ইসিতে নিবন্ধিত ৫১ দল: নিবন্ধিত ২১ দলকে নিয়ে ‘জুলাই সনদ’, ডাক পায়নি ৩০ দল
তারিখ লোড হচ্ছে...
সর্বশেষ লাইভ ই-পেপার
       
খুঁজুন                
                               
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

ইসিতে নিবন্ধিত ৫১ দল: নিবন্ধিত ২১ দলকে নিয়ে ‘জুলাই সনদ’, ডাক পায়নি ৩০ দল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৫, ২:৫০ অপরাহ্ণ
ইসিতে নিবন্ধিত ৫১ দল: নিবন্ধিত ২১ দলকে নিয়ে ‘জুলাই সনদ’, ডাক পায়নি ৩০ দল

আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত থাকার কারণে বর্তমানে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সংখ্যা ৫১। এই দলগুলোর মধ্যে বহুল আলোচিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ প্রক্রিয়ায় রয়েছে মাত্র ২১টি দল; অর্থাৎ এর বাইরে রয়েছে ইসিতে নিবন্ধিত অন্তত ৩০।

জুলাই সনদের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের যোগাযোগ, সংলাপ বা মতামত গ্রহণের বাইরেই রয়ে গেছে নিবন্ধিত অন্তত ৩০টি রাজনৈতিক দল।

তবে নিবন্ধিত এই দলগুলোর বাইরেও ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ ইস্যুতে আলী রীয়াজের নেতৃত্বে ঐকমত্য কমিশনের কয়েক ধাপের সংলাপে অন্তত ৩৩টি দল ও সমমনা জোট অংশ নিয়েছে।

ঐকমত্য কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি, আমজনতার দল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, ইসলামী ঐক্যজোট, খেলাফত মজলিস, গণঅধিকার পার্টি, গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য, গণসংহতি আন্দোলন, গণফোরাম, নাগরিক ঐক্য, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন, জাকের পার্টি, জাতীয় গণফ্রন্ট, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম), জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি, বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-বাংলাদেশ জাসদ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, বাংলাদেশ লেবার পার্টি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবি, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগ, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক পার্টি-বিএসপি, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-মার্কসবাদী, ভাসানী জনশক্তি পার্টি, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপি ও ১২ দলীয় জোট জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সংলাপ ও জুলাই সনদ প্রক্রিয়ায় অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে মাত্র ২১টি দল নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত। এরবাইরে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি নিবন্ধন প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে।

অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত বাকি ৩০টি দলকে এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা হয়নি। আওয়ামী লীগকে হিসেবের মধ্যে নিলে এ-সংখ্যা দাঁড়ায় ৩১।

ফলে নিবন্ধিত হয়েও কোন যুক্তিতে এবং কোন মানদণ্ডের ভিত্তিতে এসব রাজনৈতিক দলকে সংলাপে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি, সেই প্রশ্ন তুলেছেন দলগুলোর নেতারা।

নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী একটি গণমাধ্যমকে বলেছেন, যে কোনো সনদ তৈরির ক্ষেত্রে যত বেশি অংশীজনের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যায়, ততই জাতির জন্য মঙ্গল, সনদের গ্রহণযোগ্যতা ও টেকসইয়ের জন্য প্রয়োজন। কিন্তু জুলাই সনদে তো বড় বড় দলকে বাদ দেওয়া হয়েছে। ফলে সেসব বেশিরভাগ রাজনৈতিক দল এ সনদ গ্রহণ করবে না। ফলে রাষ্ট্রীয় বিভাজন প্রকট আকার ধারণ করবে। সনদ হওয়া উচিত ছিল ঐক্যের প্রতীক, তা না হয়ে জুলাই সনদ জাতীয় অনৈক্যের প্রতীক হয়ে গেল।

বাংলাদেশ তরীকত ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মুহাম্মদ আলী ফারুকী বলেন, এ সনদকে সব রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের কথা বলা হলেও, তা হয়নি। অর্ধেক দলকে তো কমিশনের ডাকাই হয়নি। এমন দলকেও ডাকা হয় যাদের নিবন্ধন-ই নেই, অথচ নিবন্ধিত অর্ধেক দল এ আলোচনার বাইরেই ছিল। তাই বাইরে যতটুকু জানা যায় তাই দেখছি, দর্শক সারি থেকে কিছু বলতেও পারা যাচ্ছে না।

