আন্তর্জাতিক চাপ সত্ত্বেও রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি পেতে কেন এখনও দূরে ফিলিস্তিন
তারিখ লোড হচ্ছে...
সর্বশেষ লাইভ ই-পেপার
       
খুঁজুন                
                               
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

আন্তর্জাতিক চাপ সত্ত্বেও রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি পেতে কেন এখনও দূরে ফিলিস্তিন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২ আগস্ট, ২০২৫, ১১:৪৮ অপরাহ্ণ
আন্তর্জাতিক চাপ সত্ত্বেও রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি পেতে কেন এখনও দূরে ফিলিস্তিন

প্রথম ফ্রান্স, তারপর যুক্তরাজ্য এবং সম্প্রতি কানাডা—বিশ্বের তিনটি শক্তিশালী পশ্চিমা দেশ ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের দাবিতে তাদের অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক শক্তি যুক্ত করে বাড়াচ্ছে চাপ। ইতিমধ্যে ১৪০টিরও বেশি দেশ এই ধারণাকে সমর্থন জানিয়েছে।

এই পদক্ষেপগুলোর পেছনে বিভিন্ন উদ্দেশ্য রয়েছে—ইসরায়েলের প্রতি হতাশা, অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপ বা গাজায় ক্ষুধার্ত ফিলিস্তিনিদের ছবি দেখে বিশ্বজুড়ে তৈরি হওয়া ক্ষোভ। কারণ যাই হোক, ফিলিস্তিনিরা এই ঘোষণাগুলোকে তাদের সংগ্রামের জন্য একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখছে।

অন্যদিকে, ইসরায়েলি সরকার এই দাবিগুলোকে ‘সন্ত্রাসবাদকে পুরস্কৃত করার শামিল’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।

এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর প্রতি ক্রমশ হতাশ হচ্ছেন, বিশেষত গাজায় দুর্ভিক্ষ নিয়ে।

নেতানিয়াহু এই দুর্ভিক্ষের কথা অস্বীকার করলেও, পরিস্থিতি ট্রাম্পকে বিচলিত করেছে। ট্রাম্প আঞ্চলিক শান্তি চান এবং এর মাধ্যমে নোবেল শান্তি পুরস্কারের মতো স্বীকৃতি পেতে আগ্রহী।

তিনি চান সৌদি আরব যেন ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে। কিন্তু রিয়াদ স্পষ্ট জানিয়েছে যে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের একটি অপরিবর্তনীয় রোডম্যাপ ছাড়া এটি সম্ভব নয়।

ফ্রান্স, ব্রিটেন ও কানাডার সাম্প্রতিক পদক্ষেপ—যদিও অনেকাংশে প্রতীকী; ওয়াশিংটনকে ইসরায়েলের সমর্থনে ক্রমশ বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে।

ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠন গাজায় দুই বছর ধরে চলা যুদ্ধের অবসান আনতে পারে, যেখানে হামাসের ৭ অক্টোবরের হামলার জবাবে ৬০,০০০-এরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।

এছাড়াও, এটি গাজায় আটক বন্দিদের মুক্তিতেও সহায়ক হতে পারে। কিন্তু সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো এই রাষ্ট্রটি কেমন হবে তা কল্পনা করা। কারণ আধুনিক ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র কখনই অস্তিত্বশীল ছিল না।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইসরায়েল প্রতিষ্ঠিত হলে দ্রুত আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পায়। কিন্তু ফিলিস্তিনিদের জন্য সেই সময়টি ‘আল-নাকবা’ বা ‘বিপর্যয়’ হিসেবে স্মরণীয়—যখন লাখো মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়। এরপর ১৯৬৭ সালের ‘ছয় দিনের যুদ্ধে’ ইসরায়েল পূর্ব জেরুজালেম, পশ্চিম তীর ও গাজা দখল করে নেয়।

অন্যদিকে, ফিলিস্তিনি ভূমি ক্রমশ সংকুচিত ও বিভক্ত হয়েছে।

১৯৯০-এর দশকের ‘অসলো চুক্তি’ ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের সবচেয়ে কাছাকাছি একটি রূপরেখা দিয়েছিল। এই চুক্তি অনুযায়ী, ১৯৬৭-এর সীমানাকে ভিত্তি করে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের কথা ছিল, যেখানে কিছু ভূমি বিনিময়ের মাধ্যমে ইসরায়েলি বসতিগুলো সরানো হতো।

