সিকৃবিতে বানরের কামড়ে শতাধিক ছাত্রী আহত, দুই ছাত্রী হলে আতঙ্ক
তারিখ লোড হচ্ছে...
সর্বশেষ লাইভ ই-পেপার
       
খুঁজুন                
                               
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

সিকৃবিতে বানরের কামড়ে শতাধিক ছাত্রী আহত, দুই ছাত্রী হলে আতঙ্ক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:১২ অপরাহ্ণ
সিকৃবিতে বানরের কামড়ে শতাধিক ছাত্রী আহত, দুই ছাত্রী হলে আতঙ্ক

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) দেড় সহস্রাধিক আবাসিক ছাত্রীর মধ্যে বিরাজ করছে বানর আতঙ্ক। গত কয়েক মাসে বানরের আক্রমণে দুটি ছাত্রী হলের শতাধিক ছাত্রী আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র।

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, টিলা ও গাছপালা ঘেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের জন্য নির্মিত সামাদ রহমান হল ও সুহাসিনী দাস হলে খাবারের সন্ধানে বানর দলবেঁধে হানা দেয়। দুই ছাত্রী হলে প্রায় দেড় হাজারের অধিক ছাত্রীর বসবাস।

সম্প্রতি বানরের উৎপাত বৃদ্ধি পাওয়ায় বন বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ২টি হলের চারপাশে নেট দিয়ে ঘেরাও দেয়, হলের পার্শ্ববর্তী গাছের ডালপালা ছাঁটাই, ট্রেপ স্থাপনসহ নিরাপত্তাব্যবস্থা বৃদ্ধি করেছে। এরপরও নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না বানরের উৎপাত।

রোকেয়া ইয়ামিন মোহনা নামের আবাসিক হলের একজন শিক্ষার্থী বলেন, ‘বানরের কারণে আমরা সব সময় আতঙ্কের মধ্যে থাকি। সামনে অনেকের ফাইনাল পরীক্ষা। এ কারণে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে আমরা শঙ্কিত। আমরা এ সমস্যার সমাধান চাই।’

সিকৃবি ভিসি প্রফেসর ড. মো. আলিমুল ইসলাম বলেন, ‘বন্যপ্রাণী নিয়ন্ত্রণ আইনের বাধ্যবাধকতা থাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নানাবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ সত্ত্বেও এই সমস্যা নির্মূল করা সম্ভব হচ্ছে না। ছাত্রী হলের নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি আহতদের সুচিকিৎসা ও ভ্যাকসিন প্রদানের ব্যবস্থাসহ বানরের আক্রমণ থেকে সার্বিক নিরাপত্তা প্রদানের যথাসাধ্য চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এই বিষয়ে আতঙ্কিত না হয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধৈর্যসহ সচেতনভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। শিক্ষার্থীদের যেকোনও ধরনের নিরাপত্তা প্রদানের ক্ষেত্রে প্রশাসন সচেষ্ট ও বদ্ধপরিকর।’

নগরীর বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নগরীর কলবাখানির চাষনী পীর (র.) মাজারসংলগ্ন চা বাগান, খাদিম জাতীয় উদ্যান, টিলাগড় ইকোপার্ক ছাড়াও সিলেট নগরীর আশপাশে অসংখ্য টিলা আর জঙ্গল ছিল। এসব টিলা ও জঙ্গলে দলে দলে বানরসহ নানা প্রজাতির প্রাণীর অবাধ বিচরণ ছিল। বানরের দল বিভিন্ন বনজ ফল নিয়ে এক গাছ থেকে অন্য গাছে লাফালাফি করতে দেখা যেত। নগরায়ণের ফলে এবং মানুষের অপরিণামদর্শী কর্মকাণ্ডের কারণে এসব গাছ ও টিলা ক্রমশ অস্তিত্ব হারাতে বসেছে। ফলে বনে দেখা দিয়েছে খাবারসংকট। ফলে ২০২০ সালের মার্চে করোনাভাইরাস সংক্রমণের পর থেকে নগরীর আম্বরখানা, ইলেকট্রিক সাপ্লাই, কুমারপাড়া, সোবহানীঘাট, কাজিটুলা, শাহী ঈদগাহ, সুবিদবাজার, বনকলাপাড়া এমনকি টিলাগড় ইকোপার্ক ও সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে এসব বানর।

