বাদ ?
তারিখ লোড হচ্ছে...
সর্বশেষ লাইভ ই-পেপার
       
খুঁজুন                
                               
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

হুট করে কেন ফাহামিদুলকে বাদ ?

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ মার্চ, ২০২৫, ১১:১৮ পূর্বাহ্ণ
হুট করে কেন ফাহামিদুলকে বাদ ?

ফেসবুকে একটি ভিডিও ক্লিপ ঘুরে বেড়াচ্ছে। বাংলাদেশ ফুটবল দলের ট্রেনিং চলছে; সেখানে একজন রীতিমতো ডিফেন্ডারদের নাচিয়ে ছাড়ছেন। সেই ‘একজন’ হচ্ছেন ফাহামিদুল ইসলাম।

ফাহামিদুল ইসলাম ইতালির লিগে চতুর্থ টায়ারে খেলেন। চতুর্থ টায়ার শুনলে কারো কারো নাক ছিটকানোর আওয়াজ শোনা যেতে পারে। কিন্তু ইতালির এই চতুর্থ টায়ারের (সিরি ডি) মার্কেট ভ্যালু কতো জানেন? প্রায় ২৫ মিলিয়ন ইউরো!

ফাহামিদুল ইসলাম খেলেন ওলবিয়া কালসিওতে। এই টিমের মার্কেট ভ্যালু প্রায় দেড় মিলিয়ন ইউরো। ১৯০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই টিমের নিজস্ব স্টেডিয়ামও আছে, যেখানে প্রায় সাড়ে তিন হাজার দর্শক খেলা দেখতে পারেন।

আপনি এখন বাংলাদেশের একেবারে টপ লিগের সাথে ইতালির ওই চতুর্থ টায়ারের লিগকে মিলিয়ে দেখুন..

এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে ভারত ম্যাচকে সামনে রেখে অনুশীলনের জন্য সৌদি আরবে গিয়েছিল বাংলাদেশ দল। সেখানে প্রথমবারের মতো জাতীয় দলের সাথে যোগ দেন ১৮ বছরের তরুণ ফাহামিদুল। সেখানে স্থানীয় ক্লাবের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলা হয়। প্রস্তুতি ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেন তিনি।

 

সুদূর ইতালি তথা ভিন্ন পরিবেশ, সংস্কৃতি এসে প্রথমবারের মতো জাতীয় দলের স্কোয়াডে যোগ দিয়ে অনুশীলন ম্যাচে হ্যাটট্রিক, খুব সহজ মনে করেন? হোক না অনুশীলন ম্যাচ, দলের অন্যদের সাথে দারুণ বোঝাপড়া গড়ে না ওঠলে হ্যাটট্রিক সম্ভব ছিল না!

ফাহামিদুল মাত্রই তার পথচলা শুরু করেছেন বলা যায়। যদি লেগে থাকেন, পরিশ্রম করেন, তবে ইতালিরই টপ লিগে তার খেলার সম্ভাবনা যে একেবারে নাই, সেটা বলা যাবে না। তিনি দেশকে ভালোবেসেই দেশের ডাকে সাড়া দিয়ে খেলতে এসেছিলেন।

অথচ বিস্ময়করভাবে ফাহামিদুলকে বাদ দেওয়া হয়েছে! সৌদি থেকেই ইতালিতে ফিরে গেছেন তিনি।

তাকে বাদ দেওয়া প্রসঙ্গে কোচ কাবরেরা বলেছেন, ‘সে খুবই প্রতিভাবান ফুটবলার। দলের অন্য খেলোয়াড়দের সঙ্গে দেখা হওয়ায় তাঁর জন্য ভালোই হলো। আসলে সে এখনো তরুণ, বাকিদের সঙ্গে মানিয়ে নিতে তাঁর আরও সময় লাগবে।’

ভাইরে, সে প্রতিভাবান; তো তাকে কাজে লাগাবেন না কেন?
সে যদি মানিয়ে নিতে না-ই পারে, তাহলে অনুশীলন ম্যাচে হ্যাটট্রিক করলো কিভাবে? আর দলের সঙ্গে যদি তাকে না-ই রাখেন, তাহলে সে মানিয়ে নেবে কোন ঘোড়ার আন্ডা দিয়ে?

