ভারতে পালানোর নিরাপদ রুট সিলেট সীমান্ত!
তারিখ লোড হচ্ছে...
সর্বশেষ লাইভ ই-পেপার
       
খুঁজুন                
                               
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

ভারতে পালানোর নিরাপদ রুট সিলেট সীমান্ত!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ নভেম্বর, ২০২৪, ৬:৫৭ পূর্বাহ্ণ
ভারতে পালানোর নিরাপদ রুট সিলেট সীমান্ত!

দেশ থেকে পালানোর জন্য নিরাপদ রুট হিসেবে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা বেছে নিয়েছেন সিলেট সীমান্ত। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে সিলেট সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালানো শুরু করেন ক্ষমতাচ্যূত দলের নেতাকর্মীদের।

 

ইতোমধ্যে মন্ত্রী, এমপি, মেয়রসহ কয়েক শ’ নেতাকর্মী ও জনপ্রতিনিধি সিলেট সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালানোর খবর পাওয়া গেছে। অনেকে ভারত হয়ে চলে গেছেন যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে। সর্বশেষ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সিলেট হয়ে ভারতে  যাওয়ার গুঞ্জন ওঠেছে।

 

সীমান্ত দিয়ে পালানোর সময় গত সাড়ে ৩ মাসে বিজিবি ও স্থানীয় জনতার হাতে ধরা পড়ে জেলে গেছেন শতাধিক। মুলত চোরাকারবারী সিন্ডিকেটই মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে সীমান্ত পারাপারের কাজ করে থাকে। দুর্গম এলাকা হওয়ায় পালানোর জন্য সিলেট সীমান্তকে নিরাপদ হিসেবে বেছে নিয়েছে চক্রটি।

 

 

সূত্র জানায়, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর ওইদিনই সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী পালিয়ে যান। এরপর থেকে শুরু হয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ। সিলেট সীমান্তে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় থাকা চোরাকারবারি সিন্ডিকেটের সহযোগিতায় প্রভাবশালী নেতারা ভারতে পাড়ি জমাতে থাকেন।

 

 

শুরুতে চোরাচালানের সাথে জড়িত ছাত্রলীগ নেতারা এই কাজে সহযোগিতা করতেন। পরে চোরাকারবারি সিন্ডিকেটই সীমান্ত পারাপারের একক দায়িত্ব নেয়। সীমান্ত পেরিয়ে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতারা প্রথমে মেঘালয়ের রাজধানী শিলং যান। পরে ধীরে ধীরে অনেক নেতা বিভিন্ন দেশে পাড়ি দেন। আর বাকিরা ভারতের শিলং, গুয়াহাটি ও কলকাতায় আশ্রয় নেন।

 

 

সর্বশেষ গুঞ্জন ওঠে গত ৫ নভেম্বর সিলেট সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। সীমান্ত পেরিয়ে তিনি পৌঁছান শিলং। পরে সেখান থেকে যান গুয়াহাটি। কয়েকদিনের মধ্যে কলকাতা হয়ে তিনি দিল্লি যাওয়ার কথা রয়েছে বলে ভারতে অবস্থানরত এক নেতা জানিয়েছেন।

 

 

 

 

এদিকে, সিলেট সীমান্ত দিয়ে দালালের মাধ্যমে ভারতে যাওয়ার সময় গত সাড়ে ৩ মাসে শতাধিক লোক আটক হয়েছেন। গত ২৩ আগস্ট পালানোর সময় কানাইঘাটের ডনা সীমান্ত থেকে আটক হন সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক। ২৯ আগস্ট সিলেট সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ করে শিলং যাওয়ার পথে মারা যান কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইসহাক আলী খান পান্না। ৭ সেপ্টেম্বর স্থানীয় গোয়াবাড়ি সীমান্ত দিয়ে পালানোর সময় আটক হন জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কামাল আহমদ।

