ছাত্র-জনতার উপর গু লি : সিলেটে একদিনে তিন মা ম লা
তারিখ লোড হচ্ছে...
সর্বশেষ লাইভ ই-পেপার
       
খুঁজুন                
                               
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

ছাত্র-জনতার উপর গু লি : সিলেটে একদিনে তিন মা ম লা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৪, ১০:৩৩ অপরাহ্ণ
ছাত্র-জনতার উপর গু লি : সিলেটে একদিনে তিন মা ম লা

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান হাসিনা সরকার পতনের আগের দিন ৪ আগস্ট একদফার আন্দোলনে ছাত্র-জনতার উপর হামলা-গুলির অভিযোগে সিলেটে একদিনে পৃথক তিন ব্যক্তি মামলা দায়ের হয়েছে। গত ৭ নভেম্বর সিলেটে গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় এই মামলাগুলো দায়ের হয়। এরমধ্যে দুই মামলায় প্রধান আসামি ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

 

শনিবার (৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মোল্যা বিষয়টি নিশ্চিত করেছন।

 

 

 

মামলা বাদিরা হলেন- গোলাপগঞ্জের কদম রসুলের ধারাবহর এলাকার ইছরাব আলীর ছেলে একলিম উদ্দিন (৩৩), বটরপাড়ার রায়গড় এলাকার তাজ উদ্দিন তাজুলের ছেলে সাকিব আহমদ (২৫) ও দত্তরাইল এলাকার ছাবু আহমদের ছেলে মো. কামিল উদ্দিন (৩২)।

 

একলিম উদ্দিন মামলার এজহারে উল্লেখ্য করেন, ‘আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল গোলাপগঞ্জ উপজেলার একজন কর্মী। সরকার পতনের একদফা দাবিতে গত ৪ আগস্ট বিকেল চারটায় গোলাপগঞ্জ পৌরসভা থেকে ঢাকাদক্ষিণ রোডস্থ ধারাবহর হসপিটাল রোড এলাকায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা দেশী-বিদেশী অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে অতর্কিত গুলি করে। এসময় শত শত ছাত্র জনতা আহত হন। আমার ডান পায়ে হাঁটুর নিচে গুলিবিদ্ধ হলে সাথে সাথে আমি মাটিতে লুটিয়ে পড়ি। পরে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছি। একলিম উদ্দিনের মামলায় ৭১ জনের নাম উল্লেখ্য করে ৩০-৩৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।

 

 

 

একলিম উদ্দিন মামলায় উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও সিলেট ৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নাহিদ, কানাডা আওয়ামী লীগের সাবেক সওয়ার হোসেন, গোলাপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি লুৎফুর রহমান।

 

 

রায়গড় এলাকার সাকিব আহমদের মামলার এজহারে উল্লেখ্য করেছেন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ১ দফা দাবিতে ঢাকা দক্ষিণ এলাকায় বিভিন্ন স্কুল কলেজের ছাত্র-জনতা মিছিল সহকারে ঢাকা দক্ষিণ বাজার থেকে গোলাপগঞ্জ পৌরসভা চৌমুহনীতে যাওয়ার সময় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিক লীগসহ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা দেশী-বিদেশী অস্ত্র-শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে গুলি করতে থাকে। এসময় আমার বড় ভাই লিমন আহমদের শরীরে ১টি বুলেট, বাম পায়ে ৩টি বুলেট ও শরীরে ২টি বুলেটের আঘাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। গুরুতর অবস্থায় আমার ভাইকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করাই। পরে রাজধানীর ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ নিউরো সাইন্স ও হাসপাতাল, শের-ই-বাংলা নগর হাসপাতালে চিকিৎসা করাই। সেখানে অপারেশন করে মাথা থেকে গুলি বের করা হয়। এ মামলায় ১৪৪ জনের নাম উল্লেখ্য করে ৪০-৪৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।

 

 

