চাঁদাবাজির ঘটনায় নাম আসায় ‘একপ্রকার অবাক’ : উপদেষ্টা আসিফ
তারিখ লোড হচ্ছে...
সর্বশেষ লাইভ ই-পেপার
       
খুঁজুন                
                               
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

চাঁদাবাজির ঘটনায় নাম আসায় ‘একপ্রকার অবাক’ : উপদেষ্টা আসিফ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৫, ৫:৩১ অপরাহ্ণ
চাঁদাবাজির ঘটনায় নাম আসায় ‘একপ্রকার অবাক’ : উপদেষ্টা আসিফ

ঢাকায় সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আহমেদের গুলশানের বাসায় চাঁদাবাজির ঘটনায় অভিযুক্ত বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের (বাগছাস) সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক জানে আলম অপুর স্বীকারোক্তিমূলক বক্তব্যে স্থানীয় সরকার বিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার নাম এসেছে। গতকাল (বুধবার, ১৩ আগস্ট) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে।আজ (বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা আসিফ বলেন, ‘বিষয়টি তদন্তাধীন থাকায় এ নিয়ে মন্তব্য করা উচিত নয়।’ তবে অভিযুক্ত অপুর স্ত্রীর বরাত দিয়ে তিনি জানান, অপুকে গুম করে জোরপূর্বক স্টেটমেন্ট আদায়ের অভিযোগ করা হয়েছে, যা সত্য হলে অত্যন্ত শঙ্কাজনক।উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, ‘আসলে প্রথমত হচ্ছে, এই বিষয়টা যেহেতু তদন্তাধীন, এটা নিয়ে মন্তব্য করা উচিত নয়। তারপরও যেহেতু নাম স্পেসিফিকলি সেখানে এসেছে, নামটা আসার পর আমি একপ্রকার অবাকই হই। কারণ অপুকে আমি চিনতাম যখন ছাত্র অধিকার পরিষদে ছিলাম। ২০২২ সালে, তখন আমরা ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলাম। সেও ছাত্র অধিকার পরিষদে ছিল। সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিটি বোধহয় ছিল। তখন চিনতাম। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরে তার সঙ্গে আমার কখনও কথা বা দেখা হয়নি।’তিনি বলেন, ‘এ ধরনের একটা দাবি আসার পরে আমরা আরেক জায়গা থেকে জানতে পারলাম, কিছুক্ষণ আগেও আমি কেবিনেট থেকে বের হয়ে দেখলাম যে একজন সংবাদ সম্মেলন করেছেন তার স্ত্রী পরিচয়ে। আমি খোঁজ নেয়ার চেষ্টা করছি, আসলে কী ঘটনা। তিনি সেখানে দাবি করেছেন, অপুকে গুম করে স্টেটমেন্ট আদায় করা হয়েছে জোরপূর্বক। যদি এরকম কিছু হয়েই থাকে, সেটা আসলেই অত্যন্ত শঙ্কাজনক।’উপদেষ্টা বলেন, ‘৫ আগস্টের পরের বাংলাদেশে আমরা যদি আবারও আগের মতো পরিস্থিতিতে ফিরে যাই; এটা আসলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গেস্টরুম হতো, আপনারা জানেন, আমাদের এখানে আয়নাঘর ছিল—যেগুলো ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পরে এখন অকার্যকর। আমরা কী আবার সেই প্রেক্ষাপটে যাচ্ছি কি না, এটাও একটা শঙ্কার বিষয়।’সিসিটিভি ফুটেজে দাবি করা হয়, আপনি বাইকে চড়ে গিয়েছিলেন? এমন প্রশ্নে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘আমি মাঝেমধ্যেই রাতে, যখন আমার কাজ শেষ হয়, কখনও কখনও ভোর হয়ে যায়। ওই সময় বাসায় আসলে খাওয়া-দাওয়ার মতো কিছু থাকে না। মাঝেমধ্যে বেশিরভাগ সময়ই ৩০০ ফিটের নীলা মার্কেট বলে একটা জায়গা আছে, সেখানে যাই। ওখানে হাঁসের মাংস খুব ভালো পাওয়া যায়। সেখানে হয়তো যাই ৪-৫ জন মিলে। আবার মাঝেমধ্যে যদি বেশি ভোর হয়ে যায়, তখন সেটাও বন্ধ থাকে। তখন ওইদিকে ওয়েস্টিনে যাওয়া হয়। ওইদিন আমি গিয়েছিলাম কিনা, সেটা আমার…’ (থামিয়ে অন্য প্রশ্ন)।সিসিটিভি ফুটেজে আপনি কি না? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এখন সিসিটিভি ফুটেজে হেলমেট পরা যে কাউকে আমাকে বলে দাবি করা হয়, এটা কতটুকু বিশ্বাসযোগ্য! এ বিষয়ে বেশি কিছু আর বলতে চাই না, কারণ এটা তদন্তাধীন বিষয়। তারপরও অনেক কিছু বললাম, যেহেতু আমার বিষয়ে অভিযোগ এসেছে।’

