একজনের টিকেটে আরেকজনের ট্রেনভ্রমণ বন্ধ হচ্ছে ২৪ অক্টোবর
তারিখ লোড হচ্ছে...
সর্বশেষ লাইভ ই-পেপার
       
খুঁজুন                
                               
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

একজনের টিকেটে আরেকজনের ট্রেনভ্রমণ বন্ধ হচ্ছে ২৪ অক্টোবর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:৫২ পূর্বাহ্ণ
একজনের টিকেটে আরেকজনের ট্রেনভ্রমণ বন্ধ হচ্ছে ২৪ অক্টোবর

আগামী ২৪ অক্টোবর থেকে সিলেটে একজনের টিকিটে আরেকজন ট্রেনে ভ্রমণ করা যাবে না। ট্রেন ভ্রমণের সময় যাত্রীর এনআইডি কার্ড সাথে রাখতে হবে।

সিলেট জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে রাজনীতিবিদ, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের নিয়ে জরুরি বৈঠক শেষে এমনটি জানান সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম।

সিলেট রেল স্টেশনে টিকি কালোবাজারির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা-সিলেট সড়কের নাজুক অবস্থার কারণে ট্রেনের টিকিটের চাহিদা বেড়েছে। এতে বেড়েছে কালোবাজারিও। অনলাইনে টিকিট ছাড়ার ৩/৪ মিনিটের মধ্যেই সব টিকিট শেষ হয়ে যায়। যার বড় অংশই কালোবাজারিরা কিনে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার সিলেট রেলস্টেশন পরিদর্শনে যান জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম। এরআগে গত রোববার সিলেটের সড়কে রেলপথসহ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের দাবিতে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি দেন সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।

এরপর বৃহস্পতিবার দুপুরে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে রাজনীতিবিদ, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করেন জেলা প্রশাসক।

নিজ কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে ওই সভা শেষে জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম বলেন, আগামী ২৪ অক্টোবর থেকে সিলেটে রেলওয়েতে পরিবহন করতে হলে এনআইডি কার্ড সাথে থাকতে হবে। একজনের টিকেট অপরজন ব্যবহার করতে পারবেন না৷

তিনি বলেন, এতে প্রথমে কয়েকদিন হয়তো কিছু ভোগান্তি হবে। তবে টিকিট কালোবাজারি বন্ধে এছাড়া আর বিকল্প পথ নেই। একজনের টিকিটে আরেকজন ভ্রমণ বন্ধ করতে পারলে টিকিট কালোবাজারিও বন্ধ হয়ে যাবে।

জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমের সভাপতিত্বে সভায় সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজাউন নবী, সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরী, সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, পুলিশ সুপার মো. মাহবুবুর রহমানসহ প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা, বিএনপি-জামায়াতসহ বিভিন্ন দলের শীর্ষ নেতা এবং সিটি করপোরেশন, সড়ক, রেল ও বিমানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এসময় জেলা প্রশাসক আরও বলেন, নগরের হকারদের পুনর্বাসনের জন্য লালদিঘির মাঠ পুরোপুরি প্রস্তুত। ১৮ অক্টোবর এই নগরের সড়ক ও ফুটপাতে হকারদের বসার শেষ দিন। ওই দিনের মধ্যে তারা লালদিঘির মাঠে চলে যেতে হবে। আগামী ১৯ অক্টোবর (রোববার) থেকে শহরের সড়ক ও ফুটপাতে হকার বসতে দেওয়া হবে না।

সভায় ঘন ঘন বিমানের ভাড়া বৃদ্ধি, রেলের টিকেট সংকট ও কালোবাজারি বন্ধ, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কের সংস্কার কাজ দ্রুততম সময়ে শেষ করার ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা গ্রহণের দাবিসহ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের পথে নানা প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করে এর সমাধানকল্পে মতামত দেন উপস্থিত ব্যক্তিরা।

এসময় বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা উন নবী বলেন, সিলেটের সাথে বিমাতাসুলভ আচরণ করা হচ্ছে। বিশেষত যোগাযোগ ক্ষেত্রে সিলেট পিছিয়ে রয়েছে।

আগামীতে কোনো সিন্ডিকেটের হাতে যেন সিলেটের কোনো যাত্রী জিম্মি না হয় সে বিষয়ে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন তিনি।

রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৪১ অপরাহ্ণ
রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