তৎকালীন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ইৎজাক রাবিন ও ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাতের মধ্যে করা চুক্তি আধুনিক কূটনীতির একটি সাফল্য হিসেবেই বিবেচিত হয়। কিন্তু ১৯৯৫ সালে এক জঙ্গির হাতে রাবিন নিহত হলে শান্তি প্রক্রিয়া ভেস্তে যায়।

অসলোর কাঠামোর বাস্তবে কোনো অগ্রগতি নেই। ইসরায়েলি সরকারের উৎসাহে পশ্চিম তীরে ইহুদি বসতিগুলো ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত হয়েছে, যা একটি সংযুক্ত ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের সম্ভাবনাকে হুমকির মুখে ফেলেছে। এছাড়া, ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র কে শাসন করবে সে প্রশ্নও রয়েছে। পশ্চিম তীরের কিছু অংশ শাসনকারী ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে অনেক ফিলিস্তিনিই দুর্বল ও দুর্নীতিগ্রস্ত বলে মনে করে।

এই জটিলতাগুলো ছাড়াও, নেতানিয়াহু ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের ধারণাকে সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করেছেন, যাকে তিনি ‘ইসরায়েল ধ্বংসের সিঁড়ি’ বলে অভিহিত করেছেন। তার মন্ত্রিসভার কিছু সদস্য আরও চরমপন্থী, যারা শুধু স্বাধীন রাষ্ট্রের বিরোধীই নন, বরং এই অঞ্চলকে ইসরায়েলের সাথে যুক্ত করতে চান।

নেতানিয়াহুর সমর্থনকারী কিছু মন্ত্রী প্রকাশ্যে বলেছেন যে তারা গাজায় ফিলিস্তিনিদের খাদ্য সহায়তা দেয়ার বদলে ক্ষুধার্ত রাখতে চান। এমনকি নেতানিয়াহু যদি আন্তর্জাতিক চাপ মেনে নেওয়ার ইঙ্গিতও দেন, তাহলে তারা জোট সরকার ভেঙে দেবেন বলে হুমকি দিয়েছেন।

নেতানিয়াহু পিছু হটতে নারাজ, এবং ফ্রান্স, ব্রিটেন বা অন্য কোনো দেশের চাপকে তিনি ‘সম্মানের ব্যাজ’ হিসেবে দেখছেন। ইসরায়েলি সরকারের কোনো সহযোগিতা ছাড়া ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের স্বীকৃতি অর্থহীন হবে, বরং এটি নেতানিয়াহুর অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করতে পারে।

তবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ক্রমবর্ধমান চাপ ট্রাম্পকে তার অবস্থান পরিবর্তনে বাধ্য করতে পারে। সেক্ষেত্রে ইসরায়েলই রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়তে পারে, যতই তারা প্রতিবাদ করুক না কেন।

রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৪১ অপরাহ্ণ
রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

স্টাফরিপোর্টার:: মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার বর্ণীতে আয়োজিত এক সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেছেন, মানবকল্যাণে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। তারা বলেন, অসহায় ও আর্তমানবতার সেবার মাধ্যমে যেমন মহান স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়, তেমনি পাওয়া যায় মানুষের ভালোবাসা। মানবসেবাকে ইবাদতের সঙ্গে তুলনা করে বক্তারা আরও বলেন, এতিম-অসহায়দের সহায়তা এবং দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে কাজ করলে ইহকাল ও পরকালে কল্যাণ অর্জিত হয়। মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেয়ে বড় আনন্দ আর কিছু নেই বলেও উল্লেখ করেন তারা।শুক্রবার বিকেলে পীরে কামেল ওস্তাজুল উলামা আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.) প্রতিষ্ঠিত রহমানিয়া টুকা হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ উপলক্ষে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে এবং মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল আলিম ও সহ-সুপার মাহফুজুর রহমানের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত ব্যক্তি ছিলেন যুক্তরাজ্যপ্রবাসী, লন্ডন অক্সফোর্ড জামে মসজিদের খতিব ও বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা হেলাল আহমদ খান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আঞ্জুমানে আল ইসলাহ’র মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা এ. কে. এম. মনোয়ার আলী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিবপুর কেশবপুর কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হাকিম, দৈনিক রূপালী বাংলাদেশের সিলেট ব্যুরো প্রধান কবি সালমান ফরিদ এবং মাথিউরা ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মুফতি তকি উদ্দিন।আনন্দ টেলিভিশনের সিলেট প্রতিনিধি তাহের আহমদ।
বিয়ানীবাজার সহকারী শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হোসেন আহমদ, সায়রা মুক্তাদির দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুল হামিদ মাস্টার সফর উদ্দিনসহ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.)-এর জীবন ও কর্ম নিয়ে একটি স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। আয়োজকরা জানান, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির আগেই গ্রন্থটি প্রকাশ করা হবে ।

ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ
ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার দয়ামির ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কদরিছ  মিয়া প্রায় এক বছর ধরে নিখোঁজ রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। তিনি বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন ওসমানীনগর উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রলীগ নেতা সেলিম আহমদের পিতা।


‎পরিবার জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের পটপরিবর্তনের পর তাদের বাড়িতে হামলা হয়। রাজনৈতিক উত্তেজনা ও একাধিক মামলার কারণে এ সময় সেলিম আহমদ ও তার বাবা আত্মগোপনে ছিলেন। পরিবারের দাবি প্রায় এক বছর ধরে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। তার মোবাইল ফোন বন্ধ, আত্মীয়দের বাসাতেও নেই। তিনি জীবিত না মৃত এ নিয়েও নিশ্চিত হতে পারছেননা তারা।

‎স্থানীয় সূত্র জানায়, কদরিছ মিয়ার ছেলে ছাত্রলীগের ক্যাডার সেলিম আহমদ একাধিক মামলার আসামি। ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে উঠে আসা সেলিম সিলেট সিটির সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ারুজ্জামানের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শন ও বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা বাড়তে থাকে। ৫ আগস্টের ঘটনার পর থেকে সেও পলাতক।

‎পরিবারের সদস্যরা জানান,,,নিখোঁজের ঘটনায় থানায় অভিযোগ করার কথা ভাবলেও নিরাপত্তাহীনতা ও প্রতিশোধের আশঙ্কায় পরিবার এখনো অভিযোগ করতে পারেনি। পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রতিদিনই তাদের উদ্বেগ বাড়ছে কদরিছ মিয়া জীবিত না মৃত, কিছুই জানা যাচ্ছে না।

‎এই বিষয়ে ওসমানীনগর উপজেলা প্রশাসনের কাছে জানতে চাইলে তারা বলে আমরা শুনেছি এরকম একজনকে পাওয়া যাচ্ছেনা,তবে লিখিত কোন অভিযোগ পাই নাই। অভিযোগ পেলে প্রোয়োজনিয় ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে।

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সিলেট-৪ আসনে বিএনপির প্রাথী হচ্ছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী।

বুধবার রাতে আরিফুল হক চৌধুরী নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তবে বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোন ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

গত সোমবার দেশের অন্যান্য আসনের সাথে সিলেটের ৪ টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে বিএনপি। তবে সিলেট-৪ ও সিলেট-৫ আসনে সেদিন কোন প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি।

বিএনপি সূত্রে জানা যায়, আরিফুল হককে দল থেকে একাধিকবার সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে তাতে সম্মত হননি আরিফ। তিনি সবসময়ই সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে সিলেট-১ আসন অথবা সিঠের সিটি নির্বাচনের মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে আসছিলেন।সর্বশেষ সোমবার বিভিন্ন আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণার পর মঙ্গলবার বিএনপির শীর্ষ নেতবেৃন্দের পক্ষ থেকে জরুরী তলব দিয়ে আরিফকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে মঙ্গলবার ও বুধবার আরিফের সাথে দফায় দফায় বৈঠক করেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা। এসব বৈঠকে আরিফুল হককে সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি প্রথমে সম্মত হননি বলে জানা গেছে। এরপর বুধবার রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তাঁকে বাসায় ডেকে পাঠান।রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবনে চেয়ারপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে আরিফুল হক ওই আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হন।সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার কথা জানিয়ে ঢাকা থেকে রাতে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, “চেয়ারপারসন আমাদের জাতীয় মুরুব্বী। তাঁর নির্দেশে আমি সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হয়েছি। দলের প্রয়োজনে আমি বারবার নির্দেশ পালন করে আসছি। আজকের সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করার আদেশ মাথা পেতে মেনে নিয়েছি।