রাজনীতিতে আসা ও নির্বাচনে অংশ নেয়ার বিষয়ে সাম্প্রতিক বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তফসিলের আগের যে বক্তব্যটা আমি দিয়েছি, সেটা শুধু আমার কথা বলিনি। আমি বলেছি, যাদেরই রাজনীতি করার ইচ্ছে আছে, সবাই শুধু পরিচিতি বেশি হওয়ার কারণে আমার বা ছাত্র উপদেষ্টাদের কথা বলে থাকেন। কিন্তু এখানে আরও উপদেষ্টারা আছেন, যাদের পূর্ববর্তী রাজনৈতিক পরিচয় আছে। এখনও হয়তো আছে এবং সামনেও রাজনীতি করবেন, নির্বাচনও করবেন। সরকারের বিভিন্ন জায়গায় হয়তো আরও এরকম আছেন। আমি মনে করি, সবারই তফসিলের আগে পদত্যাগ করা উচিত—একটা স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু, কোনপ্রকার প্রভাবমুক্ত নির্বাচন আয়োজনের জন্য। আমি নির্বাচন করবো কি না, এ বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত নিইনি।’

রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৪১ অপরাহ্ণ
রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

স্টাফরিপোর্টার:: মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার বর্ণীতে আয়োজিত এক সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেছেন, মানবকল্যাণে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। তারা বলেন, অসহায় ও আর্তমানবতার সেবার মাধ্যমে যেমন মহান স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়, তেমনি পাওয়া যায় মানুষের ভালোবাসা। মানবসেবাকে ইবাদতের সঙ্গে তুলনা করে বক্তারা আরও বলেন, এতিম-অসহায়দের সহায়তা এবং দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে কাজ করলে ইহকাল ও পরকালে কল্যাণ অর্জিত হয়। মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেয়ে বড় আনন্দ আর কিছু নেই বলেও উল্লেখ করেন তারা।শুক্রবার বিকেলে পীরে কামেল ওস্তাজুল উলামা আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.) প্রতিষ্ঠিত রহমানিয়া টুকা হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ উপলক্ষে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে এবং মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল আলিম ও সহ-সুপার মাহফুজুর রহমানের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত ব্যক্তি ছিলেন যুক্তরাজ্যপ্রবাসী, লন্ডন অক্সফোর্ড জামে মসজিদের খতিব ও বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা হেলাল আহমদ খান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আঞ্জুমানে আল ইসলাহ’র মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা এ. কে. এম. মনোয়ার আলী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিবপুর কেশবপুর কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হাকিম, দৈনিক রূপালী বাংলাদেশের সিলেট ব্যুরো প্রধান কবি সালমান ফরিদ এবং মাথিউরা ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মুফতি তকি উদ্দিন।আনন্দ টেলিভিশনের সিলেট প্রতিনিধি তাহের আহমদ।
বিয়ানীবাজার সহকারী শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হোসেন আহমদ, সায়রা মুক্তাদির দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুল হামিদ মাস্টার সফর উদ্দিনসহ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.)-এর জীবন ও কর্ম নিয়ে একটি স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। আয়োজকরা জানান, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির আগেই গ্রন্থটি প্রকাশ করা হবে ।

ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ
ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার দয়ামির ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কদরিছ  মিয়া প্রায় এক বছর ধরে নিখোঁজ রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। তিনি বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন ওসমানীনগর উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রলীগ নেতা সেলিম আহমদের পিতা।


‎পরিবার জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের পটপরিবর্তনের পর তাদের বাড়িতে হামলা হয়। রাজনৈতিক উত্তেজনা ও একাধিক মামলার কারণে এ সময় সেলিম আহমদ ও তার বাবা আত্মগোপনে ছিলেন। পরিবারের দাবি প্রায় এক বছর ধরে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। তার মোবাইল ফোন বন্ধ, আত্মীয়দের বাসাতেও নেই। তিনি জীবিত না মৃত এ নিয়েও নিশ্চিত হতে পারছেননা তারা।

‎স্থানীয় সূত্র জানায়, কদরিছ মিয়ার ছেলে ছাত্রলীগের ক্যাডার সেলিম আহমদ একাধিক মামলার আসামি। ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে উঠে আসা সেলিম সিলেট সিটির সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ারুজ্জামানের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শন ও বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা বাড়তে থাকে। ৫ আগস্টের ঘটনার পর থেকে সেও পলাতক।

‎পরিবারের সদস্যরা জানান,,,নিখোঁজের ঘটনায় থানায় অভিযোগ করার কথা ভাবলেও নিরাপত্তাহীনতা ও প্রতিশোধের আশঙ্কায় পরিবার এখনো অভিযোগ করতে পারেনি। পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রতিদিনই তাদের উদ্বেগ বাড়ছে কদরিছ মিয়া জীবিত না মৃত, কিছুই জানা যাচ্ছে না।

‎এই বিষয়ে ওসমানীনগর উপজেলা প্রশাসনের কাছে জানতে চাইলে তারা বলে আমরা শুনেছি এরকম একজনকে পাওয়া যাচ্ছেনা,তবে লিখিত কোন অভিযোগ পাই নাই। অভিযোগ পেলে প্রোয়োজনিয় ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে।

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সিলেট-৪ আসনে বিএনপির প্রাথী হচ্ছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী।

বুধবার রাতে আরিফুল হক চৌধুরী নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তবে বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোন ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

গত সোমবার দেশের অন্যান্য আসনের সাথে সিলেটের ৪ টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে বিএনপি। তবে সিলেট-৪ ও সিলেট-৫ আসনে সেদিন কোন প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি।

বিএনপি সূত্রে জানা যায়, আরিফুল হককে দল থেকে একাধিকবার সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে তাতে সম্মত হননি আরিফ। তিনি সবসময়ই সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে সিলেট-১ আসন অথবা সিঠের সিটি নির্বাচনের মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে আসছিলেন।সর্বশেষ সোমবার বিভিন্ন আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণার পর মঙ্গলবার বিএনপির শীর্ষ নেতবেৃন্দের পক্ষ থেকে জরুরী তলব দিয়ে আরিফকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে মঙ্গলবার ও বুধবার আরিফের সাথে দফায় দফায় বৈঠক করেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা। এসব বৈঠকে আরিফুল হককে সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি প্রথমে সম্মত হননি বলে জানা গেছে। এরপর বুধবার রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তাঁকে বাসায় ডেকে পাঠান।রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবনে চেয়ারপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে আরিফুল হক ওই আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হন।সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার কথা জানিয়ে ঢাকা থেকে রাতে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, “চেয়ারপারসন আমাদের জাতীয় মুরুব্বী। তাঁর নির্দেশে আমি সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হয়েছি। দলের প্রয়োজনে আমি বারবার নির্দেশ পালন করে আসছি। আজকের সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করার আদেশ মাথা পেতে মেনে নিয়েছি।