ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক: ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতায়
তারিখ লোড হচ্ছে...
সর্বশেষ লাইভ ই-পেপার
       
খুঁজুন                
                               
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক: ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতায়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১০:২৫ পূর্বাহ্ণ
ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক: ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতায়

যাত্রীদের কাছে এখন মহাদুর্ভোগের সড়ক হয়ে উঠেছে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক। সম্প্রসারণকাজ চলায় এই সড়কটি এখন যাত্রীদের কাছে আতঙ্কের নাম। সিলেট থেকে ৪ ঘণ্টার রাস্তা ঢাকা যেতে সময় লাগছে ১০ ঘণ্টা। আর যানজটে আটকা পড়লে সেটি ১৩ থেকে ১৪ ঘণ্টায় গিয়ে পৌঁছে। ফলে যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে।

 

গত সপ্তাহে এ সড়কের নির্মাণ প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে সড়ক ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খানের কার্যালয়ে বৈঠক হয়েছে। এতে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা ছাড়াও প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ওই বৈঠকে জানানো হয় ভূমি অধিগ্রহণ কাজ শেষ না হওয়ায় আটকে আছে মহাসড়কের কাজ। এতে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ হবে না বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিস্টরা।

 

তবে ওই বৈঠকে কাজের ধীরগতির কারণ নির্ণয়ের পর সড়কের কাজ এগিয়ে নেয়ার তাগিদ দেয়া হয়েছে।

 

ওই বৈঠক থেকে বেরিয়ে এসে প্রকল্পের প্রধান ও সড়ক বিভাগের কর্মকর্তা ফজলুল করিম সাংবাদিকদের কাছে সর্বশেষ তথ্য জানিয়েছেন। এই সড়কটির কাজ শুরু হয়েছিল ২০২১ সালে। আর কাজ সমাপ্ত হওয়ার কথা ছিল ২০২৬ সালে। প্রকল্পের- ‘সাসেক ঢাকা-সিলেট করিডোর-৬ লেন সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প’। ব্যয় ধরা হয়েছিল সবমিলিয়ে ১৭ হাজার কোটি টাকা। প্রকল্পের জন্য ৭টি জেলা থেকে মোট ৮২৯ দশমিক ৮৩ একর ভূমি অধিগ্রহণ প্রয়োজন।

 

সেখানে চলতি মাস পর্যন্ত একশ’ একরের মতো বেশি ভূমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে।

 

প্রকল্প পরিচালক মন্ত্রণালয়ের বৈঠকের পর সাংবাদিকদের কাছে জানান, ২০৯ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের ওই সড়কের ভূমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে মাত্র ১৫ ভাগ। এখনো ৮৫ ভাগ ভূমি অধিগ্রহণ করার বাকি রয়েছে। যদি আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে তিনি ভূমি বুঝে পান তাহলে আগামী ২০২৮ সালের মধ্যে এ প্রকল্পের কাজ শেষ করতে পারবেন।

 

তিনি জানান, কেবলমাত্র ভূমি জটিলতার কারণে এই সড়কের নির্মাণকাজ আটকে আছে। ভূমি না পাওয়ায় সড়কের নির্মাণকাজের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও শ্রমিকরা বসে আছেন। তাদের পক্ষ থেকে বারবার তাগিদ দেয়া হচ্ছে। ভূমি সমঝে না পাওয়ার কারণে কাজ এগিয়ে যাচ্ছে না।

 

প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে তিনি জানান, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে এই প্রকল্পের আওতায় ৬৬টি ব্রিজ নির্মাণ করা হচ্ছে। এরমধ্যে ৬০টি ব্রিজের কাজ চলমান রয়েছে। ৩০৫টি কালভার্ট নির্মাণ করা হবে।

 

২০০’র বেশি কালভার্টের কাজ শেষ হওয়ার পথে রয়েছে। এ ছাড়া কয়েকটি ফ্লাইওভারেরও কাজ করা হবে। দুইপাশে সার্ভিস লেনও নির্মাণ করা হবে। এ ছাড়া সড়কটির টেকসইয়ের জন্য মডিফাই বিটুমিন ব্যবহার করা হবে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের জন্য এডিবি ঋণ দেয়ার কথা ১৩ হাজার ২৪৪ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। আর সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ৩ হাজার ৬৭৩ কোটি ৯০ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে। সিলেট-তামাবিলে ২ হাজার ৯৭০ কোটি ৫৫ লাখ টাকা প্রকল্প ঋণ হিসেবে এআইআইবি’র কাছ থেকে পাওয়া যাবে। অবশিষ্ট ৬১৫ কোটি ৪৯ লাখ টাকা সরকারি তহবিল থেকে সরবরাহ করা হবে।