জাতীয় পার্টি-জেপির মহাসচিব শেখ শহীদুল ইসলাম বলেন, জুলাই সনদ বাংলাদেশের কিছু রাজনৈতিক দলের প্রতিশ্রুতি। এর আগেও এ ধরনের প্রতিশ্রুতি রাজনৈতিক দলগুলো করেছিল এরশাদ সরকারের পতনের পর। এর সফলতা নির্ভর করবে কতটা বাস্তবায়িত হয় তার ওপর। যেহেতু সনদ তৈরির বৈঠকে ডাকা হয়নি, সনদে কী আছে জানি না, সুতরাং এর ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিকগুলো জানি না। এক কথায় যারা এ প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়েছে তারা দেখুক, আমরা তো নেই।

বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির (বিএমজেপি) সভাপতি সুকৃতি কুমার মণ্ডল বলেন, চলতি বছরের ৯ এপ্রিল রাজনৈতিক দল হিসেবে আমরা নিবন্ধন পেয়েছি। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে সংলাপে অনিবন্ধিত দলকে ডাকা হলেও আমাদের ডাকা হয়নি। প্রধান উপদেষ্টা ও ঐকমত্য কমিশনে আমরা দরখাস্ত দিয়েছি। সংবাদ সম্মেলন করেও দাবি জানানো হয়েছে। তবুও আমাদের মতামত নেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, যদি সবার অধিকার সমান থাকে তবে ১২ থেকে ১৩টি নিবন্ধিত দলকে ডাকা হলেও আমাদের কেন ডাকা হবে না। পাঁচ-সাত মাস ধরে ঘটা করে সবার মতামত নেওয়া হয়েছে। আমাদেরও কিছু বিষয় ছিল, আমরাও তো এ দেশের নাগরিক। দুঃখজনক হলো, জুলাই সনদ একপেশেভাবে স্বাক্ষর করা হচ্ছে। যেহেতু আমাদের জানানো হয়নি, আমরা তো জোর করে মতামত দিতে পারব না।

বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের চেয়ারম্যান মাওলানা এমএ মতিন বলেন, ঐকমত্য কমিশনের কোনো সংলাপে আমাদের দাওয়াত দেওয়া হয়নি। আমরা জুলাইয়ের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সক্রিয় অংশীদার। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে বর্তমান সরকারে যারা আছেন তারা জাতিকে আবার বিভক্ত করার জন্য একটা অংশকে নিয়ে ফের তারা যে কাণ্ডগুলো করছেন আমরা তার প্রতিবাদ ও ধিক্কার জানাই। এতগুলো নিবন্ধন রাজনৈতিক দলকে মতামত দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি। সংস্কারের নামে যেগুলো করছে এবং মতামত নিচ্ছে; এ ব্যাপারে তারা একমত হচ্ছেন, আবার দ্বিমত হচ্ছেন। এ নিয়ে যারা মতামত দিচ্ছেন ও নিচ্ছেন এর দায়ভার তারাই নেবেন।

এ-বিষয়ে ঐকমত্য কমিশনের কারো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

নির্বাচন কমিশনে (ইসি) নিবন্ধিত যে দলগুলোকে ডাকা হয়নি, সেগুলো হলো জাতীয় পার্টি – জেপি; বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এমএল); কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ; গণতন্ত্রী পার্টি; বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি; বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি; বিকল্পধারা বাংলাদেশ; জাতীয় পার্টি; জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ; বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপি; বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন; বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন; বাংলাদেশ মুসলিম লীগ; ন্যাশনাল পিপলস্ পার্টি (এনপিপি); বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ; বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি; ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ; বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি; বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট; বাংলাদেশ মুসলিম লীগ-বিএমএল; বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট (মুক্তিজোট); বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট-বিএনএফ; বাংলাদেশ কংগ্রেস; তৃণমূল বিএনপি; ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ; বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-বাংলাদেশ জাসদ; বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন-বিএনএম; বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি); বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি; বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি (বিএমজেপি)।

রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৪১ অপরাহ্ণ
রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

স্টাফরিপোর্টার:: মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার বর্ণীতে আয়োজিত এক সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেছেন, মানবকল্যাণে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। তারা বলেন, অসহায় ও আর্তমানবতার সেবার মাধ্যমে যেমন মহান স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়, তেমনি পাওয়া যায় মানুষের ভালোবাসা। মানবসেবাকে ইবাদতের সঙ্গে তুলনা করে বক্তারা আরও বলেন, এতিম-অসহায়দের সহায়তা এবং দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে কাজ করলে ইহকাল ও পরকালে কল্যাণ অর্জিত হয়। মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেয়ে বড় আনন্দ আর কিছু নেই বলেও উল্লেখ করেন তারা।শুক্রবার বিকেলে পীরে কামেল ওস্তাজুল উলামা আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.) প্রতিষ্ঠিত রহমানিয়া টুকা হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ উপলক্ষে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে এবং মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল আলিম ও সহ-সুপার মাহফুজুর রহমানের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত ব্যক্তি ছিলেন যুক্তরাজ্যপ্রবাসী, লন্ডন অক্সফোর্ড জামে মসজিদের খতিব ও বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা হেলাল আহমদ খান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আঞ্জুমানে আল ইসলাহ’র মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা এ. কে. এম. মনোয়ার আলী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিবপুর কেশবপুর কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হাকিম, দৈনিক রূপালী বাংলাদেশের সিলেট ব্যুরো প্রধান কবি সালমান ফরিদ এবং মাথিউরা ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মুফতি তকি উদ্দিন।আনন্দ টেলিভিশনের সিলেট প্রতিনিধি তাহের আহমদ।
বিয়ানীবাজার সহকারী শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হোসেন আহমদ, সায়রা মুক্তাদির দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুল হামিদ মাস্টার সফর উদ্দিনসহ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.)-এর জীবন ও কর্ম নিয়ে একটি স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। আয়োজকরা জানান, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির আগেই গ্রন্থটি প্রকাশ করা হবে ।

ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ
ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার দয়ামির ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কদরিছ  মিয়া প্রায় এক বছর ধরে নিখোঁজ রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। তিনি বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন ওসমানীনগর উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রলীগ নেতা সেলিম আহমদের পিতা।


‎পরিবার জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের পটপরিবর্তনের পর তাদের বাড়িতে হামলা হয়। রাজনৈতিক উত্তেজনা ও একাধিক মামলার কারণে এ সময় সেলিম আহমদ ও তার বাবা আত্মগোপনে ছিলেন। পরিবারের দাবি প্রায় এক বছর ধরে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। তার মোবাইল ফোন বন্ধ, আত্মীয়দের বাসাতেও নেই। তিনি জীবিত না মৃত এ নিয়েও নিশ্চিত হতে পারছেননা তারা।

‎স্থানীয় সূত্র জানায়, কদরিছ মিয়ার ছেলে ছাত্রলীগের ক্যাডার সেলিম আহমদ একাধিক মামলার আসামি। ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে উঠে আসা সেলিম সিলেট সিটির সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ারুজ্জামানের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শন ও বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা বাড়তে থাকে। ৫ আগস্টের ঘটনার পর থেকে সেও পলাতক।

‎পরিবারের সদস্যরা জানান,,,নিখোঁজের ঘটনায় থানায় অভিযোগ করার কথা ভাবলেও নিরাপত্তাহীনতা ও প্রতিশোধের আশঙ্কায় পরিবার এখনো অভিযোগ করতে পারেনি। পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রতিদিনই তাদের উদ্বেগ বাড়ছে কদরিছ মিয়া জীবিত না মৃত, কিছুই জানা যাচ্ছে না।

‎এই বিষয়ে ওসমানীনগর উপজেলা প্রশাসনের কাছে জানতে চাইলে তারা বলে আমরা শুনেছি এরকম একজনকে পাওয়া যাচ্ছেনা,তবে লিখিত কোন অভিযোগ পাই নাই। অভিযোগ পেলে প্রোয়োজনিয় ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে।

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সিলেট-৪ আসনে বিএনপির প্রাথী হচ্ছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী।

বুধবার রাতে আরিফুল হক চৌধুরী নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তবে বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোন ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

গত সোমবার দেশের অন্যান্য আসনের সাথে সিলেটের ৪ টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে বিএনপি। তবে সিলেট-৪ ও সিলেট-৫ আসনে সেদিন কোন প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি।

বিএনপি সূত্রে জানা যায়, আরিফুল হককে দল থেকে একাধিকবার সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে তাতে সম্মত হননি আরিফ। তিনি সবসময়ই সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে সিলেট-১ আসন অথবা সিঠের সিটি নির্বাচনের মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে আসছিলেন।সর্বশেষ সোমবার বিভিন্ন আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণার পর মঙ্গলবার বিএনপির শীর্ষ নেতবেৃন্দের পক্ষ থেকে জরুরী তলব দিয়ে আরিফকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে মঙ্গলবার ও বুধবার আরিফের সাথে দফায় দফায় বৈঠক করেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা। এসব বৈঠকে আরিফুল হককে সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি প্রথমে সম্মত হননি বলে জানা গেছে। এরপর বুধবার রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তাঁকে বাসায় ডেকে পাঠান।রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবনে চেয়ারপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে আরিফুল হক ওই আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হন।সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার কথা জানিয়ে ঢাকা থেকে রাতে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, “চেয়ারপারসন আমাদের জাতীয় মুরুব্বী। তাঁর নির্দেশে আমি সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হয়েছি। দলের প্রয়োজনে আমি বারবার নির্দেশ পালন করে আসছি। আজকের সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করার আদেশ মাথা পেতে মেনে নিয়েছি।