অন্ধকার চক্রের ছোবলে আলোকিত সাইদুল
তারিখ লোড হচ্ছে...
সর্বশেষ লাইভ ই-পেপার
       
খুঁজুন                
                               
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

অন্ধকার চক্রের ছোবলে আলোকিত সাইদুল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ জুন, ২০২৫, ১:০৬ পূর্বাহ্ণ
অন্ধকার চক্রের ছোবলে আলোকিত সাইদুল

ফ্রিডম সিলেট প্রতিবেদক:: বড়লেখা পৌর এলাকার এক জনপ্রিয় নাম সাইদুল ইসলাম। পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের গাজিটেকা আইলাপুর গ্রামের মৃত আবদুল খালিকের ছেলে তিনি। একটি সম্ভ্রান্ত পরিবার থেকে উঠে আসা সাইদুল ইসলাম পৌর এলাকার তৃণমূল মানুষের কাছে এক বিশ্বস্ত ও নির্ভরতার নাম। সহযোগিতা, সামাজিকতা, বিচার-শালিস, গৃহ-বিবাদ, বিরোধ মেটানো—সবকিছুতেই সমাধান হিসেবে যে নামটি বিবেচিত হয়, তিনি সাইদুল ইসলাম।

অবশ্য এই অবস্থান একদিনে তৈরি হয়নি। তিলে তিলে মানুষের মনের মধ্যে ভালোবাসার আলো জ্বালিয়েছেন তিনি। সেই আলোতে আলোকিত করেছেন বড়লেখা পৌর এলাকা। তবে আলোর বিপরীতে অন্ধকারও থাকে। আলো সহ্য না হওয়া মানুষগুলো অন্ধকারমুখী। অন্ধকারের মানুষগুলো গিলে খেতে চায় সকল আলো। ফলে একের পর এক চলে আলো নিভিয়ে দেওয়ার চেষ্টা। অব্যাহত চেষ্টার ফল—এখন কারাগারে আলোকিত জন। বর্তমানে একাধিক মামলায় কারাভোগ করছেন সাইদুল ইসলাম।

গেলো আওয়ামী দুঃশাসনে বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীরা যখন মামলা-হামলায় জর্জরিত, তখন তাদের পরিবারের পাশে বড়লেখা উপজেলায় সর্বাগ্রে যিনি আর্থিক সহযোগিতার হাত প্রসারিত করেছিলেন, তিনি সাইদুল ইসলাম। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির একজন নিবেদিতপ্রাণ সমর্থক হিসেবে নিরলসভাবে দীর্ঘ তিন যুগ মাঠ চষে বেড়িয়েছেন তিনি। বিনিময়ে দলীয় পদবি না জুটলেও পেয়েছেন তৃণমূল মানুষের অকুণ্ঠ সমর্থন ও ভালোবাসা—যার প্রমাণ গোটা পৌর এলাকার ত্যাগী ও দলীয় নেতাকর্মীরা।

আওয়ামী লীগ শাসনামলে সাইদুল ইসলামের নামে হয়েছে একাধিক মামলা। ফ্যাসিবাদী আমলে স্থানীয় সাংসদ ও বন ও পরিবেশমন্ত্রী শাহাব উদ্দিন, তার ভাগিনা উপজেলা চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ, সদর ইউপি চেয়ারম্যান এবং আরেক ভাগিনা জুয়েল আহমদের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের আক্রোশে তাকে একাধিকবার জেল খাটতে ও মিথ্যা মামলার শিকার হতে হয়েছে।

বড়লেখা গাজিটেকা সাত মৌজার তিনি প্রধান কর্ণধার। একই সাথে বড়লেখা উপজেলায়ও তাঁর সুনাম বিস্তৃত থাকায় যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার সমাধানে এলাকাবাসীর ডাকে তিনিই থাকেন কান্ডারীর ভূমিকায়। তিনি বিচারিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি একটি এতিমখানার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তখন থেকেই মাদ্রাসার এতিম ছেলে-মেয়েদের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন। একই সঙ্গে বড়লেখা বাজার বণিক সমিতিতে তিনি ছিলেন একজন সদস্য। ফলে সেখানে তৈরি হয় সাইদুল ইসলামের শক্ত একটি প্রতিপক্ষ, যারা দিনে-রাতে তাকে ঘায়েল করার জন্য উঠে পড়ে লাগে।

