সিলেটের নগরজীবনে নতুন রূপে পুরানো সমস্যা
তারিখ লোড হচ্ছে...
সর্বশেষ লাইভ ই-পেপার
       
খুঁজুন                
                               
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

সিলেটের নগরজীবনে নতুন রূপে পুরানো সমস্যা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৫, ৯:৫৮ পূর্বাহ্ণ
সিলেটের নগরজীবনে নতুন রূপে পুরানো সমস্যা

আবারও নতুন রূপে পুরানো সমস্যা ফিরেছে সিলেটের নাগরিক জীবনে। আর এ সমস্যার আগুনে পুড়ছেন নিম্ণ আয়ের মানুষজন। এমনকি নিম্ম মধ্যবিত্তের জীবনও এখন রীতিমতো অতিষ্ঠ। কারণ, রিকশাভাড়া। অসহায় নাগরিকদের কাছ থেকে এখন দ্বিগুণ বা আড়াই গুণ ভাড়া আদায় করছে প্যাডেলচালিত রিকশা চালকরা। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ চাইছেন সাধারণ নগরবাসী।

 

 

সিলেটের নাগরিক জীবনে স্বাচ্ছন্দ নিশ্চিতে ও যানজটমুক্ত নগরী গড়তে মহানগরে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল নিষিদ্ধ করেছে প্রশাসন। শুধু নিষিদ্ধই নয়, সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে প্রচুর ব্যাটারিচালিত রিকশা ডাম্পিং করা হয়েছে। এমনকি, গ্যারেজেও অভিযান চালিয়ে চার্জিং পয়েন্ট, বিদ্যুতের মিটার জব্দ করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

 

 

 

ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্টদের এমন অভিযানের প্রেক্ষিতে স্বস্তি নেমে আসে নাগরিক অভিযানে। অনেক রিকশাচালক তাদের রিকশা ট্রাকে বা ভ্যানে করে সরিয়ে নিয়েছেন অন্য কোথাও। মোটামুটি সিলেট মহানগরীতে এখন আর ব্যাটারিচালিত রিকশা তেমন আতঙ্কের নয়, যদিও রাতে এবং ছুটির দিনগুলোতে এখনো এ জাতীয় যানবাহনগুলোর দেখা মিলছে।

 

 

এমন যখন অবস্থা, তখন নতুন রূপে ফিরে এসেছে পুরানো সমস্যা। অন্তত নিম্ন আয়ের মানুষের জীবন এখন রীতিমতো অসহনীয় অবস্থায় পৌঁছেছে। কারণ, প্যাডেলচালিত রিকশা চালকদের অযৌক্তি ভাড়া দাবি।

 

 

যেমন, এক মাস আগে নগরীর ইলেক্ট্রি সাপ্লাই রোডের নূরে আলা কমিউনিটি সেন্টারের সামনা থেকে জিন্দবাজার বারুতখানা পয়েন্ট পর্যন্ত ব্যাটারিচালিত রিকশার ভাড়া ছিল ৩০ টাকা। এখন প্যাডেলচালিত রিকশার ভাড়া চাওয়া হয় ৬০ টাকা। কমপক্ষে ৫০ টাকায় রফা হয়। আবার কাজিটুলা বাজার থেকে বারুতখানা পয়েন্টের ভাড়া আগে ২০ টাকায় হয়ে গেলেও এখন দিতে হয় ৪০ টাকা। একেবারে কম হলেও দিতে হচ্ছে ৩০ টাকা।

 

 

আর সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকদের সম্পর্কেতো সবাই অবগত। ঝুপ বুঝে কোপ মারতে তারা ওস্তাদ। দু’একজন ব্যতিক্রম ছাড়া প্রায় সবাই ১০টাকার ভাড়া ২০ টাকা আর ২০ টাকার ভাড়া ৩০ টাকা আদায় তাদের কাছে খুই স্বাভাবিক।

 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নগরীর প্রায় সব রাস্তাতেই রিকশা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার ভাড়া নিয়ে এমন নৈরাজ্য চলছে। এ অবস্থা থেকে মুক্তির উপায় দেখছেন না নিম্ন আয়ের মানুষ।

