সাদাপাথর লুট: ডিসির আল্টিমেটাম শেষ, বুধবার থেকে অভিযান
তারিখ লোড হচ্ছে...
সর্বশেষ লাইভ ই-পেপার
       
খুঁজুন                
                               
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

সাদাপাথর লুট: ডিসির আল্টিমেটাম শেষ, বুধবার থেকে অভিযান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৫, ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ
সাদাপাথর লুট: ডিসির আল্টিমেটাম শেষ, বুধবার থেকে অভিযান

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জের লুট হওয়া সাদাপাথর স্বেচ্ছায় ফিরিয়ে দিতেগিত শনিবার তিনদিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন নবাগত জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম।

সময়সীমা বেঁধে দিয়ে এক গণবিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার সন্ধ্যার মধ্যে নিজ উদ্যোগে, নিজে খরচে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। আজ সন্ধ্যার পর সেই সময় সীমা শেষ হয়েছে। ফলে বুধবার থেকে লুট হওয়া পাথর উদ্ধারে অভিযানে নামছে জেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার বিকেলে সাদাপাথর পরিদর্শনে গিয়ে জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলমও এমন তথ্য জানিয়েছেন।

পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক বলেন, আজকের (মঙ্গলবারের) পর থেকে যাদের কাছে লুটের পাথর পাওয়া যাবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাল (বুধবার) সকাল থেকেই এই অভিযান শুরু হবে।

বেঁধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যে সাড়ে ৬ লক্ষ ঘনফুট পাথর লোকজন স্বেচ্ছায় জমা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক। এছাড়া  মোট ২৬ লক্ষ ঘনফুট পাথর উদ্ধার করা হয়েছে।

এরআগে শনিবার এ ব্যাপারে একটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছিলো জেলা প্রশাসন। এ ব্যাপারে গত কয়েকদিন কোম্পানীগঞ্জ ও গোয়াইনঘাট  উপজেলায় মাইকিংও করা হয়।

তখন সিলেটের ডিসি সারোয়ার আলম জানান, এখনো কোম্পানীগঞ্জ ও সিলেট সদর উপজেলায় কিছু পাথর অনেকে লুকিয়ে রেখেছেন। এসব পাথর উদ্ধারে শনিবার এ দুই উপজেলায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সভা করা হয়েছে। সভাশেষে তিনদিনের সময় দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

আর মঙ্গলবার সাদাপাথর পরিদর্শন শেষে কী পরিমান পাথর লুট হয়েছিলো সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটি নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। তবে আমার ধারণা আরও অন্তত ৩০ শতাংশ লুট হওয়া পাথর উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

সাদা পাথর পুণঃস্থাপন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটা অনেক কঠিন কাজ। এখন পর্যন্ত ১১ লক্ষ ঘনফুট পাথর প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এক সপ্তাহের মধ্যে বাকী পাথর পুণঃস্থাপন করা হবে। তিনি জানান, এ কাজে প্রতিদিন ৫০০ শ্রমিক, ৪০০ নৌকা, ৩০০ এর অধিক ট্র্রাক কাজ করছে।

সব পাথর পুণঃস্থাপন করা গেলে সাদাপাথরের সৌন্দর্য অনেকটা ফিরে আসবে জানিয়ে তিনি বলেন, তবে প্রাকৃতিকভাবে যেরকম পাথর বিছানো থাকে ঠিক সেরকম তো পুণঃস্থাপন করা সম্ভব হবে না, তবু আমরা চেষ্টা করছি।

পাথর পুণঃস্থাপনের পাশাপাশি আইনী কার্যক্রমও চলবে জানিয়ে তিনি বলেন, যারা পাথর লুট করেছে তাদের অবশ্যই গ্রেপ্তার করা হবে। তবে যারা নীরিহ ও নিরাপরাধ তারা যাতে হয়রানির শিকার না হয় সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে।

তিনি বলেন, অপরাধীদের নাম প্রকাশ করা হলে তারা পালিয়ে যাবে। তাই আমরা নাম প্রকাশ করছি না। তবে প্রকৃত দোষী আইনের আওতায় আসবে। পাথর উত্তোলনে কয়েক হাজার লোকজন জড়িত ছিলো। তবে যারা এতে নেতৃত্ব দিয়েছে তাদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।

লুটের ঘটনায় জেলা প্রশাসনের তদন্ত প্রতিবেদন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রিপোর্ট সরকারের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে পেরণ করা হয়েছে। উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটিও কাজ করছে। তাদের রিপোর্ট দেওয়ার পর দুটি প্রতিবেদন একসাথে কাজ করা হবে।

এদিকে, সাদাপাথর লুটপাটের ঘটনায় মঙ্গলবার থেকে তদন্তে নেমেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