সৌদি আরবে অনুশীলনের জন্য প্রথমে ৩৮ জনের স্কোয়াড দেন জাতীয় দল কোচ হাভিয়ের কাবরেরা। এরপর সেখান থেকে ছেঁটে ফেলা হয় ৮ জনকে। ৩০ জনের স্কোয়াডে ছিলেন ফাহামিদুল।

ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ক্লিপ, অনুশীলন ম্যাচে হ্যাটট্রিক….ফাহামিদুল যে অনুশীলনে মনোযোগী ছিলেন, সেটাই প্রতীয়মান হয়।

তাহলে হুট করে কেন ফাহামিদুলকে বাদ দেওয়া

সৌদিতে অনুশীলনে যাওয়ার আগে প্রাথমিক স্কোয়াড দিয়ে ফাহামিদুলের প্রশংসা করেছিলেন কোচ কাবরেরা। এখন তিনি উল্টো কথা বলেন কেন!

ফাহামিদুলকে দল থেকে বাদ দেওয়ার খবরে ক্ষোভে ফুঁসছেন ফুটবলপ্রেমীরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে তুমুল আলোচনা। তাকে ফেরানোর দাবিতে রাজপথেও নেমে গেছেন কেউ কেউ। অনেকেই বলছেন, বাংলাদেশের ফুটবলে যে ‘সিন্ডিকেট’ বিরাজমান, সেই সিন্ডিকেটের কালো থাবাতেই দল থেকে বাদ পড়তে হয়েছে ফাহামিদুলকে।

জল ঘোলা হচ্ছে অনেক। অথচ আশ্চর্য, দেশের ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাফুফে নিরব। ফাহামিদুল ইস্যুতে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য বাফুফের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়নি।

জামাল ভূঁইয়া, তারিক কাজী, হামজা চৌধুরীর মতো প্রবাসী ফুটবলার যোগ দেওয়ায় বাংলাদেশ দলের শক্তি বেড়েছে, ভ্যালু বেড়েছে। তাদের আগমন আলোচনার খোরাক জুগিয়ে মৃতপ্রায় ফুটবলে প্রাণের সঞ্চার করেছে।

ফাহামিদুলের সঙ্গে আসলে কি ঘটেছে, আমরা জানি না। তিনি ‘সিন্ডিকেটের ইন্ডিকেটে বলি’ কিনা, তাও রহস্যে ঘেরা। কিন্তু স্পষ্ট বলে দেওয়া যায়, তাকে বাদ দেওয়ার ঘটনা প্রবাসে থাকা প্রতিভাবান ফুটবলারদের চিন্তায় ধাক্কা দেবে, বাংলাদেশ দলের হয়ে খেলার ইচ্ছাকে বাধাগ্রস্ত করবে।

ফাহামিদুলের বাদ পড়ার বিতর্ক দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে একটা ঝাঁকি দিয়েছে বলা যায়। বাফুফে নিরব থাকলেও ক্রীড়াপ্রেমীদের মনোভাব বুঝতে পেরেছেন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। আর তাই মধ্যরাতে তার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আজ বুধবার বিষয়টি নিয়ে বাফুফে সভাপতির সাথে কথা বলবেন তিনি।

রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৪১ অপরাহ্ণ
রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

স্টাফরিপোর্টার:: মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার বর্ণীতে আয়োজিত এক সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেছেন, মানবকল্যাণে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। তারা বলেন, অসহায় ও আর্তমানবতার সেবার মাধ্যমে যেমন মহান স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়, তেমনি পাওয়া যায় মানুষের ভালোবাসা। মানবসেবাকে ইবাদতের সঙ্গে তুলনা করে বক্তারা আরও বলেন, এতিম-অসহায়দের সহায়তা এবং দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে কাজ করলে ইহকাল ও পরকালে কল্যাণ অর্জিত হয়। মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেয়ে বড় আনন্দ আর কিছু নেই বলেও উল্লেখ করেন তারা।শুক্রবার বিকেলে পীরে কামেল ওস্তাজুল উলামা আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.) প্রতিষ্ঠিত রহমানিয়া টুকা হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ উপলক্ষে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে এবং মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল আলিম ও সহ-সুপার মাহফুজুর রহমানের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত ব্যক্তি ছিলেন যুক্তরাজ্যপ্রবাসী, লন্ডন অক্সফোর্ড জামে মসজিদের খতিব ও বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা হেলাল আহমদ খান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আঞ্জুমানে আল ইসলাহ’র মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা এ. কে. এম. মনোয়ার আলী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিবপুর কেশবপুর কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হাকিম, দৈনিক রূপালী বাংলাদেশের সিলেট ব্যুরো প্রধান কবি সালমান ফরিদ এবং মাথিউরা ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মুফতি তকি উদ্দিন।আনন্দ টেলিভিশনের সিলেট প্রতিনিধি তাহের আহমদ।
বিয়ানীবাজার সহকারী শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হোসেন আহমদ, সায়রা মুক্তাদির দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুল হামিদ মাস্টার সফর উদ্দিনসহ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.)-এর জীবন ও কর্ম নিয়ে একটি স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। আয়োজকরা জানান, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির আগেই গ্রন্থটি প্রকাশ করা হবে ।

ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ
ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার দয়ামির ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কদরিছ  মিয়া প্রায় এক বছর ধরে নিখোঁজ রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। তিনি বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন ওসমানীনগর উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রলীগ নেতা সেলিম আহমদের পিতা।


‎পরিবার জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের পটপরিবর্তনের পর তাদের বাড়িতে হামলা হয়। রাজনৈতিক উত্তেজনা ও একাধিক মামলার কারণে এ সময় সেলিম আহমদ ও তার বাবা আত্মগোপনে ছিলেন। পরিবারের দাবি প্রায় এক বছর ধরে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। তার মোবাইল ফোন বন্ধ, আত্মীয়দের বাসাতেও নেই। তিনি জীবিত না মৃত এ নিয়েও নিশ্চিত হতে পারছেননা তারা।

‎স্থানীয় সূত্র জানায়, কদরিছ মিয়ার ছেলে ছাত্রলীগের ক্যাডার সেলিম আহমদ একাধিক মামলার আসামি। ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে উঠে আসা সেলিম সিলেট সিটির সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ারুজ্জামানের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শন ও বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা বাড়তে থাকে। ৫ আগস্টের ঘটনার পর থেকে সেও পলাতক।

‎পরিবারের সদস্যরা জানান,,,নিখোঁজের ঘটনায় থানায় অভিযোগ করার কথা ভাবলেও নিরাপত্তাহীনতা ও প্রতিশোধের আশঙ্কায় পরিবার এখনো অভিযোগ করতে পারেনি। পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রতিদিনই তাদের উদ্বেগ বাড়ছে কদরিছ মিয়া জীবিত না মৃত, কিছুই জানা যাচ্ছে না।

‎এই বিষয়ে ওসমানীনগর উপজেলা প্রশাসনের কাছে জানতে চাইলে তারা বলে আমরা শুনেছি এরকম একজনকে পাওয়া যাচ্ছেনা,তবে লিখিত কোন অভিযোগ পাই নাই। অভিযোগ পেলে প্রোয়োজনিয় ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে।

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সিলেট-৪ আসনে বিএনপির প্রাথী হচ্ছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী।

বুধবার রাতে আরিফুল হক চৌধুরী নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তবে বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোন ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

গত সোমবার দেশের অন্যান্য আসনের সাথে সিলেটের ৪ টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে বিএনপি। তবে সিলেট-৪ ও সিলেট-৫ আসনে সেদিন কোন প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি।

বিএনপি সূত্রে জানা যায়, আরিফুল হককে দল থেকে একাধিকবার সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে তাতে সম্মত হননি আরিফ। তিনি সবসময়ই সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে সিলেট-১ আসন অথবা সিঠের সিটি নির্বাচনের মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে আসছিলেন।সর্বশেষ সোমবার বিভিন্ন আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণার পর মঙ্গলবার বিএনপির শীর্ষ নেতবেৃন্দের পক্ষ থেকে জরুরী তলব দিয়ে আরিফকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে মঙ্গলবার ও বুধবার আরিফের সাথে দফায় দফায় বৈঠক করেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা। এসব বৈঠকে আরিফুল হককে সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি প্রথমে সম্মত হননি বলে জানা গেছে। এরপর বুধবার রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তাঁকে বাসায় ডেকে পাঠান।রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবনে চেয়ারপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে আরিফুল হক ওই আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হন।সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার কথা জানিয়ে ঢাকা থেকে রাতে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, “চেয়ারপারসন আমাদের জাতীয় মুরুব্বী। তাঁর নির্দেশে আমি সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হয়েছি। দলের প্রয়োজনে আমি বারবার নির্দেশ পালন করে আসছি। আজকের সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করার আদেশ মাথা পেতে মেনে নিয়েছি।