 

তাদের মতে, নগরীতে গণপরিবহনের সংখ্যা আরও বাড়ালে হয়ত এ সমস্যার সমাধান হতে পারে। তাছাড়া নতুন করে রিকশা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার ভাড়া নির্ধারণ করাও জরুরী।

 

 

তবে ভাড়া নির্ধারণ করলেও সিলেটের রিকশা বা সিএনজিচালকদের নিয়ন্ত্রণ করা প্রায় অসম্ভব। তারা সবসময়ই অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের ব্যাপারে তৎপর। তাদের নিয়ন্ত্রণ করার তেমন কোনো উপায়ও নেই।

 

 

সচেতন মহল মনে করছেন, গণপরিবহনের সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন করে রিকশা বা সিএনজিচালিত অটোরিকশার ভাড়া নির্ধরণ করতে হবে। আর সেই নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত ভাড়া চাইলে চালকদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনী পদক্ষেপ নেওয়ার একটা ব্যবস্থা রাখতে হবে। তাহলেই কেবল তাদের এমন নৈরাজ্য নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হতে পারে।

 

 

বিষয়টি নিয়ে আলাপকালে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজা-ই রাফিন সরকার বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমরা চিন্তাভাবনা করছি। জেলা প্রশাসন, সিলেট সিটি কর্পোরেশন ও পুলিশ প্রশাসন মিলে সবার সঙ্গে আলোচনা করে আমরা একটা পদক্ষেপ গ্রহণ করব। যত দ্রুত সম্ভব তা করা হবে।

 

 

এদিকে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান শুরুর সময় সিলেটের নবনিযুক্ত পুলিশ কমিশনার মো. আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী পিপিএম গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, সিএনজিচালিত অটোরিকশার ভাড়া নতুন করে নির্ধারণ করা হবে।

 

 

বিষয়টি কতদূর এগুলো বা এর সঙ্গে রিকশাভাড়াও পূণঃনির্ধারণ করা হবে কি না, বা নিম্ন আয়ের মানুষের সমস্যাগুলো সমাধানের ব্যাপারে তাদের কোনো উদ্যোগ আছে কি না জানতে সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের মোবাইলে কল দিলেও তিনি রিসিভ না করায় তা আর জানা সম্ভব হয়নি।

রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৪১ অপরাহ্ণ
রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

স্টাফরিপোর্টার:: মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার বর্ণীতে আয়োজিত এক সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেছেন, মানবকল্যাণে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। তারা বলেন, অসহায় ও আর্তমানবতার সেবার মাধ্যমে যেমন মহান স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়, তেমনি পাওয়া যায় মানুষের ভালোবাসা। মানবসেবাকে ইবাদতের সঙ্গে তুলনা করে বক্তারা আরও বলেন, এতিম-অসহায়দের সহায়তা এবং দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে কাজ করলে ইহকাল ও পরকালে কল্যাণ অর্জিত হয়। মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেয়ে বড় আনন্দ আর কিছু নেই বলেও উল্লেখ করেন তারা।শুক্রবার বিকেলে পীরে কামেল ওস্তাজুল উলামা আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.) প্রতিষ্ঠিত রহমানিয়া টুকা হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ উপলক্ষে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে এবং মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল আলিম ও সহ-সুপার মাহফুজুর রহমানের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত ব্যক্তি ছিলেন যুক্তরাজ্যপ্রবাসী, লন্ডন অক্সফোর্ড জামে মসজিদের খতিব ও বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা হেলাল আহমদ খান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আঞ্জুমানে আল ইসলাহ’র মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা এ. কে. এম. মনোয়ার আলী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিবপুর কেশবপুর কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হাকিম, দৈনিক রূপালী বাংলাদেশের সিলেট ব্যুরো প্রধান কবি সালমান ফরিদ এবং মাথিউরা ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মুফতি তকি উদ্দিন।আনন্দ টেলিভিশনের সিলেট প্রতিনিধি তাহের আহমদ।
বিয়ানীবাজার সহকারী শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হোসেন আহমদ, সায়রা মুক্তাদির দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুল হামিদ মাস্টার সফর উদ্দিনসহ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.)-এর জীবন ও কর্ম নিয়ে একটি স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। আয়োজকরা জানান, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির আগেই গ্রন্থটি প্রকাশ করা হবে ।

ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ
ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার দয়ামির ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কদরিছ  মিয়া প্রায় এক বছর ধরে নিখোঁজ রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। তিনি বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন ওসমানীনগর উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রলীগ নেতা সেলিম আহমদের পিতা।


‎পরিবার জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের পটপরিবর্তনের পর তাদের বাড়িতে হামলা হয়। রাজনৈতিক উত্তেজনা ও একাধিক মামলার কারণে এ সময় সেলিম আহমদ ও তার বাবা আত্মগোপনে ছিলেন। পরিবারের দাবি প্রায় এক বছর ধরে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। তার মোবাইল ফোন বন্ধ, আত্মীয়দের বাসাতেও নেই। তিনি জীবিত না মৃত এ নিয়েও নিশ্চিত হতে পারছেননা তারা।

‎স্থানীয় সূত্র জানায়, কদরিছ মিয়ার ছেলে ছাত্রলীগের ক্যাডার সেলিম আহমদ একাধিক মামলার আসামি। ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে উঠে আসা সেলিম সিলেট সিটির সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ারুজ্জামানের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শন ও বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা বাড়তে থাকে। ৫ আগস্টের ঘটনার পর থেকে সেও পলাতক।

‎পরিবারের সদস্যরা জানান,,,নিখোঁজের ঘটনায় থানায় অভিযোগ করার কথা ভাবলেও নিরাপত্তাহীনতা ও প্রতিশোধের আশঙ্কায় পরিবার এখনো অভিযোগ করতে পারেনি। পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রতিদিনই তাদের উদ্বেগ বাড়ছে কদরিছ মিয়া জীবিত না মৃত, কিছুই জানা যাচ্ছে না।

‎এই বিষয়ে ওসমানীনগর উপজেলা প্রশাসনের কাছে জানতে চাইলে তারা বলে আমরা শুনেছি এরকম একজনকে পাওয়া যাচ্ছেনা,তবে লিখিত কোন অভিযোগ পাই নাই। অভিযোগ পেলে প্রোয়োজনিয় ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে।

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সিলেট-৪ আসনে বিএনপির প্রাথী হচ্ছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী।

বুধবার রাতে আরিফুল হক চৌধুরী নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তবে বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোন ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

গত সোমবার দেশের অন্যান্য আসনের সাথে সিলেটের ৪ টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে বিএনপি। তবে সিলেট-৪ ও সিলেট-৫ আসনে সেদিন কোন প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি।

বিএনপি সূত্রে জানা যায়, আরিফুল হককে দল থেকে একাধিকবার সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে তাতে সম্মত হননি আরিফ। তিনি সবসময়ই সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে সিলেট-১ আসন অথবা সিঠের সিটি নির্বাচনের মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে আসছিলেন।সর্বশেষ সোমবার বিভিন্ন আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণার পর মঙ্গলবার বিএনপির শীর্ষ নেতবেৃন্দের পক্ষ থেকে জরুরী তলব দিয়ে আরিফকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে মঙ্গলবার ও বুধবার আরিফের সাথে দফায় দফায় বৈঠক করেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা। এসব বৈঠকে আরিফুল হককে সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি প্রথমে সম্মত হননি বলে জানা গেছে। এরপর বুধবার রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তাঁকে বাসায় ডেকে পাঠান।রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবনে চেয়ারপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে আরিফুল হক ওই আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হন।সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার কথা জানিয়ে ঢাকা থেকে রাতে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, “চেয়ারপারসন আমাদের জাতীয় মুরুব্বী। তাঁর নির্দেশে আমি সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হয়েছি। দলের প্রয়োজনে আমি বারবার নির্দেশ পালন করে আসছি। আজকের সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করার আদেশ মাথা পেতে মেনে নিয়েছি।