ড. ইউনূসের জুলাই ঘোষণাপত্র দেওয়ার কোনো অধিকার নেই: ফরহাদ মজহার
তারিখ লোড হচ্ছে...
সর্বশেষ লাইভ ই-পেপার
       
খুঁজুন                
                               
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

ড. ইউনূসের জুলাই ঘোষণাপত্র দেওয়ার কোনো অধিকার নেই: ফরহাদ মজহার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ আগস্ট, ২০২৫, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ
ড. ইউনূসের জুলাই ঘোষণাপত্র দেওয়ার কোনো অধিকার নেই: ফরহাদ মজহার

কবি, লেখক ও চিন্তক ফরহাদ মজহার বলেছেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের জুলাই ঘোষণাপত্র দেওয়ার কোনো অধিকার নেই। তিনি শেখ হাসিনার সংবিধানের অধীন একজন উপদেষ্টা, তিনি চুপ্পুর উপদেষ্টা। গণ-অভ্যুত্থানের নেতা নন, তিনি গণ-অভ্যুত্থানের একটি ফল মাত্র।’

তিনি বলেন, ‘ছাত্ররা ঘোষণাপত্র দিতে চেয়েছিল, এই সরকার তখন মিথ্যা কথা বলে তা দিতে দেয়নি।’

মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া মিলনায়তনে গণশক্তি সভা আয়োজিত ‘জুলাই ঘোষণাপত্রে বঞ্চণা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ফরহাদ মজহার বলেন, ‘সাংবিধানিক প্রতিবিপ্লবের কারণে এই গণঅভ্যুত্থান যদি ব্যর্থ হয়, আমরা আবার লড়াই করে গণ-অভ্যুত্থানের দিকে যাবো। গণ-অভ্যুত্থানের শুরুতেই আমরা বলেছি জাতীয় সরকার গঠনের কথা। যে তরুণরা বুলেটের সামনে দাঁড়িয়ে, বুকের রক্ত দিয়ে এ গণ-অভ্যুত্থান করেছে তারা বলেছে, আসেন আমরা জাতীয় সরকার করি। শেখ হাসিনার যে ফ্যাসিবাদী সংবিধান ফেলে দিয়ে আসেন আমরা নতুন বাংলাদেশ গঠন করি। কেন আমরা নতুন বাংলাদেশ গঠন করতে চাই, কারণ জিয়াউর রহমানও এইরকম গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠন করতে চেয়েছিলেন। সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচারে ভিত্তিতে একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনের জন্য লড়াই করেছিলেন জিয়াউর রহমান। তিনি কি সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ বা জাতীয়তাবাদ এসবের জন্য যুদ্ধ করেছেন? বায়াত্তরের সংবিধান আমাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল।’

বিএনপির উদ্দেশে ফরহাদ মজহার বলেন, ‘আপনারা কেন এই সংবিধান ধরে রাখতে চান? জিয়াউর রহমান তো বাহাত্তরের সংবিধানকে ধরে রাখতে চাননি। আমি যতটুকু জানি, বেগম খালেদা জিয়াও এই সংবিধান ধরে রাখতে চাননি। তিনিও বলেছিলেন, এই সংবিধান ছুড়ে ফেলে দিতে হবে। তাহলে আপনারা কেন গণঅভ্যুত্থানের ওপরে চাপ দিয়ে এই সংবিধান ধরে রাখলেন এবং একটা প্রতিবিপ্লব ঘটিয়েছেন, যা করার কথা ছিল তা না করে কার জন্য এটা করলেন?’

বিএনপির উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, ‘শুরু থেকেই আপনারা নির্বাচন নির্বাচন করতে লাগলেন। জনগণের ক্ষমতা জনগণের কাছে ফিরিয়ে দিতে চাননি কেন আপনারা। নির্বাচন মানেই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নয়। শেখ হাসিনাও নির্বাচন করতো। এখন সবার আগে দরকার গণপরিষদ নির্বাচন। সেই গণপরিষদের সবাই মিলে ঠিক করবে কী ধরনের রাষ্ট্র আমাদের লাগবে।’

ফরহাদ মজহার বলেন, ‘গণসার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করতে হবে, কেমন সে গণসার্বভৌমত্ব, রাষ্ট্রের সকল সিদ্ধান্তে জনগণের অংশগ্রহণ থাকবে। কোন প্রকল্প নিলে যারা এর দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে এমনকি যারা লাভবান হবে তাদের এ-সম্পর্কে জানার সুযোগ থাকতে হবে। আমলারা সিদ্ধান্ত নিলেই হবে না, কারণ তারা অল্প টাকায় বিক্রি হয়ে যায়।’

তিনি বলেন, ‘একটা নির্বাচন দিলে সব হয়ে যাবে? রাষ্ট্র তো আগের জায়গাতেই আছে, সেনাবাহিনীও আগের জায়গাতেই আছে, কিছু বদল হয়নি।’

অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে ফরহাদ মজহার বলেন, ‘শেখ হাসিনার শাসনামলে সেনাবাহিনীর নৈতিক শক্তি মেরুদণ্ডকে ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এই সেনাবাহিনীকে দিয়ে দেশ রক্ষা করার কথা বলেও লাভ নেই। আপনারা সেনাবাহিনীকে নির্বাচন করাতে চাইছেন, কারণ নির্বাচন করার ক্ষমতা আপনাদের নেই। কিন্তু সেনাবাহিনীর কাজ তো নির্বাচন পরিচালনা করা নয়। সেনাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কোনো প্রকার ষড়যন্ত্র আমরা নাগরিকরা সহ্য করবো না।’

রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৪১ অপরাহ্ণ
রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

