সামরিক বাহিনীর প্রশিক্ষণে বড় দূর্ঘটনার শঙ্কা

রাজধানীর আকাশসীমা, বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পাশঘেঁষা এলাকা, কোনোভাবেই সামরিক জেট প্রশিক্ষণের জায়গা হতে পারে না।
এবারই প্রথম নয়, এর আগেও একাধিকবার এ ধরণের প্রশিক্ষণ বিমানে দুর্ঘটনা ঘটেছে। ২০০৮ সালে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে F-7 বিমানের পাইলট ইজেক্ট করেও প্যারাশুট না খুলে মারা যান। ২০১৫ সালে পতেঙ্গা থেকে উড্ডয়ন করে বঙ্গোপসাগরে নিখোঁজ হয় একটি F-7MB জেট। পাইলটের কোনো খোঁজ মেলেনি। ২০১৮ সালে, ঢাকার অদূরে রসুলপুরে F-7BG জেট বিধ্বস্ত হয়ে পাইলট উইং কমান্ডার আরিফ আহমেদ দীপু নিহত হন।
তবে এবার কেবল পাইলটই নন, ঘণবসতিপূর্ণ নগরের একটি স্কুল ভবনে ৩ হাজার পাউন্ডের বোমা বহনে সক্ষম প্রায় ৮ টনের প্রশিক্ষণ ফাইটার জেট আছড়ে পড়ায় বহু হতাহতের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে, যাদের সিংহভাগই শিশু-কিশোর!
কানাডার মতো উন্নত দেশগুলো এই ধরনের প্রশিক্ষণ জনবসতি থেকে বহু দূরের নির্জন ঘাঁটিতে পরিচালনা করে থাকে।
বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অবিলম্বে রাজধানীর বাইরে, নির্জন ও নিরাপদ ঘাঁটিতে স্থানান্তর করা জরুরি।
কতো মায়ের বুক খালি হবে, ভাবতেই মাথা কাজ করছে না।
হে, আল্লাহ, তুমি আমাদের সন্তানদের হেফাজত করো।
আমীন।


আপনার মতামত লিখুন