শাহপরান(রহঃ) মাজারে ওরস: শিরনি বিতরণে ‘পুলিশের আপত্তি’,
তারিখ লোড হচ্ছে...
সর্বশেষ লাইভ ই-পেপার
       
খুঁজুন                
                               
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

শাহপরান(রহঃ) মাজারে ওরস: শিরনি বিতরণে ‘পুলিশের আপত্তি’,

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫, ১০:১৯ পূর্বাহ্ণ
শাহপরান(রহঃ) মাজারে ওরস: শিরনি বিতরণে ‘পুলিশের আপত্তি’,

সিলেটের হযরত শাহপরান (রহঃ) মাজার শরিফের বার্ষিক ওরস শুরু হয়েছে বৃহস্পতিবার। গতবছরের অপ্রীতিকর ঘটনার পর এবার প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তবে নিরাপত্তা জোরদার সত্ত্বেও ওরসে এবার ভক্ত আশেকানদের উপস্থিতি একেবারেই কম।

এছাড়া অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ওরসের শিরনি বিতরণ করতে না করতে আপত্তি জানেয়েছে পুলিশ। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মাজার কমিটির সদস্যসহ অনেকে।

প্রায় ৭০০ বছরের ঐতিহ্য সিলেটের হযরত শাহপরান (রহঃ) মাজার শরিফের বাৎসরিক পবিত্র ওরস। খতমে কোরআন, দোয়া, জিকির, মিলাদ, গিলাফ চড়ানো, গরু জবেহ, ফাতেহা পাঠ ও শেষ দিন বাদ ফজর আখেরি মোনাজাতের পর শিরনি বিতরণ করে শেষ হয় ওরস। এটাই ছিল শাহপরান (রহ.)-এর মাজারের ওরসের কার্যক্রম।

তবে এবার শিরনি বিতরণ করতে দেওয়া হচ্ছে না মাজার কর্তৃপক্ষকে। শিরনি বিতরণে মারামারি হয় তাই প্রশাসন নির্দেশে এবার শিরনি বিতরণ বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানান শাহপরান (রহ.)-এর মাজারের খাদেম আব্দুল আজিজ।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হযরত শাহপরান (রহ.) মাজার ওরসকে কেন্দ্র করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ওরসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তা, ডিজিএফআই, এনএসআই, র‍্যাব-৯, সেনাবাহিনী, সিলেট সিটি কর্পোরেশন, সিভিল সার্জন সিলেট, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সিলেট, ইসলামিক ফাউন্ডেশন সিলেট, ইমাম সমিতি সিলেট, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, অসামাজিক ও অনৈসলামিক কার্যকলাপ প্রতিরোধ কমিটির সদস্যবৃন্দ, হযরত শাহ্পরান (রহ.) সিলেট  মাজার কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং হযরত শাহপরান (রহঃ) মাজারের মোতাওয়াল্লী ও খাদেমসহ  বিভিন্ন সংস্থার সদস্য ও প্রতিনিধিসহ সমন্বয় সভাও করেছে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ।

সভা শেষে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বলা হয়েছে মাজার ও আশপাশের এলাকায় পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন থাকবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য। নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করতে ড্রোন ক্যামেরার মাধ্যমে পুরো এলাকা মনিটরিং করা হবে। প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ নিয়ে তদারকি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদারকি কমিটির সদ্যবৃন্দ পালাক্রমে দায়িত্ব পালন করবেন এবং সার্বক্ষণিকভাবে এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে কাজ করবেন।

হযরত শাহপরান (রহঃ) মাজার শরীফের বাৎসরিক পবিত্র ওরসের ৭০০ বছরের ইতিহাসে এর আগে করোনা মহামারির জন্য একবার শাহপরান (রহ.)-এর মাজারের শিরনি বিতরণ বন্ধ রাখা হলেও ভয়ে কখনো শিরনি বিতরণ বন্ধ রাখা হয়নি। তাই প্রশাসনের সর্বস্তরে নিরাপত্তা থাকবে বলে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হলেও মারামারি ও মবের অজুহাত দিয়ে পবিত্র ওরসের শিরনি বিতরণ বন্ধ করা নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে প্রশ্নের সম্মুখীন করছে বলে মনে করেন সিলেট ঐতিহ্য রক্ষাকারী সংগঠন ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।