সাকিব আহমদের মামলা উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- গোলাপগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মন্জুর শাফি চৌধুরী এলিম, গোলাপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধালন সম্পাদক রফিক উদ্দিন, সাবেক পৌর মেয়র আমিনুল ইসলাম রাবেল।

 

 

দত্তরাইল এলাকার কামিল উদ্দিন মামলার এজহারে উল্লেখ্য করেন, আমি একজন রিক্সা চালক। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন সমর্থন করি। গত ৪ আগস্ট সকাল ১১ টার সময়  ছাত্র জনতা ঢাকাদক্ষিন বাজার বহুমুখী স্কুল এন্ড কলেজের সম্মুখে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচী এবং স্বৈরাচার বিরোধী শ্লোগান দিতে থাকি। এক পর্যায়ে আসামী আলী আকবর ফখর, আব্বাছ উদ্দিন, রেজভী আহমদ, সুবেদ আহমদ (রুহেল), সেলিম উদ্দিন, শফিক উদ্দিনদের নেতৃত্বে অপরাপর আসামীরা আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র শস্ত্র দিয়ে ছাত্র-জনতার উপর হামলা করে। এমনকি এলোপাতাড়ি গুলি করে। এসময় আমার বাম পায়ে বুলেটের আঘাত লাগার কারণে আমি বর্তমানে পশু অবস্থায় চলাফেরা করছি। পরে স্থানীয় গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নেই। পরবর্তী আমার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আমি পুনরায় ১০ আগস্ট গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছি। কিন্তু অবস্থার আরও অবনতি হলে ১২ আগস্ট সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হই। চিকিৎসক আমার বাম পায়ে অপারেশন করেন আমার বাম পা থেকে ২টি বুলেট বের করা হয়। এ মামলায় ৬১ জনের নাম উল্লেখ্য করে ১০০-১৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।

 

 

 

কামিল উদ্দিন মামলায় উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও সিলেটে  ৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নাহিদ, গোলাপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আলী আকবর ফখর, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্বাস উদ্দিন।

 

 

 

 

 

 

 

 

রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৪১ অপরাহ্ণ
রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

স্টাফরিপোর্টার:: মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার বর্ণীতে আয়োজিত এক সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেছেন, মানবকল্যাণে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। তারা বলেন, অসহায় ও আর্তমানবতার সেবার মাধ্যমে যেমন মহান স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়, তেমনি পাওয়া যায় মানুষের ভালোবাসা। মানবসেবাকে ইবাদতের সঙ্গে তুলনা করে বক্তারা আরও বলেন, এতিম-অসহায়দের সহায়তা এবং দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে কাজ করলে ইহকাল ও পরকালে কল্যাণ অর্জিত হয়। মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেয়ে বড় আনন্দ আর কিছু নেই বলেও উল্লেখ করেন তারা।শুক্রবার বিকেলে পীরে কামেল ওস্তাজুল উলামা আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.) প্রতিষ্ঠিত রহমানিয়া টুকা হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ উপলক্ষে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে এবং মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল আলিম ও সহ-সুপার মাহফুজুর রহমানের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত ব্যক্তি ছিলেন যুক্তরাজ্যপ্রবাসী, লন্ডন অক্সফোর্ড জামে মসজিদের খতিব ও বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা হেলাল আহমদ খান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আঞ্জুমানে আল ইসলাহ’র মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা এ. কে. এম. মনোয়ার আলী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিবপুর কেশবপুর কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হাকিম, দৈনিক রূপালী বাংলাদেশের সিলেট ব্যুরো প্রধান কবি সালমান ফরিদ এবং মাথিউরা ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মুফতি তকি উদ্দিন।আনন্দ টেলিভিশনের সিলেট প্রতিনিধি তাহের আহমদ।
বিয়ানীবাজার সহকারী শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হোসেন আহমদ, সায়রা মুক্তাদির দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুল হামিদ মাস্টার সফর উদ্দিনসহ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.)-এর জীবন ও কর্ম নিয়ে একটি স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। আয়োজকরা জানান, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির আগেই গ্রন্থটি প্রকাশ করা হবে ।

ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ
ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার দয়ামির ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কদরিছ  মিয়া প্রায় এক বছর ধরে নিখোঁজ রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। তিনি বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন ওসমানীনগর উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রলীগ নেতা সেলিম আহমদের পিতা।


‎পরিবার জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের পটপরিবর্তনের পর তাদের বাড়িতে হামলা হয়। রাজনৈতিক উত্তেজনা ও একাধিক মামলার কারণে এ সময় সেলিম আহমদ ও তার বাবা আত্মগোপনে ছিলেন। পরিবারের দাবি প্রায় এক বছর ধরে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। তার মোবাইল ফোন বন্ধ, আত্মীয়দের বাসাতেও নেই। তিনি জীবিত না মৃত এ নিয়েও নিশ্চিত হতে পারছেননা তারা।

‎স্থানীয় সূত্র জানায়, কদরিছ মিয়ার ছেলে ছাত্রলীগের ক্যাডার সেলিম আহমদ একাধিক মামলার আসামি। ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে উঠে আসা সেলিম সিলেট সিটির সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ারুজ্জামানের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শন ও বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা বাড়তে থাকে। ৫ আগস্টের ঘটনার পর থেকে সেও পলাতক।

‎পরিবারের সদস্যরা জানান,,,নিখোঁজের ঘটনায় থানায় অভিযোগ করার কথা ভাবলেও নিরাপত্তাহীনতা ও প্রতিশোধের আশঙ্কায় পরিবার এখনো অভিযোগ করতে পারেনি। পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রতিদিনই তাদের উদ্বেগ বাড়ছে কদরিছ মিয়া জীবিত না মৃত, কিছুই জানা যাচ্ছে না।

‎এই বিষয়ে ওসমানীনগর উপজেলা প্রশাসনের কাছে জানতে চাইলে তারা বলে আমরা শুনেছি এরকম একজনকে পাওয়া যাচ্ছেনা,তবে লিখিত কোন অভিযোগ পাই নাই। অভিযোগ পেলে প্রোয়োজনিয় ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে।

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সিলেট-৪ আসনে বিএনপির প্রাথী হচ্ছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী।

বুধবার রাতে আরিফুল হক চৌধুরী নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তবে বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোন ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

গত সোমবার দেশের অন্যান্য আসনের সাথে সিলেটের ৪ টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে বিএনপি। তবে সিলেট-৪ ও সিলেট-৫ আসনে সেদিন কোন প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি।

বিএনপি সূত্রে জানা যায়, আরিফুল হককে দল থেকে একাধিকবার সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে তাতে সম্মত হননি আরিফ। তিনি সবসময়ই সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে সিলেট-১ আসন অথবা সিঠের সিটি নির্বাচনের মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে আসছিলেন।সর্বশেষ সোমবার বিভিন্ন আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণার পর মঙ্গলবার বিএনপির শীর্ষ নেতবেৃন্দের পক্ষ থেকে জরুরী তলব দিয়ে আরিফকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে মঙ্গলবার ও বুধবার আরিফের সাথে দফায় দফায় বৈঠক করেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা। এসব বৈঠকে আরিফুল হককে সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি প্রথমে সম্মত হননি বলে জানা গেছে। এরপর বুধবার রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তাঁকে বাসায় ডেকে পাঠান।রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবনে চেয়ারপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে আরিফুল হক ওই আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হন।সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার কথা জানিয়ে ঢাকা থেকে রাতে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, “চেয়ারপারসন আমাদের জাতীয় মুরুব্বী। তাঁর নির্দেশে আমি সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হয়েছি। দলের প্রয়োজনে আমি বারবার নির্দেশ পালন করে আসছি। আজকের সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করার আদেশ মাথা পেতে মেনে নিয়েছি।