সিলেটে ব্যাটারি রিকশা নিয়ে বিপরীতমুখী অবস্থানে বিএনপির দুই নেতা
তারিখ লোড হচ্ছে...
সর্বশেষ লাইভ ই-পেপার
       
খুঁজুন                
                               
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

সিলেটে ব্যাটারি রিকশা নিয়ে বিপরীতমুখী অবস্থানে বিএনপির দুই নেতা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৮:৩৩ অপরাহ্ণ
সিলেটে ব্যাটারি রিকশা নিয়ে বিপরীতমুখী অবস্থানে বিএনপির দুই নেতা

ব্যাটারিচালিত রিকশা ও টমটম নিয়ে সিলেটে কয়েকদিন ধরেই চলছে উত্তাপ। প্রশাসন এসব অবৈধ যানবাহন বন্ধে অভিযান শুরুর পর এ উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে। নগরের বেশিরভাগ মানুষই দুর্ঘটনাপ্রবণ এসব যানবাহন বন্ধের পক্ষে। তবে মানবিক দিন বিবেচনায় এগুলো চালু রাখার পক্ষেও কেউ কেউ।

এই বিভক্তির প্রভাব পড়েছে বিএনপিতেও। বিশেষত দেশের প্রধান দল বিএনপির নেতারা ব্যাটারি রিকশার পক্ষে বিপক্ষে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ব্যাটারি রিকশা বন্ধের পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছেন। এই দাবিতে নগরে নিজের অনুসারীদের নিয়ে কর্মসূচীও পালন করছেন আরিফ। এমনকি ব্যাটারিরিকশার পক্ষে অবস্থানকারীদেরও প্রকাশ্যে সমালোচনা করছেন তিনি।

অপরদিকে সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী প্রকাশ্যেই ব্যাটারি রিকশার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। রিকশাচালকদের সমাবেশে উপস্থিত থেকে তিনি ঘোষণা দিয়েছেন- ‘মহানগর বিএনপি তাদের পাশে আছে’।

দুই শীর্ষ নেতার এই বিপরীতমুখী অবস্থানে সিলেটের বিএনপির কর্মীদের মধ্যেও দেখা দিয়েছে বিভক্তি। আর দলটির অন্য নেতারা নিয়েছেন কৌশলী অবস্থান।

গত কয়েকদিন ধরে সিলেটে আলোচিত বিষয়ে পরিণত হয়েছে ব্যাটারিচালিত রিকশা। এতদিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধে অভিযান চালালে কোনো রাজনৈতিক নেতার প্রকশ্য সম্পৃক্ততা ছিল না। তবে কয়েকদিন ধরে এ অভিযানের প্রতি সমর্থন জানিয়ে কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নেমেছেন আরিফুল হক চৌধুরী ও জেলা বাস-মিনিবাস-কোচ ঐক্য পরিষদের নেতাসহ অনেকে।

গত ২৫ সেপ্টেম্বর ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলের অনুমোদনের দাবিতে নগরজুড়ে বিক্ষোভ করে চালক ও মালিকরা। ওই বিক্ষোভকালে হামলা ও গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এসব নিয়ে নগরীতে বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি হয়। প্রশাসন থেকে কঠোর বার্তা দেওয়া হয় নগরীতে কোনোভাবে এ রিকশা চলতে দেওয়া হবে না।

এ অবস্থায় গত ২৫ সেপ্টেম্বর ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকদের পক্ষে অবস্থান নেন নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী। বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) ডাকা আন্দোলনে তিনি বলেন, এ সমাবেশে উপস্থিত থাকা মানে নগর বিএনপি আপনাদের পাশে আছে। আপনাদের যৌক্তিক দাবির সঙ্গে আমরা আছি।

ওইদিন জেলা প্রশাসকের কাছে ব্যাটারি রিকশাচালকরা স্মারকলিপি প্রদানকালেও সেখানে উপস্থিত ছিলেন ইমদাদ হোসেন চৌধুরী। সেখানেও তিনি চালকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন। এসময় আবারও তাদের প্রতি নিজের ও দলের সমর্থন ব্যক্ত করেন।

এদিকে রোববার ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধের দাবিতে রাস্তায় নামেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। এ সময় কোর্ট পয়েন্টে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধের দাবিসংবলিত বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড অনেকের হাতে দেখা যায়। পরে সেখান থেকে একটি পদযাত্রা সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়।