স্টাফরিপোর্টার:: মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার বর্ণীতে আয়োজিত এক সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেছেন, মানবকল্যাণে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। তারা বলেন, অসহায় ও আর্তমানবতার সেবার মাধ্যমে যেমন মহান স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়, তেমনি পাওয়া যায় মানুষের ভালোবাসা। মানবসেবাকে ইবাদতের সঙ্গে তুলনা করে বক্তারা আরও বলেন, এতিম-অসহায়দের সহায়তা এবং দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে কাজ করলে ইহকাল ও পরকালে কল্যাণ অর্জিত হয়। মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেয়ে বড় আনন্দ আর কিছু নেই বলেও উল্লেখ করেন তারা।শুক্রবার বিকেলে পীরে কামেল ওস্তাজুল উলামা আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.) প্রতিষ্ঠিত রহমানিয়া টুকা হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ উপলক্ষে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে এবং মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল আলিম ও সহ-সুপার মাহফুজুর রহমানের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত ব্যক্তি ছিলেন যুক্তরাজ্যপ্রবাসী, লন্ডন অক্সফোর্ড জামে মসজিদের খতিব ও বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা হেলাল আহমদ খান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আঞ্জুমানে আল ইসলাহ’র মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা এ. কে. এম. মনোয়ার আলী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিবপুর কেশবপুর কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হাকিম, দৈনিক রূপালী বাংলাদেশের সিলেট ব্যুরো প্রধান কবি সালমান ফরিদ এবং মাথিউরা ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মুফতি তকি উদ্দিন।আনন্দ টেলিভিশনের সিলেট প্রতিনিধি তাহের আহমদ।
বিয়ানীবাজার সহকারী শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হোসেন আহমদ, সায়রা মুক্তাদির দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুল হামিদ মাস্টার সফর উদ্দিনসহ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.)-এর জীবন ও কর্ম নিয়ে একটি স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। আয়োজকরা জানান, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির আগেই গ্রন্থটি প্রকাশ করা হবে ।

ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ
ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার দয়ামির ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কদরিছ  মিয়া প্রায় এক বছর ধরে নিখোঁজ রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। তিনি বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন ওসমানীনগর উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রলীগ নেতা সেলিম আহমদের পিতা।


‎পরিবার জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের পটপরিবর্তনের পর তাদের বাড়িতে হামলা হয়। রাজনৈতিক উত্তেজনা ও একাধিক মামলার কারণে এ সময় সেলিম আহমদ ও তার বাবা আত্মগোপনে ছিলেন। পরিবারের দাবি প্রায় এক বছর ধরে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। তার মোবাইল ফোন বন্ধ, আত্মীয়দের বাসাতেও নেই। তিনি জীবিত না মৃত এ নিয়েও নিশ্চিত হতে পারছেননা তারা।

‎স্থানীয় সূত্র জানায়, কদরিছ মিয়ার ছেলে ছাত্রলীগের ক্যাডার সেলিম আহমদ একাধিক মামলার আসামি। ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে উঠে আসা সেলিম সিলেট সিটির সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ারুজ্জামানের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শন ও বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা বাড়তে থাকে। ৫ আগস্টের ঘটনার পর থেকে সেও পলাতক।

‎পরিবারের সদস্যরা জানান,,,নিখোঁজের ঘটনায় থানায় অভিযোগ করার কথা ভাবলেও নিরাপত্তাহীনতা ও প্রতিশোধের আশঙ্কায় পরিবার এখনো অভিযোগ করতে পারেনি। পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রতিদিনই তাদের উদ্বেগ বাড়ছে কদরিছ মিয়া জীবিত না মৃত, কিছুই জানা যাচ্ছে না।

‎এই বিষয়ে ওসমানীনগর উপজেলা প্রশাসনের কাছে জানতে চাইলে তারা বলে আমরা শুনেছি এরকম একজনকে পাওয়া যাচ্ছেনা,তবে লিখিত কোন অভিযোগ পাই নাই। অভিযোগ পেলে প্রোয়োজনিয় ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে।

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সিলেট-৪ আসনে বিএনপির প্রাথী হচ্ছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী।

বুধবার রাতে আরিফুল হক চৌধুরী নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তবে বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোন ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

গত সোমবার দেশের অন্যান্য আসনের সাথে সিলেটের ৪ টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে বিএনপি। তবে সিলেট-৪ ও সিলেট-৫ আসনে সেদিন কোন প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি।

বিএনপি সূত্রে জানা যায়, আরিফুল হককে দল থেকে একাধিকবার সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে তাতে সম্মত হননি আরিফ। তিনি সবসময়ই সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে সিলেট-১ আসন অথবা সিঠের সিটি নির্বাচনের মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে আসছিলেন।সর্বশেষ সোমবার বিভিন্ন আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণার পর মঙ্গলবার বিএনপির শীর্ষ নেতবেৃন্দের পক্ষ থেকে জরুরী তলব দিয়ে আরিফকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে মঙ্গলবার ও বুধবার আরিফের সাথে দফায় দফায় বৈঠক করেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা। এসব বৈঠকে আরিফুল হককে সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি প্রথমে সম্মত হননি বলে জানা গেছে। এরপর বুধবার রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তাঁকে বাসায় ডেকে পাঠান।রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবনে চেয়ারপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে আরিফুল হক ওই আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হন।সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার কথা জানিয়ে ঢাকা থেকে রাতে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, “চেয়ারপারসন আমাদের জাতীয় মুরুব্বী। তাঁর নির্দেশে আমি সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হয়েছি। দলের প্রয়োজনে আমি বারবার নির্দেশ পালন করে আসছি। আজকের সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করার আদেশ মাথা পেতে মেনে নিয়েছি।