এ ব্যাপারে শাহপরান (রহ.)-এর মাজারের খাদেম আব্দুল আজিজ বলেন, প্রশাসনের সবাইকে নিয়ে একটি সভা করা হয়। সেই সভায় আমাদেরকে বলা হয় শিরনি বিতরণে মারামারি হয় তাই এবার শিরনি বিতরণ করা যাবে না। কিন্তু বিগত সময় ওরসের নিরাপত্তায় কয়েকজন পুলিশ থাকলেও শিরনি বিতরণে কখনো মারামারি হয়নি। এখন সবাই বলে দেশের পরিস্থিতি ভাল না। তাই এসব মানতে হবে। আমাদের কিছু করার নেই। তারা যে সিদ্ধান্ত দিয়েছে আমরা মে নে নিয়েছি।

পরিবেশ ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি রেজাউল কিবরিয়া বলেন,  বিগত কোনো সময়ই শাহপরান মাজারে শিরনি বিতরণ নিয়ে মারামারি হতে শুনিনি। এবার যদি মব বা মারামারির অজুহাতে শিরনি বিতরণ কার্যক্রম বন্ধ করা হয় তাহলে এটা খুবই অন্যায় একটা সিদ্ধান্ত। প্রশাসন ভূমিকা নিচ্ছে কিন্তু চোখ কান বন্ধ রেখে হাত পা গুটিয়ে। ওরসের শিরনিও এটাও একটি ঐতিহ্য। ধর্মীয় দিক ছাড়াও শিরনি বিতরণ আমাদের সংস্কৃতির অংশ। আমরা কোনো ভাবেই শিরনি বিতরণের বন্ধের পক্ষে না। যেহেতু প্রশাসন সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের দায়িত্বে তাই প্রশাসনকেই এই নিরাপত্তা দিতে হবে। প্রশাসন যদি সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেয় তাহলেতো মাজারের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি অনুযায়ী সব কার্যক্রম করা সম্ভব। এই মাজারের ৭০০ বছরের কার্যক্রমতো আর এমনিতেই হচ্ছে না। এর মাধ্যমে এই মাজারের ঐতিহ্যকে ধ্বংস করা হচ্ছে।  ৭০০ বছর ধরে যে ঐতিহ্য রক্ষা করা হচ্ছে এটা রক্ষার দায়িত্ব সরকারের জনগণের সবার।

সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এমাদ উল্লাহ শহিদুল ইসলাম শাহিন বলেন, আমরা মনে করি হযরত শাহজালাল, শাহপরান (রহ.) মাজারের ওরসের মূল বিষয়বস্তুর অন্যতম হলো শিরনি বিতরণ। এই শিরনি ধনী গরিব সবাই খান। বিশেষ করে যারা গরিব মানুষ তারা এখানে একবেলা বা দুইবেলার আহার পান। শিরনি বিতরণ বন্ধ করা অবশ্যই দুঃখজনক। প্রশাসনের এত নিরাপত্তার পরও নিরাপত্তার অজুহাত কিভাবে তোলা হয়।