নগরীর বাসিন্দাদের মতে, হজরত শাহজালাল (র.)-এর অন্যতম সফরসঙ্গী হজরত চাষনী পীর (র.) মাজারকে ঘিরে বানরের আবাসস্থল গড়ে ওঠে। টিলাবেষ্টিত এ মাজার এলাকায় ছিল প্রচুর গাছপালা ও ঝোপঝাড়। এ কারণে বানররা স্থানটিকে নিরাপদ আবাসস্থল হিসেবে ব্যবহার করত। মাজারে আগত দর্শনার্থীরা এসব বানরকে কলাসহ অন্যান্য খাবার দিতেন। বর্তমানে দর্শনার্থী তুলনামূলক কমে যাওয়া এবং গাছপালা উজাড় হয়ে যাওয়ায় বানরগুলো খাবারসংকটে ভুগছে। ফলে তারা বাসাবাড়িতে খাবারের সন্ধান করছে। এমনকি অনেকসময় শিশুসহ অন্যদের কামড় দিচ্ছে।

বানরের উপদ্রব থেকে রক্ষা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গত বুধবার সিকৃবির উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আলিমুল ইসলাম প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমির হোসাইন চৌধুরীর সঙ্গে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বনভবনে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় সিকৃবি ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দফতরের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. সামিউল আহসান তালুকদার, বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ অঞ্চলের বন সংরক্ষক মো. সানাউল্লাহ পাটোয়ারী এবং বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিচালক মো. মিজানুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বানরের আক্রমণ থেকে ছাত্রীদের রক্ষার জন্য বন বিভাগের প্রতি দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আহ্বান জানালে বন বিভাগের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করা হয়।

রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৪১ অপরাহ্ণ
রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

স্টাফরিপোর্টার:: মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার বর্ণীতে আয়োজিত এক সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেছেন, মানবকল্যাণে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। তারা বলেন, অসহায় ও আর্তমানবতার সেবার মাধ্যমে যেমন মহান স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়, তেমনি পাওয়া যায় মানুষের ভালোবাসা। মানবসেবাকে ইবাদতের সঙ্গে তুলনা করে বক্তারা আরও বলেন, এতিম-অসহায়দের সহায়তা এবং দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে কাজ করলে ইহকাল ও পরকালে কল্যাণ অর্জিত হয়। মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেয়ে বড় আনন্দ আর কিছু নেই বলেও উল্লেখ করেন তারা।শুক্রবার বিকেলে পীরে কামেল ওস্তাজুল উলামা আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.) প্রতিষ্ঠিত রহমানিয়া টুকা হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ উপলক্ষে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে এবং মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল আলিম ও সহ-সুপার মাহফুজুর রহমানের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত ব্যক্তি ছিলেন যুক্তরাজ্যপ্রবাসী, লন্ডন অক্সফোর্ড জামে মসজিদের খতিব ও বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা হেলাল আহমদ খান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আঞ্জুমানে আল ইসলাহ’র মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা এ. কে. এম. মনোয়ার আলী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিবপুর কেশবপুর কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হাকিম, দৈনিক রূপালী বাংলাদেশের সিলেট ব্যুরো প্রধান কবি সালমান ফরিদ এবং মাথিউরা ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মুফতি তকি উদ্দিন।আনন্দ টেলিভিশনের সিলেট প্রতিনিধি তাহের আহমদ।
বিয়ানীবাজার সহকারী শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হোসেন আহমদ, সায়রা মুক্তাদির দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুল হামিদ মাস্টার সফর উদ্দিনসহ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.)-এর জীবন ও কর্ম নিয়ে একটি স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। আয়োজকরা জানান, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির আগেই গ্রন্থটি প্রকাশ করা হবে ।

ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ
ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার দয়ামির ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কদরিছ  মিয়া প্রায় এক বছর ধরে নিখোঁজ রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। তিনি বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন ওসমানীনগর উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রলীগ নেতা সেলিম আহমদের পিতা।


‎পরিবার জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের পটপরিবর্তনের পর তাদের বাড়িতে হামলা হয়। রাজনৈতিক উত্তেজনা ও একাধিক মামলার কারণে এ সময় সেলিম আহমদ ও তার বাবা আত্মগোপনে ছিলেন। পরিবারের দাবি প্রায় এক বছর ধরে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। তার মোবাইল ফোন বন্ধ, আত্মীয়দের বাসাতেও নেই। তিনি জীবিত না মৃত এ নিয়েও নিশ্চিত হতে পারছেননা তারা।

‎স্থানীয় সূত্র জানায়, কদরিছ মিয়ার ছেলে ছাত্রলীগের ক্যাডার সেলিম আহমদ একাধিক মামলার আসামি। ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে উঠে আসা সেলিম সিলেট সিটির সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ারুজ্জামানের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শন ও বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা বাড়তে থাকে। ৫ আগস্টের ঘটনার পর থেকে সেও পলাতক।

‎পরিবারের সদস্যরা জানান,,,নিখোঁজের ঘটনায় থানায় অভিযোগ করার কথা ভাবলেও নিরাপত্তাহীনতা ও প্রতিশোধের আশঙ্কায় পরিবার এখনো অভিযোগ করতে পারেনি। পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রতিদিনই তাদের উদ্বেগ বাড়ছে কদরিছ মিয়া জীবিত না মৃত, কিছুই জানা যাচ্ছে না।

‎এই বিষয়ে ওসমানীনগর উপজেলা প্রশাসনের কাছে জানতে চাইলে তারা বলে আমরা শুনেছি এরকম একজনকে পাওয়া যাচ্ছেনা,তবে লিখিত কোন অভিযোগ পাই নাই। অভিযোগ পেলে প্রোয়োজনিয় ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে।

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সিলেট-৪ আসনে বিএনপির প্রাথী হচ্ছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী।

বুধবার রাতে আরিফুল হক চৌধুরী নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তবে বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোন ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

গত সোমবার দেশের অন্যান্য আসনের সাথে সিলেটের ৪ টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে বিএনপি। তবে সিলেট-৪ ও সিলেট-৫ আসনে সেদিন কোন প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি।

বিএনপি সূত্রে জানা যায়, আরিফুল হককে দল থেকে একাধিকবার সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে তাতে সম্মত হননি আরিফ। তিনি সবসময়ই সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে সিলেট-১ আসন অথবা সিঠের সিটি নির্বাচনের মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে আসছিলেন।সর্বশেষ সোমবার বিভিন্ন আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণার পর মঙ্গলবার বিএনপির শীর্ষ নেতবেৃন্দের পক্ষ থেকে জরুরী তলব দিয়ে আরিফকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে মঙ্গলবার ও বুধবার আরিফের সাথে দফায় দফায় বৈঠক করেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা। এসব বৈঠকে আরিফুল হককে সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি প্রথমে সম্মত হননি বলে জানা গেছে। এরপর বুধবার রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তাঁকে বাসায় ডেকে পাঠান।রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবনে চেয়ারপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে আরিফুল হক ওই আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হন।সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার কথা জানিয়ে ঢাকা থেকে রাতে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, “চেয়ারপারসন আমাদের জাতীয় মুরুব্বী। তাঁর নির্দেশে আমি সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হয়েছি। দলের প্রয়োজনে আমি বারবার নির্দেশ পালন করে আসছি। আজকের সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করার আদেশ মাথা পেতে মেনে নিয়েছি।