স্টাফরিপোর্টার:: মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার বর্ণীতে আয়োজিত এক সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেছেন, মানবকল্যাণে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। তারা বলেন, অসহায় ও আর্তমানবতার সেবার মাধ্যমে যেমন মহান স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়, তেমনি পাওয়া যায় মানুষের ভালোবাসা। মানবসেবাকে ইবাদতের সঙ্গে তুলনা করে বক্তারা আরও বলেন, এতিম-অসহায়দের সহায়তা এবং দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে কাজ করলে ইহকাল ও পরকালে কল্যাণ অর্জিত হয়। মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেয়ে বড় আনন্দ আর কিছু নেই বলেও উল্লেখ করেন তারা।শুক্রবার বিকেলে পীরে কামেল ওস্তাজুল উলামা আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.) প্রতিষ্ঠিত রহমানিয়া টুকা হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ উপলক্ষে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে এবং মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল আলিম ও সহ-সুপার মাহফুজুর রহমানের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত ব্যক্তি ছিলেন যুক্তরাজ্যপ্রবাসী, লন্ডন অক্সফোর্ড জামে মসজিদের খতিব ও বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা হেলাল আহমদ খান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আঞ্জুমানে আল ইসলাহ’র মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা এ. কে. এম. মনোয়ার আলী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিবপুর কেশবপুর কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হাকিম, দৈনিক রূপালী বাংলাদেশের সিলেট ব্যুরো প্রধান কবি সালমান ফরিদ এবং মাথিউরা ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মুফতি তকি উদ্দিন।আনন্দ টেলিভিশনের সিলেট প্রতিনিধি তাহের আহমদ।
বিয়ানীবাজার সহকারী শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হোসেন আহমদ, সায়রা মুক্তাদির দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুল হামিদ মাস্টার সফর উদ্দিনসহ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.)-এর জীবন ও কর্ম নিয়ে একটি স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। আয়োজকরা জানান, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির আগেই গ্রন্থটি প্রকাশ করা হবে ।

ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ
ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার দয়ামির ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কদরিছ  মিয়া প্রায় এক বছর ধরে নিখোঁজ রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। তিনি বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন ওসমানীনগর উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রলীগ নেতা সেলিম আহমদের পিতা।


‎পরিবার জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের পটপরিবর্তনের পর তাদের বাড়িতে হামলা হয়। রাজনৈতিক উত্তেজনা ও একাধিক মামলার কারণে এ সময় সেলিম আহমদ ও তার বাবা আত্মগোপনে ছিলেন। পরিবারের দাবি প্রায় এক বছর ধরে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। তার মোবাইল ফোন বন্ধ, আত্মীয়দের বাসাতেও নেই। তিনি জীবিত না মৃত এ নিয়েও নিশ্চিত হতে পারছেননা তারা।

‎স্থানীয় সূত্র জানায়, কদরিছ মিয়ার ছেলে ছাত্রলীগের ক্যাডার সেলিম আহমদ একাধিক মামলার আসামি। ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে উঠে আসা সেলিম সিলেট সিটির সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ারুজ্জামানের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শন ও বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা বাড়তে থাকে। ৫ আগস্টের ঘটনার পর থেকে সেও পলাতক।

‎পরিবারের সদস্যরা জানান,,,নিখোঁজের ঘটনায় থানায় অভিযোগ করার কথা ভাবলেও নিরাপত্তাহীনতা ও প্রতিশোধের আশঙ্কায় পরিবার এখনো অভিযোগ করতে পারেনি। পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রতিদিনই তাদের উদ্বেগ বাড়ছে কদরিছ মিয়া জীবিত না মৃত, কিছুই জানা যাচ্ছে না।

‎এই বিষয়ে ওসমানীনগর উপজেলা প্রশাসনের কাছে জানতে চাইলে তারা বলে আমরা শুনেছি এরকম একজনকে পাওয়া যাচ্ছেনা,তবে লিখিত কোন অভিযোগ পাই নাই। অভিযোগ পেলে প্রোয়োজনিয় ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে।

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সিলেট-৪ আসনে বিএনপির প্রাথী হচ্ছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী।

বুধবার রাতে আরিফুল হক চৌধুরী নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তবে বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোন ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

গত সোমবার দেশের অন্যান্য আসনের সাথে সিলেটের ৪ টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে বিএনপি। তবে সিলেট-৪ ও সিলেট-৫ আসনে সেদিন কোন প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি।

বিএনপি সূত্রে জানা যায়, আরিফুল হককে দল থেকে একাধিকবার সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে তাতে সম্মত হননি আরিফ। তিনি সবসময়ই সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে সিলেট-১ আসন অথবা সিঠের সিটি নির্বাচনের মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে আসছিলেন।সর্বশেষ সোমবার বিভিন্ন আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণার পর মঙ্গলবার বিএনপির শীর্ষ নেতবেৃন্দের পক্ষ থেকে জরুরী তলব দিয়ে আরিফকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে মঙ্গলবার ও বুধবার আরিফের সাথে দফায় দফায় বৈঠক করেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা। এসব বৈঠকে আরিফুল হককে সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি প্রথমে সম্মত হননি বলে জানা গেছে। এরপর বুধবার রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তাঁকে বাসায় ডেকে পাঠান।রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবনে চেয়ারপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে আরিফুল হক ওই আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হন।সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার কথা জানিয়ে ঢাকা থেকে রাতে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, “চেয়ারপারসন আমাদের জাতীয় মুরুব্বী। তাঁর নির্দেশে আমি সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হয়েছি। দলের প্রয়োজনে আমি বারবার নির্দেশ পালন করে আসছি। আজকের সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করার আদেশ মাথা পেতে মেনে নিয়েছি।