এ ছাড়া, গত ১২ সেপ্টেম্বর দোয়ারাবাজার সীমান্তে ১৯ লাখ ভারতী রূপিসহ এক যুবক, একই দিন কানাইঘাট সীমান্ত থেকে আরেক যুবককে আটক করে বিজিবি। ২২ সেপ্টেম্বর হবিগঞ্জের মাধবপুর সীমান্ত থেকে ৬ জন, ২৪ সেপ্টেম্বর কানাইঘাটের মিকিরপাড়া সীমান্ত থেকে চারজনকে আটক করা হয়। ৫ অক্টোবর মাধবপুর উপজেলার ধর্মঘর সীমান্ত থেকে ৫ জন, ৮ অক্টোবর গোয়াইনঘাট উপজেলার রাণীরঘাট সীমান্ত থেকে ৩ জন, ৯ অক্টোবর একই সীমান্তে ৪ জন আটক হন।

 

 

১২ নভেম্বর জাফলংয়ের মায়াবী ঝর্ণা এলাকা দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশের সময় আটক করা হয় ৪ জনকে, একই দিন হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার সস্তামোড়া সীমান্ত থেকে এক যুবককে, ২৯ অক্টোবর একই উপজেলা থেকে ৮ জন ও পরদিন ৩০ অক্টোবর মোহনপুর সীমান্ত থেকে দুইজনকে আটক করে বিজিবি। ১৯ অক্টোবর মাধবপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালানোর সময় ৬ জনকে আট করা হয়।

 

সূত্র জানায়, বাংলাদেশ ও ভারতের চোরাকারবারী ও মানবপাচারকারী চক্র মিলে সীমান্ত পারাপারের চুক্তি করে থাকে। চুক্তি অনুযায়ী টাকা পেলেই তারা অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপারের ব্যবস্থা করে। বাংলাদেশের চক্র সীমান্ত পার করে ওই চক্রের ভারতীয় সদস্যদের হাতে তাদেরকে হস্তান্তর করে।

রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৪১ অপরাহ্ণ
রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

স্টাফরিপোর্টার:: মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার বর্ণীতে আয়োজিত এক সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেছেন, মানবকল্যাণে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। তারা বলেন, অসহায় ও আর্তমানবতার সেবার মাধ্যমে যেমন মহান স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়, তেমনি পাওয়া যায় মানুষের ভালোবাসা। মানবসেবাকে ইবাদতের সঙ্গে তুলনা করে বক্তারা আরও বলেন, এতিম-অসহায়দের সহায়তা এবং দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে কাজ করলে ইহকাল ও পরকালে কল্যাণ অর্জিত হয়। মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেয়ে বড় আনন্দ আর কিছু নেই বলেও উল্লেখ করেন তারা।শুক্রবার বিকেলে পীরে কামেল ওস্তাজুল উলামা আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.) প্রতিষ্ঠিত রহমানিয়া টুকা হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ উপলক্ষে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে এবং মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল আলিম ও সহ-সুপার মাহফুজুর রহমানের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত ব্যক্তি ছিলেন যুক্তরাজ্যপ্রবাসী, লন্ডন অক্সফোর্ড জামে মসজিদের খতিব ও বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা হেলাল আহমদ খান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আঞ্জুমানে আল ইসলাহ’র মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা এ. কে. এম. মনোয়ার আলী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিবপুর কেশবপুর কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হাকিম, দৈনিক রূপালী বাংলাদেশের সিলেট ব্যুরো প্রধান কবি সালমান ফরিদ এবং মাথিউরা ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মুফতি তকি উদ্দিন।আনন্দ টেলিভিশনের সিলেট প্রতিনিধি তাহের আহমদ।
বিয়ানীবাজার সহকারী শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হোসেন আহমদ, সায়রা মুক্তাদির দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুল হামিদ মাস্টার সফর উদ্দিনসহ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.)-এর জীবন ও কর্ম নিয়ে একটি স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। আয়োজকরা জানান, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির আগেই গ্রন্থটি প্রকাশ করা হবে ।

ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ
ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার দয়ামির ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কদরিছ  মিয়া প্রায় এক বছর ধরে নিখোঁজ রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। তিনি বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন ওসমানীনগর উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রলীগ নেতা সেলিম আহমদের পিতা।


‎পরিবার জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের পটপরিবর্তনের পর তাদের বাড়িতে হামলা হয়। রাজনৈতিক উত্তেজনা ও একাধিক মামলার কারণে এ সময় সেলিম আহমদ ও তার বাবা আত্মগোপনে ছিলেন। পরিবারের দাবি প্রায় এক বছর ধরে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। তার মোবাইল ফোন বন্ধ, আত্মীয়দের বাসাতেও নেই। তিনি জীবিত না মৃত এ নিয়েও নিশ্চিত হতে পারছেননা তারা।

‎স্থানীয় সূত্র জানায়, কদরিছ মিয়ার ছেলে ছাত্রলীগের ক্যাডার সেলিম আহমদ একাধিক মামলার আসামি। ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে উঠে আসা সেলিম সিলেট সিটির সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ারুজ্জামানের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শন ও বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা বাড়তে থাকে। ৫ আগস্টের ঘটনার পর থেকে সেও পলাতক।

‎পরিবারের সদস্যরা জানান,,,নিখোঁজের ঘটনায় থানায় অভিযোগ করার কথা ভাবলেও নিরাপত্তাহীনতা ও প্রতিশোধের আশঙ্কায় পরিবার এখনো অভিযোগ করতে পারেনি। পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রতিদিনই তাদের উদ্বেগ বাড়ছে কদরিছ মিয়া জীবিত না মৃত, কিছুই জানা যাচ্ছে না।

‎এই বিষয়ে ওসমানীনগর উপজেলা প্রশাসনের কাছে জানতে চাইলে তারা বলে আমরা শুনেছি এরকম একজনকে পাওয়া যাচ্ছেনা,তবে লিখিত কোন অভিযোগ পাই নাই। অভিযোগ পেলে প্রোয়োজনিয় ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে।

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সিলেট-৪ আসনে বিএনপির প্রাথী হচ্ছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী।

বুধবার রাতে আরিফুল হক চৌধুরী নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তবে বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোন ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

গত সোমবার দেশের অন্যান্য আসনের সাথে সিলেটের ৪ টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে বিএনপি। তবে সিলেট-৪ ও সিলেট-৫ আসনে সেদিন কোন প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি।

বিএনপি সূত্রে জানা যায়, আরিফুল হককে দল থেকে একাধিকবার সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে তাতে সম্মত হননি আরিফ। তিনি সবসময়ই সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে সিলেট-১ আসন অথবা সিঠের সিটি নির্বাচনের মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে আসছিলেন।সর্বশেষ সোমবার বিভিন্ন আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণার পর মঙ্গলবার বিএনপির শীর্ষ নেতবেৃন্দের পক্ষ থেকে জরুরী তলব দিয়ে আরিফকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে মঙ্গলবার ও বুধবার আরিফের সাথে দফায় দফায় বৈঠক করেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা। এসব বৈঠকে আরিফুল হককে সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি প্রথমে সম্মত হননি বলে জানা গেছে। এরপর বুধবার রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তাঁকে বাসায় ডেকে পাঠান।রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবনে চেয়ারপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে আরিফুল হক ওই আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হন।সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার কথা জানিয়ে ঢাকা থেকে রাতে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, “চেয়ারপারসন আমাদের জাতীয় মুরুব্বী। তাঁর নির্দেশে আমি সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হয়েছি। দলের প্রয়োজনে আমি বারবার নির্দেশ পালন করে আসছি। আজকের সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করার আদেশ মাথা পেতে মেনে নিয়েছি।