এ সময় আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, এ শহরটা আমাদের নিজের, সুন্দর শহর করার জন্য আমরা আজকে এসেছি। ব্যাটারিচালিত রিকশায় তারা ব্যাটারি না লাগিয়ে চালাতে পারে। তাদের ব্যাটারি দিয়ে চালাতে হবে কেন? ব্যাটারি ছাড়া তারা চলে আসুক। ব্যাটারি যখন বন্ধ হবে লোডশেডিং কমবে, তখন দুর্ঘটনা কমবে। পুলিশ কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকের যে উদ্যোগ, সেই উদ্যোগকে আমরা সাধুবাদ জানাই।

এ ব্যাপারে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধে আমরা সবাই একাট্টা।

এ ব্যাপারে মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরীর বক্তব্য জানা যায়নি। তিনি ‘ব্যক্তিগত কাজে’ যুক্তরাজ্যে গেছেন বলে জানিয়েছেন নগর সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) রেজাউল হাসান কয়েস লোদী। যদিও বাসদের দুই নেতাকে গ্রেপ্তারের পরপরই ইমদাদ যুক্তরাজ্যে চলে যাওয়ায় এ নিয়ে দলে চলছে কানাঘুষা।

তবে গত বৃহস্পতিবার রাজনৈতিক নেতাদের নিয়ে এ ইস্যুতে বৈঠক করেন মহানগর পুলিশ কমিশনার আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরী। ওই সভায় উপস্থিত হয়ে এমদাদ হোসেন চৌধুরী বলেন, আমি অবৈধ কোন কিছুর পক্ষে নই। সেদিন রিকশা চালকদের উত্তেজনা প্রশমন করতে তাদের জমায়েতে বক্তব্য দিয়েছিলাম।

ওই বৈঠকেই পুলিশ কমিশনার বলেন, রাজনীতিবিদরা অবৈধ রিকশাচালকদের আন্দোলনে উসকানি দেবেন না। আপনারা কে কি করছেন সে তথ্য আমাদের কাছে আছে। আপনারা নিজেরা যদি সংশোধন না হন তাহলে সবকিছু জনগণের সামনে প্রকাশ করে দেওয়া হবে। এতে আপনারাও ছোট হবেন এবং আপনাদের দলও সমস্যায় পড়বে।

সেখানে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, রাজনৈতিক নেতারা এই বৈঠকে এক কথা ও বাইরে গিয়ে আরেক কথা বলবেন না। কথায় ও কাজে মিল রাখবেন।

ওই বৈঠকের পরই গ্রেপ্তার করা হয় জেলা বাসদের আহ্বায়ক আবু জাফর ও সদস্য সচিব প্রণবজ্যোতি পালকে। রিকশা শ্রমিকদের আন্দোলনে মদদ ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। যদিও সোমবার তারা জামিন পেয়েছেন।

রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৪১ অপরাহ্ণ
রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

স্টাফরিপোর্টার:: মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার বর্ণীতে আয়োজিত এক সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেছেন, মানবকল্যাণে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। তারা বলেন, অসহায় ও আর্তমানবতার সেবার মাধ্যমে যেমন মহান স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়, তেমনি পাওয়া যায় মানুষের ভালোবাসা। মানবসেবাকে ইবাদতের সঙ্গে তুলনা করে বক্তারা আরও বলেন, এতিম-অসহায়দের সহায়তা এবং দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে কাজ করলে ইহকাল ও পরকালে কল্যাণ অর্জিত হয়। মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেয়ে বড় আনন্দ আর কিছু নেই বলেও উল্লেখ করেন তারা।শুক্রবার বিকেলে পীরে কামেল ওস্তাজুল উলামা আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.) প্রতিষ্ঠিত রহমানিয়া টুকা হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ উপলক্ষে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে এবং মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল আলিম ও সহ-সুপার মাহফুজুর রহমানের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত ব্যক্তি ছিলেন যুক্তরাজ্যপ্রবাসী, লন্ডন অক্সফোর্ড জামে মসজিদের খতিব ও বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা হেলাল আহমদ খান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আঞ্জুমানে আল ইসলাহ’র মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা এ. কে. এম. মনোয়ার আলী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিবপুর কেশবপুর কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হাকিম, দৈনিক রূপালী বাংলাদেশের সিলেট ব্যুরো প্রধান কবি সালমান ফরিদ এবং মাথিউরা ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মুফতি তকি উদ্দিন।আনন্দ টেলিভিশনের সিলেট প্রতিনিধি তাহের আহমদ।
বিয়ানীবাজার সহকারী শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হোসেন আহমদ, সায়রা মুক্তাদির দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুল হামিদ মাস্টার সফর উদ্দিনসহ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.)-এর জীবন ও কর্ম নিয়ে একটি স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। আয়োজকরা জানান, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির আগেই গ্রন্থটি প্রকাশ করা হবে ।

ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ
ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার দয়ামির ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কদরিছ  মিয়া প্রায় এক বছর ধরে নিখোঁজ রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। তিনি বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন ওসমানীনগর উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রলীগ নেতা সেলিম আহমদের পিতা।


‎পরিবার জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের পটপরিবর্তনের পর তাদের বাড়িতে হামলা হয়। রাজনৈতিক উত্তেজনা ও একাধিক মামলার কারণে এ সময় সেলিম আহমদ ও তার বাবা আত্মগোপনে ছিলেন। পরিবারের দাবি প্রায় এক বছর ধরে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। তার মোবাইল ফোন বন্ধ, আত্মীয়দের বাসাতেও নেই। তিনি জীবিত না মৃত এ নিয়েও নিশ্চিত হতে পারছেননা তারা।

‎স্থানীয় সূত্র জানায়, কদরিছ মিয়ার ছেলে ছাত্রলীগের ক্যাডার সেলিম আহমদ একাধিক মামলার আসামি। ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে উঠে আসা সেলিম সিলেট সিটির সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ারুজ্জামানের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শন ও বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা বাড়তে থাকে। ৫ আগস্টের ঘটনার পর থেকে সেও পলাতক।

‎পরিবারের সদস্যরা জানান,,,নিখোঁজের ঘটনায় থানায় অভিযোগ করার কথা ভাবলেও নিরাপত্তাহীনতা ও প্রতিশোধের আশঙ্কায় পরিবার এখনো অভিযোগ করতে পারেনি। পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রতিদিনই তাদের উদ্বেগ বাড়ছে কদরিছ মিয়া জীবিত না মৃত, কিছুই জানা যাচ্ছে না।

‎এই বিষয়ে ওসমানীনগর উপজেলা প্রশাসনের কাছে জানতে চাইলে তারা বলে আমরা শুনেছি এরকম একজনকে পাওয়া যাচ্ছেনা,তবে লিখিত কোন অভিযোগ পাই নাই। অভিযোগ পেলে প্রোয়োজনিয় ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে।

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সিলেট-৪ আসনে বিএনপির প্রাথী হচ্ছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী।

বুধবার রাতে আরিফুল হক চৌধুরী নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তবে বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোন ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

গত সোমবার দেশের অন্যান্য আসনের সাথে সিলেটের ৪ টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে বিএনপি। তবে সিলেট-৪ ও সিলেট-৫ আসনে সেদিন কোন প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি।

বিএনপি সূত্রে জানা যায়, আরিফুল হককে দল থেকে একাধিকবার সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে তাতে সম্মত হননি আরিফ। তিনি সবসময়ই সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে সিলেট-১ আসন অথবা সিঠের সিটি নির্বাচনের মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে আসছিলেন।সর্বশেষ সোমবার বিভিন্ন আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণার পর মঙ্গলবার বিএনপির শীর্ষ নেতবেৃন্দের পক্ষ থেকে জরুরী তলব দিয়ে আরিফকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে মঙ্গলবার ও বুধবার আরিফের সাথে দফায় দফায় বৈঠক করেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা। এসব বৈঠকে আরিফুল হককে সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি প্রথমে সম্মত হননি বলে জানা গেছে। এরপর বুধবার রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তাঁকে বাসায় ডেকে পাঠান।রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবনে চেয়ারপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে আরিফুল হক ওই আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হন।সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার কথা জানিয়ে ঢাকা থেকে রাতে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, “চেয়ারপারসন আমাদের জাতীয় মুরুব্বী। তাঁর নির্দেশে আমি সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হয়েছি। দলের প্রয়োজনে আমি বারবার নির্দেশ পালন করে আসছি। আজকের সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করার আদেশ মাথা পেতে মেনে নিয়েছি।