 

এদিকে, গত সপ্তাহে বৈঠক শেষে নড়েচড়ে বসেছেন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। তারা জানান, ভূমি অধিগ্রহণের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

 

আগামী বছরের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে অধিগ্রহণ করা ভূমি প্রকল্পসংশ্লিষ্টদের কাছে সমঝে দেয়ার জন্য দ্রুত কাজ করার তাগিদ দেয়া হয়েছে। এদিকে, ৬ লেন নির্মাণকাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে ও ভূমি অধিগ্রহণের কার্যক্রমে অগ্রগতি ফেরাতে মহাসড়কের নির্মাণকাজ পরিদর্শন করেছেন সিলেট জেলা প্রশাসক সারোয়ার আলম। এ সময় দ্রুত মহাসড়কের নির্মাণকাজ শেষ করতে ভূমি অধিগ্রহণের কাজ বাস্তবায়ন করতে মহাসড়কের পাশে সরকারি জায়গা দখল উচ্ছেদে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে ওসমানীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন তিনি।

 

শনিবার দুপুরে জেলা প্রশাসক সারোয়ার আলম মহাসড়কের ওসমানীনগর অংশ পরিদর্শনে আসেন। পরিদর্শনের সময় উপজেলার সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের পাশে হাজী মাসহুদ আলী মডেল ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন করেন। ফিলিং স্টেশনটি ঢাকা-সিলেট হাইওয়ে মহাসড়কের পাশে হওয়ায় সরকারি জায়গা দখলে রয়েছে কি না? তার সীমানা নির্ধারণ এবং পাশেই পিউরিয়া কনফেকশনারি দোকান দ্রুত সময়ের মধ্যে সরকারি জয়গা থেকে সরাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। এ ছাড়া দয়ামীর ইউনিয়নের চকবাজার ও তাজপুর ইউনিয়নের কাশিখাপন পল্লী বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সামনে ঢাকা-সিলেট হাইওয়ে রোডের ৬ লেন কাজের গতি ঠিক রাখার জন্য বরাদ্দকৃত জায়গা দখলমুক্ত রাখতেও নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি।

 

ওসমানীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জয়নাল আবেদিন জানান, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নির্মাণকাজ দ্রুত সময়ের মধ্যে শেষ করতে ভূমি অধিগ্রহণ ত্বরান্বিত করতে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন জেলা প্রশাসক। আমরা সেই লক্ষ্যেই ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।শেয়ার করুন।

রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৪১ অপরাহ্ণ
রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

স্টাফরিপোর্টার:: মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার বর্ণীতে আয়োজিত এক সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেছেন, মানবকল্যাণে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। তারা বলেন, অসহায় ও আর্তমানবতার সেবার মাধ্যমে যেমন মহান স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়, তেমনি পাওয়া যায় মানুষের ভালোবাসা। মানবসেবাকে ইবাদতের সঙ্গে তুলনা করে বক্তারা আরও বলেন, এতিম-অসহায়দের সহায়তা এবং দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে কাজ করলে ইহকাল ও পরকালে কল্যাণ অর্জিত হয়। মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেয়ে বড় আনন্দ আর কিছু নেই বলেও উল্লেখ করেন তারা।শুক্রবার বিকেলে পীরে কামেল ওস্তাজুল উলামা আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.) প্রতিষ্ঠিত রহমানিয়া টুকা হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ উপলক্ষে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে এবং মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল আলিম ও সহ-সুপার মাহফুজুর রহমানের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত ব্যক্তি ছিলেন যুক্তরাজ্যপ্রবাসী, লন্ডন অক্সফোর্ড জামে মসজিদের খতিব ও বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা হেলাল আহমদ খান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আঞ্জুমানে আল ইসলাহ’র মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা এ. কে. এম. মনোয়ার আলী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিবপুর কেশবপুর কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হাকিম, দৈনিক রূপালী বাংলাদেশের সিলেট ব্যুরো প্রধান কবি সালমান ফরিদ এবং মাথিউরা ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মুফতি তকি উদ্দিন।আনন্দ টেলিভিশনের সিলেট প্রতিনিধি তাহের আহমদ।
বিয়ানীবাজার সহকারী শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হোসেন আহমদ, সায়রা মুক্তাদির দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুল হামিদ মাস্টার সফর উদ্দিনসহ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.)-এর জীবন ও কর্ম নিয়ে একটি স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। আয়োজকরা জানান, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির আগেই গ্রন্থটি প্রকাশ করা হবে ।

ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ
ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার দয়ামির ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কদরিছ  মিয়া প্রায় এক বছর ধরে নিখোঁজ রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। তিনি বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন ওসমানীনগর উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রলীগ নেতা সেলিম আহমদের পিতা।


‎পরিবার জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের পটপরিবর্তনের পর তাদের বাড়িতে হামলা হয়। রাজনৈতিক উত্তেজনা ও একাধিক মামলার কারণে এ সময় সেলিম আহমদ ও তার বাবা আত্মগোপনে ছিলেন। পরিবারের দাবি প্রায় এক বছর ধরে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। তার মোবাইল ফোন বন্ধ, আত্মীয়দের বাসাতেও নেই। তিনি জীবিত না মৃত এ নিয়েও নিশ্চিত হতে পারছেননা তারা।

‎স্থানীয় সূত্র জানায়, কদরিছ মিয়ার ছেলে ছাত্রলীগের ক্যাডার সেলিম আহমদ একাধিক মামলার আসামি। ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে উঠে আসা সেলিম সিলেট সিটির সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ারুজ্জামানের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শন ও বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা বাড়তে থাকে। ৫ আগস্টের ঘটনার পর থেকে সেও পলাতক।

‎পরিবারের সদস্যরা জানান,,,নিখোঁজের ঘটনায় থানায় অভিযোগ করার কথা ভাবলেও নিরাপত্তাহীনতা ও প্রতিশোধের আশঙ্কায় পরিবার এখনো অভিযোগ করতে পারেনি। পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রতিদিনই তাদের উদ্বেগ বাড়ছে কদরিছ মিয়া জীবিত না মৃত, কিছুই জানা যাচ্ছে না।

‎এই বিষয়ে ওসমানীনগর উপজেলা প্রশাসনের কাছে জানতে চাইলে তারা বলে আমরা শুনেছি এরকম একজনকে পাওয়া যাচ্ছেনা,তবে লিখিত কোন অভিযোগ পাই নাই। অভিযোগ পেলে প্রোয়োজনিয় ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে।

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সিলেট-৪ আসনে বিএনপির প্রাথী হচ্ছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী।

বুধবার রাতে আরিফুল হক চৌধুরী নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তবে বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোন ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

গত সোমবার দেশের অন্যান্য আসনের সাথে সিলেটের ৪ টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে বিএনপি। তবে সিলেট-৪ ও সিলেট-৫ আসনে সেদিন কোন প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি।

বিএনপি সূত্রে জানা যায়, আরিফুল হককে দল থেকে একাধিকবার সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে তাতে সম্মত হননি আরিফ। তিনি সবসময়ই সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে সিলেট-১ আসন অথবা সিঠের সিটি নির্বাচনের মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে আসছিলেন।সর্বশেষ সোমবার বিভিন্ন আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণার পর মঙ্গলবার বিএনপির শীর্ষ নেতবেৃন্দের পক্ষ থেকে জরুরী তলব দিয়ে আরিফকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে মঙ্গলবার ও বুধবার আরিফের সাথে দফায় দফায় বৈঠক করেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা। এসব বৈঠকে আরিফুল হককে সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি প্রথমে সম্মত হননি বলে জানা গেছে। এরপর বুধবার রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তাঁকে বাসায় ডেকে পাঠান।রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবনে চেয়ারপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে আরিফুল হক ওই আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হন।সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার কথা জানিয়ে ঢাকা থেকে রাতে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, “চেয়ারপারসন আমাদের জাতীয় মুরুব্বী। তাঁর নির্দেশে আমি সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হয়েছি। দলের প্রয়োজনে আমি বারবার নির্দেশ পালন করে আসছি। আজকের সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করার আদেশ মাথা পেতে মেনে নিয়েছি।