২০২০ সালে বড়লেখা পৌরসভায় যুবলীগের সভাপতি জসীম উদ্দিন ও শামীম আহমদের সাথে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে, আওয়ামী লীগ সরকারের প্রভাব ও ক্ষমতার দাপটে তার বিরুদ্ধে জি.আর ১০১/২০২০ (বড়), জি.আর ১০২/২০২০ (বড়) মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় সাইদুল ইসলাম দীর্ঘদিন হাজতবাসের পর জামিনে মুক্তি লাভ করেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বড়লেখা উপজেলার প্রভাবশালী নেতৃবৃন্দের দ্বারা তিনি আর্থিক ও মানসিকভাবে লক্ষ লক্ষ টাকা ক্ষতিগ্রস্ত হন।

২০২০ সালের বড়লেখা পৌরসভা নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মোবাইল প্রতীক নিয়ে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সেই নির্বাচনে তিনি বিপুল ভোটে বিজয়ী হলেও তৎকালীন আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী বন ও পরিবেশমন্ত্রী শাহাব উদ্দিন সরজমিন উপস্থিত থেকে নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ক্ষমতা প্রয়োগ করে সাইদুল ইসলামকে বিএনপির ট্যাগ লাগিয়ে পরাজিত ঘোষণা করেন এবং আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আবুল ইমাম মোহাম্মদ কামরান চৌধুরীকে বিজয়ী ঘোষণা করেন।

সাইদুল ইসলামের এত জনপ্রিয়তা থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র রাজনৈতিক হিংসাবশত তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্য একের পর এক তাণ্ডবলীলা চলমান রয়েছে। বিশেষ করে জুলাই বিপ্লবের সময় স্থানীয় ও সিলেট বিভাগীয় পর্যায়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন, যার প্রমাণ তার নামীয় (Saidul Islam) ফেসবুক আইডিতে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

৫ আগস্ট ২০২৪ ইং তারিখে বৈষম্যবিরোধী ছাত্ররা ও সাধারণ জনগণ বড়লেখা থানা ঘেরাও করলে, সাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে বড়লেখা থানাসহ ওসি ও সকল পুলিশ সদস্যরা প্রাণে রক্ষা পান।
জেলে থাকা সাইদুল ইসলামের মুক্তির দাবি জানাচ্ছেন অনেকেই। প্রতিবাদ করলেই মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করা হচ্ছে অনেককে। রাষ্ট্রের কাছে তাদের দাবি—সাইদুল ইসলামের প্রতি ন্যায়বিচার করা হোক।

“জুলাই বিপ্লবে ছাত্র-জনতার আন্দোলন: ৫ আগস্ট সাইদুল ইসলামের অবস্থান (ভিডিও লিংক)”  https://www.facebook.com/watch/?v=461615666699420

রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৪১ অপরাহ্ণ
রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

স্টাফরিপোর্টার:: মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার বর্ণীতে আয়োজিত এক সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেছেন, মানবকল্যাণে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। তারা বলেন, অসহায় ও আর্তমানবতার সেবার মাধ্যমে যেমন মহান স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়, তেমনি পাওয়া যায় মানুষের ভালোবাসা। মানবসেবাকে ইবাদতের সঙ্গে তুলনা করে বক্তারা আরও বলেন, এতিম-অসহায়দের সহায়তা এবং দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে কাজ করলে ইহকাল ও পরকালে কল্যাণ অর্জিত হয়। মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেয়ে বড় আনন্দ আর কিছু নেই বলেও উল্লেখ করেন তারা।শুক্রবার বিকেলে পীরে কামেল ওস্তাজুল উলামা আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.) প্রতিষ্ঠিত রহমানিয়া টুকা হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ উপলক্ষে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে এবং মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল আলিম ও সহ-সুপার মাহফুজুর রহমানের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত ব্যক্তি ছিলেন যুক্তরাজ্যপ্রবাসী, লন্ডন অক্সফোর্ড জামে মসজিদের খতিব ও বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা হেলাল আহমদ খান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আঞ্জুমানে আল ইসলাহ’র মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা এ. কে. এম. মনোয়ার আলী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিবপুর কেশবপুর কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হাকিম, দৈনিক রূপালী বাংলাদেশের সিলেট ব্যুরো প্রধান কবি সালমান ফরিদ এবং মাথিউরা ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মুফতি তকি উদ্দিন।আনন্দ টেলিভিশনের সিলেট প্রতিনিধি তাহের আহমদ।
বিয়ানীবাজার সহকারী শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হোসেন আহমদ, সায়রা মুক্তাদির দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুল হামিদ মাস্টার সফর উদ্দিনসহ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.)-এর জীবন ও কর্ম নিয়ে একটি স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। আয়োজকরা জানান, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির আগেই গ্রন্থটি প্রকাশ করা হবে ।

ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ
ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার দয়ামির ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কদরিছ  মিয়া প্রায় এক বছর ধরে নিখোঁজ রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। তিনি বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন ওসমানীনগর উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রলীগ নেতা সেলিম আহমদের পিতা।


‎পরিবার জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের পটপরিবর্তনের পর তাদের বাড়িতে হামলা হয়। রাজনৈতিক উত্তেজনা ও একাধিক মামলার কারণে এ সময় সেলিম আহমদ ও তার বাবা আত্মগোপনে ছিলেন। পরিবারের দাবি প্রায় এক বছর ধরে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। তার মোবাইল ফোন বন্ধ, আত্মীয়দের বাসাতেও নেই। তিনি জীবিত না মৃত এ নিয়েও নিশ্চিত হতে পারছেননা তারা।

‎স্থানীয় সূত্র জানায়, কদরিছ মিয়ার ছেলে ছাত্রলীগের ক্যাডার সেলিম আহমদ একাধিক মামলার আসামি। ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে উঠে আসা সেলিম সিলেট সিটির সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ারুজ্জামানের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শন ও বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা বাড়তে থাকে। ৫ আগস্টের ঘটনার পর থেকে সেও পলাতক।

‎পরিবারের সদস্যরা জানান,,,নিখোঁজের ঘটনায় থানায় অভিযোগ করার কথা ভাবলেও নিরাপত্তাহীনতা ও প্রতিশোধের আশঙ্কায় পরিবার এখনো অভিযোগ করতে পারেনি। পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রতিদিনই তাদের উদ্বেগ বাড়ছে কদরিছ মিয়া জীবিত না মৃত, কিছুই জানা যাচ্ছে না।

‎এই বিষয়ে ওসমানীনগর উপজেলা প্রশাসনের কাছে জানতে চাইলে তারা বলে আমরা শুনেছি এরকম একজনকে পাওয়া যাচ্ছেনা,তবে লিখিত কোন অভিযোগ পাই নাই। অভিযোগ পেলে প্রোয়োজনিয় ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে।

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সিলেট-৪ আসনে বিএনপির প্রাথী হচ্ছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী।

বুধবার রাতে আরিফুল হক চৌধুরী নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তবে বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোন ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

গত সোমবার দেশের অন্যান্য আসনের সাথে সিলেটের ৪ টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে বিএনপি। তবে সিলেট-৪ ও সিলেট-৫ আসনে সেদিন কোন প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি।

বিএনপি সূত্রে জানা যায়, আরিফুল হককে দল থেকে একাধিকবার সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে তাতে সম্মত হননি আরিফ। তিনি সবসময়ই সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে সিলেট-১ আসন অথবা সিঠের সিটি নির্বাচনের মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে আসছিলেন।সর্বশেষ সোমবার বিভিন্ন আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণার পর মঙ্গলবার বিএনপির শীর্ষ নেতবেৃন্দের পক্ষ থেকে জরুরী তলব দিয়ে আরিফকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে মঙ্গলবার ও বুধবার আরিফের সাথে দফায় দফায় বৈঠক করেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা। এসব বৈঠকে আরিফুল হককে সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি প্রথমে সম্মত হননি বলে জানা গেছে। এরপর বুধবার রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তাঁকে বাসায় ডেকে পাঠান।রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবনে চেয়ারপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে আরিফুল হক ওই আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হন।সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার কথা জানিয়ে ঢাকা থেকে রাতে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, “চেয়ারপারসন আমাদের জাতীয় মুরুব্বী। তাঁর নির্দেশে আমি সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হয়েছি। দলের প্রয়োজনে আমি বারবার নির্দেশ পালন করে আসছি। আজকের সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করার আদেশ মাথা পেতে মেনে নিয়েছি।