সেভ দ্য হেরিটেজ এন্ড এনভায়রনমেন্টের প্রধান সমন্বয়কারী আব্দুল হাই আল হাদী বলেন, শাহপরান মাজারে ওরস ৭০০ বছরের ঐতিহ্য। আমি কখনো শুনিনি ওরসে শিরনি নিয়ে মারামারি হয়েছে। মারামারি হবে এই অজুহাতে ওরসে শিরনি বিতরণ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে মাথা ব্যথা হলে মাথা কেটে ফেলে দেওয়ার মত। এ বিষয়টিতে সিদ্ধান্ত আরও গুরুত্ব-সহকারে নেওয়া উচিত ছিল। এবং যেহেতু বলা হচ্ছে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা প্রশাসন দিবে তাহলে শিরনি বিতরণ কেন করা যাবে না। মাজারের শিরনি নিয়ে মানুষের আবেগ জড়িত থাকে। অনেকে সারা বছর অপেক্ষা করেন ওরসের। কারণ অনেক মানুষ বিভিন্ন মানত করেও ওরসের শিরনি খান ও বিতরণ করেন। তাই ওরসে শিরনি বিতরণ না করার সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই যৌক্তিক না।

এ ব্যাপারে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. রেজাউল করিমের মোবাইলে কল করলে তিনি রিসিভ করেননি।

তবে পুলিশ কমিশনার দুদিন আগে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছিলেন, ‘পবিত্র ওরস চলাকালীন মাজারের পবিত্রতা ও ধর্মীয় মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। মাজার এলাকা ও আশপাশে যেন কোনোভাবে নাচ-গান, অইসলামিক কোনো কার্যকলাপ না ঘটে, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি থাকবে।’

এ ব্যাপারে সিলেটের জেলা প্রশাসক জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম বলেন, হযরত শাহপরান (রহঃ) মাজার শরিফের বাৎসরিক ওরস নিয়ে আমার কাছে কেউ আসেনি। তাই আমি এই ব্যাপার নিয়ে বলতেও পারবো না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে হয়তো এমন ইন্সট্রাকশন দেওয়া হয়েছে। যেটা করলে সমস্যা হতে পারে সেটা করতে দেওয়া ঠিক হবে না। আমি বিষয়টি জানি না। তবে যেহেতু এমন একটি সিদ্ধান্ত হয়েছে আলোচনা করেই হয়তো সিদ্ধান্ত হয়েছে।

রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৪১ অপরাহ্ণ
রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

স্টাফরিপোর্টার:: মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার বর্ণীতে আয়োজিত এক সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেছেন, মানবকল্যাণে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। তারা বলেন, অসহায় ও আর্তমানবতার সেবার মাধ্যমে যেমন মহান স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়, তেমনি পাওয়া যায় মানুষের ভালোবাসা। মানবসেবাকে ইবাদতের সঙ্গে তুলনা করে বক্তারা আরও বলেন, এতিম-অসহায়দের সহায়তা এবং দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে কাজ করলে ইহকাল ও পরকালে কল্যাণ অর্জিত হয়। মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেয়ে বড় আনন্দ আর কিছু নেই বলেও উল্লেখ করেন তারা।শুক্রবার বিকেলে পীরে কামেল ওস্তাজুল উলামা আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.) প্রতিষ্ঠিত রহমানিয়া টুকা হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ উপলক্ষে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে এবং মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল আলিম ও সহ-সুপার মাহফুজুর রহমানের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত ব্যক্তি ছিলেন যুক্তরাজ্যপ্রবাসী, লন্ডন অক্সফোর্ড জামে মসজিদের খতিব ও বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা হেলাল আহমদ খান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আঞ্জুমানে আল ইসলাহ’র মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা এ. কে. এম. মনোয়ার আলী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিবপুর কেশবপুর কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হাকিম, দৈনিক রূপালী বাংলাদেশের সিলেট ব্যুরো প্রধান কবি সালমান ফরিদ এবং মাথিউরা ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মুফতি তকি উদ্দিন।আনন্দ টেলিভিশনের সিলেট প্রতিনিধি তাহের আহমদ।
বিয়ানীবাজার সহকারী শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হোসেন আহমদ, সায়রা মুক্তাদির দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুল হামিদ মাস্টার সফর উদ্দিনসহ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.)-এর জীবন ও কর্ম নিয়ে একটি স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। আয়োজকরা জানান, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির আগেই গ্রন্থটি প্রকাশ করা হবে ।

ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ
ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার দয়ামির ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কদরিছ  মিয়া প্রায় এক বছর ধরে নিখোঁজ রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। তিনি বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন ওসমানীনগর উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রলীগ নেতা সেলিম আহমদের পিতা।


‎পরিবার জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের পটপরিবর্তনের পর তাদের বাড়িতে হামলা হয়। রাজনৈতিক উত্তেজনা ও একাধিক মামলার কারণে এ সময় সেলিম আহমদ ও তার বাবা আত্মগোপনে ছিলেন। পরিবারের দাবি প্রায় এক বছর ধরে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। তার মোবাইল ফোন বন্ধ, আত্মীয়দের বাসাতেও নেই। তিনি জীবিত না মৃত এ নিয়েও নিশ্চিত হতে পারছেননা তারা।

‎স্থানীয় সূত্র জানায়, কদরিছ মিয়ার ছেলে ছাত্রলীগের ক্যাডার সেলিম আহমদ একাধিক মামলার আসামি। ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে উঠে আসা সেলিম সিলেট সিটির সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ারুজ্জামানের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শন ও বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা বাড়তে থাকে। ৫ আগস্টের ঘটনার পর থেকে সেও পলাতক।

‎পরিবারের সদস্যরা জানান,,,নিখোঁজের ঘটনায় থানায় অভিযোগ করার কথা ভাবলেও নিরাপত্তাহীনতা ও প্রতিশোধের আশঙ্কায় পরিবার এখনো অভিযোগ করতে পারেনি। পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রতিদিনই তাদের উদ্বেগ বাড়ছে কদরিছ মিয়া জীবিত না মৃত, কিছুই জানা যাচ্ছে না।

‎এই বিষয়ে ওসমানীনগর উপজেলা প্রশাসনের কাছে জানতে চাইলে তারা বলে আমরা শুনেছি এরকম একজনকে পাওয়া যাচ্ছেনা,তবে লিখিত কোন অভিযোগ পাই নাই। অভিযোগ পেলে প্রোয়োজনিয় ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে।

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সিলেট-৪ আসনে বিএনপির প্রাথী হচ্ছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী।

বুধবার রাতে আরিফুল হক চৌধুরী নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তবে বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোন ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

গত সোমবার দেশের অন্যান্য আসনের সাথে সিলেটের ৪ টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে বিএনপি। তবে সিলেট-৪ ও সিলেট-৫ আসনে সেদিন কোন প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি।

বিএনপি সূত্রে জানা যায়, আরিফুল হককে দল থেকে একাধিকবার সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে তাতে সম্মত হননি আরিফ। তিনি সবসময়ই সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে সিলেট-১ আসন অথবা সিঠের সিটি নির্বাচনের মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে আসছিলেন।সর্বশেষ সোমবার বিভিন্ন আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণার পর মঙ্গলবার বিএনপির শীর্ষ নেতবেৃন্দের পক্ষ থেকে জরুরী তলব দিয়ে আরিফকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে মঙ্গলবার ও বুধবার আরিফের সাথে দফায় দফায় বৈঠক করেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা। এসব বৈঠকে আরিফুল হককে সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি প্রথমে সম্মত হননি বলে জানা গেছে। এরপর বুধবার রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তাঁকে বাসায় ডেকে পাঠান।রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবনে চেয়ারপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে আরিফুল হক ওই আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হন।সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার কথা জানিয়ে ঢাকা থেকে রাতে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, “চেয়ারপারসন আমাদের জাতীয় মুরুব্বী। তাঁর নির্দেশে আমি সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হয়েছি। দলের প্রয়োজনে আমি বারবার নির্দেশ পালন করে আসছি। আজকের সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করার আদেশ মাথা পেতে মেনে নিয়েছি।