সিআইডি জানায়, ‘সাদা পাথর’ লুটপাটের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে বিভিন্ন গোয়েন্দা তথ্য এবং গণমাধ্যমে প্রকাশিত একাধিক খবরের পরিপ্রেক্ষিতে ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট, সিআইডি মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন অনুযায়ী অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করেছে।

বিভিন্ন উৎস থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী লুটপাটের ঘটনায় প্রায় ৫০ জনের সংশ্লিষ্টতার প্রাথমিক অভিযোগ পাওয়া গেছে। এরপর সিআইডি এই অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরুর সিদ্ধান্ত নেয়। পরিবেশগত অপরাধ সংঘটন করে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার অভিপ্রায়ে সাদাপাথর লুটপাটের ঘটনায় যে বা যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সাদাপাথর লুটের ঘটনায় ইতোমধ্যে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। প্রতিবেদনে সাদাপাথর লুটে বিভিন্ন সরকারী প্রতিষ্ঠান ব্যক্তি ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা মিলিয়ে ৫৩ জনের সম্পৃক্ততা পেয়েছে বলে জানিয়েছে দুদক। এতে বিভাগীয় কমিশনার, ডিসি এসপি, ইউএনও, ওসি- সবাইকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া রাজনৈতিক নেতা ও ব্যবসায়ীরা লুটপাটে জড়িত উল্লেখ করে তাদের ৪২ জনের নাম প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, পাথর আত্মসাতের ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থাগুলোর নিষ্ক্রিয়তা ও যোগসাজশ ছিল।

এছাড়া জেলা প্রশাসন ঘটিত তদন্ত কমিটিও প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। এই প্রতিবেদনে লুটে শতাধিক ব্যক্তির সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানানো হলেও কারো নাম প্রকাশ করা হয়নি।

আর এক সচিবের নেতৃত্বে মন্ত্রী পরিষদ গঠিত উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি মঙ্গলবার থেকে কাজ শুরু করেছে।

সারা দেশে ৫১টি কোয়ারি (পাথর, বালু ইত্যাদি উত্তোলনের নির্দিষ্ট স্থান) রয়েছে। এর মধ্যে সিলেটের কানাইঘাট, কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুরে রয়েছে আটটি পাথর কোয়ারি। এর বাইরে সিলেটে আরও ১০টি জায়গায় পাথর রয়েছে। যেমন সাদাপাথর, জাফলং, বিছনাকান্দি ও উৎমাছড়া। এসব জায়গা পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

পাথর আসে সীমান্তের ওপারে ভারতের পাহাড়ি নদী থেকে। বহু বছর ধরে পানির স্রোতের সঙ্গে এসব পাথর এসে কোয়ারি তৈরি হয়েছে। ২০২০ সালের আগে সংরক্ষিত এলাকা বাদে সিলেটের আটটি কোয়ারি ইজারা দিয়ে পাথর উত্তোলনের সুযোগ দেওয়া হতো। তবে পরিবেশ ও প্রতিবেশের ক্ষতির কারণে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে কোয়ারি থেকে পাথর ও বালু উত্তোলন বন্ধে নির্দেশনা দেয় সরকার।

স্থানীয় সূত্র বলছে, এর পর থেকে স্থানীয় কিছু আওয়ামী লীগ নেতার পৃষ্ঠপোষকতায় রাতের আঁধারে অবৈধভাবে পাথর ও বালু উত্তোলন চলত। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সিলেটের সব কটি কোয়ারির নিয়ন্ত্রণ নেন বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতারা। তাঁদের পৃষ্ঠপোষকতায় কয়েক হাজার পাথরশ্রমিক প্রকাশ্যে পাথর উত্তোলন শুরু করে।

রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৪১ অপরাহ্ণ
রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

স্টাফরিপোর্টার:: মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার বর্ণীতে আয়োজিত এক সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেছেন, মানবকল্যাণে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। তারা বলেন, অসহায় ও আর্তমানবতার সেবার মাধ্যমে যেমন মহান স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়, তেমনি পাওয়া যায় মানুষের ভালোবাসা। মানবসেবাকে ইবাদতের সঙ্গে তুলনা করে বক্তারা আরও বলেন, এতিম-অসহায়দের সহায়তা এবং দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে কাজ করলে ইহকাল ও পরকালে কল্যাণ অর্জিত হয়। মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেয়ে বড় আনন্দ আর কিছু নেই বলেও উল্লেখ করেন তারা।শুক্রবার বিকেলে পীরে কামেল ওস্তাজুল উলামা আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.) প্রতিষ্ঠিত রহমানিয়া টুকা হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ উপলক্ষে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে এবং মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল আলিম ও সহ-সুপার মাহফুজুর রহমানের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত ব্যক্তি ছিলেন যুক্তরাজ্যপ্রবাসী, লন্ডন অক্সফোর্ড জামে মসজিদের খতিব ও বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা হেলাল আহমদ খান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আঞ্জুমানে আল ইসলাহ’র মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা এ. কে. এম. মনোয়ার আলী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিবপুর কেশবপুর কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হাকিম, দৈনিক রূপালী বাংলাদেশের সিলেট ব্যুরো প্রধান কবি সালমান ফরিদ এবং মাথিউরা ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মুফতি তকি উদ্দিন।আনন্দ টেলিভিশনের সিলেট প্রতিনিধি তাহের আহমদ।
বিয়ানীবাজার সহকারী শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হোসেন আহমদ, সায়রা মুক্তাদির দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুল হামিদ মাস্টার সফর উদ্দিনসহ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.)-এর জীবন ও কর্ম নিয়ে একটি স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। আয়োজকরা জানান, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির আগেই গ্রন্থটি প্রকাশ করা হবে ।

ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ
ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার দয়ামির ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কদরিছ  মিয়া প্রায় এক বছর ধরে নিখোঁজ রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। তিনি বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন ওসমানীনগর উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রলীগ নেতা সেলিম আহমদের পিতা।


‎পরিবার জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের পটপরিবর্তনের পর তাদের বাড়িতে হামলা হয়। রাজনৈতিক উত্তেজনা ও একাধিক মামলার কারণে এ সময় সেলিম আহমদ ও তার বাবা আত্মগোপনে ছিলেন। পরিবারের দাবি প্রায় এক বছর ধরে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। তার মোবাইল ফোন বন্ধ, আত্মীয়দের বাসাতেও নেই। তিনি জীবিত না মৃত এ নিয়েও নিশ্চিত হতে পারছেননা তারা।

‎স্থানীয় সূত্র জানায়, কদরিছ মিয়ার ছেলে ছাত্রলীগের ক্যাডার সেলিম আহমদ একাধিক মামলার আসামি। ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে উঠে আসা সেলিম সিলেট সিটির সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ারুজ্জামানের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শন ও বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা বাড়তে থাকে। ৫ আগস্টের ঘটনার পর থেকে সেও পলাতক।

‎পরিবারের সদস্যরা জানান,,,নিখোঁজের ঘটনায় থানায় অভিযোগ করার কথা ভাবলেও নিরাপত্তাহীনতা ও প্রতিশোধের আশঙ্কায় পরিবার এখনো অভিযোগ করতে পারেনি। পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রতিদিনই তাদের উদ্বেগ বাড়ছে কদরিছ মিয়া জীবিত না মৃত, কিছুই জানা যাচ্ছে না।

‎এই বিষয়ে ওসমানীনগর উপজেলা প্রশাসনের কাছে জানতে চাইলে তারা বলে আমরা শুনেছি এরকম একজনকে পাওয়া যাচ্ছেনা,তবে লিখিত কোন অভিযোগ পাই নাই। অভিযোগ পেলে প্রোয়োজনিয় ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে।

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সিলেট-৪ আসনে বিএনপির প্রাথী হচ্ছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী।

বুধবার রাতে আরিফুল হক চৌধুরী নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তবে বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোন ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

গত সোমবার দেশের অন্যান্য আসনের সাথে সিলেটের ৪ টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে বিএনপি। তবে সিলেট-৪ ও সিলেট-৫ আসনে সেদিন কোন প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি।

বিএনপি সূত্রে জানা যায়, আরিফুল হককে দল থেকে একাধিকবার সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে তাতে সম্মত হননি আরিফ। তিনি সবসময়ই সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে সিলেট-১ আসন অথবা সিঠের সিটি নির্বাচনের মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে আসছিলেন।সর্বশেষ সোমবার বিভিন্ন আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণার পর মঙ্গলবার বিএনপির শীর্ষ নেতবেৃন্দের পক্ষ থেকে জরুরী তলব দিয়ে আরিফকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে মঙ্গলবার ও বুধবার আরিফের সাথে দফায় দফায় বৈঠক করেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা। এসব বৈঠকে আরিফুল হককে সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি প্রথমে সম্মত হননি বলে জানা গেছে। এরপর বুধবার রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তাঁকে বাসায় ডেকে পাঠান।রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবনে চেয়ারপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে আরিফুল হক ওই আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হন।সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার কথা জানিয়ে ঢাকা থেকে রাতে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, “চেয়ারপারসন আমাদের জাতীয় মুরুব্বী। তাঁর নির্দেশে আমি সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হয়েছি। দলের প্রয়োজনে আমি বারবার নির্দেশ পালন করে আসছি। আজকের সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করার আদেশ মাথা পেতে মেনে নিয়েছি।