‘যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বন্ধ করা সম্ভব হবে না’
তারিখ লোড হচ্ছে...
সর্বশেষ লাইভ ই-পেপার
       
খুঁজুন                
                               
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

‘যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বন্ধ করা সম্ভব হবে না’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২৪, ১০:২৫ পূর্বাহ্ণ
‘যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বন্ধ করা সম্ভব হবে না’

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিজয় উদ্বেগে ফেলেছে অভিবাসীদের। অবৈধ অভিবাসীদের দেশ থেকে বের করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ও যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেশটির নাগরিকত্বপ্রাপ্তির যে আইন তা বাতিল ঘোষণার শঙ্কার বিষয়টি অনেককে দুশ্চিন্তায় ফেলেছে।

এসব বিষয়ে জাগো নিউজের সঙ্গে কথা বলেন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইমিগ্রেশন ল’ ফার্ম রাজু ল’ এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রিন্সিপাল অ্যাটর্নি রাজু মহাজন। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন ইসমাইল হোসাইন রাসেল।

রাজু মহাজন: এটা জটিল তো হবেই। কারণ ডোনাল্ড ট্রাম্প একটা বিশাল ক্ষমতা নিয়ে এবার প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন। গতবার যখন তিনি প্রেসিডেন্ট ছিলেন তখন অনেকটা অনভিজ্ঞ ছিলেন, প্রশাসন সম্পর্কে তার তেমন ধারণা ছিল না। এবার সেটি আছে। এর বাইরে হাউজ, কংগ্রেসসহ সব জায়গায় তাদের মেজরিটি। সাধারণত রিপাবলিকান প্রেসিডেন্টরা ইলেক্টোরাল কলেজ ভোটে জিতলেও পপুলার ভোটে জেতেন না। এবার তিনি পপুলার ভোটেও জিতেছেন। কাজেই একটি বিশাল ম্যান্ডেট নিয়ে প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন।

 

ফলে এখানে তার একটি ক্ষমতা থাকবেই এবং কিছু বিষয় তো প্রয়োগ হবেই। কিন্তু এটি বলে ‘বার্থ রাইট সিটিজেনশিপ’, যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ডে জন্ম হলেই সে জন্মসূত্রে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হয়। এটা একটা সাংবিধানিক বিষয়, সুতরাং এটি পরিবর্তন করা খুবই কঠিন। এটার জন্য দুই-তৃতীয়াংশ স্টেটের পার্লামেন্টে পাস করতে হবে। তারপর সিনেটে দুই-তৃতীয়াংশ পাস করতে হবে এবং হাউজে পাস করতে হবে। তারপরও সুপ্রিম কোর্টে এটা নিয়ে বিচার-আচার হতে পারে। আমার যেটা মন্তব্য- এটা পুরোপুরি বাতিল হবে না।

‘যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বন্ধ করা সম্ভব হবে না’

ট্রাম্প যেহেতু প্রেসিডেন্ট, তার হাতে অনেক ক্ষমতা থাকে। ফলে উনি প্রক্রিয়াটা অনেক জটিল করে দিতে পারেন। এখন যেমন অনেক বাংলাদেশি, ভারতীয় বা চায়নিজসহ অনেক দেশ থেকে মায়েরা যখন গর্ভবতী হয় তখন বাবা-মা যুক্তরাষ্ট্রে চলে আসে। কারণ জন্মের পরপরই জন্মসনদ পায়, সেটির পরই পাসপোর্টের আবেদন করা যায়। সাধারণত দু-তিন সপ্তাহ বা এক মাসের মধ্যেই পাসপোর্ট চলে আসে। পরে পাসপোর্টসহ বাচ্চাকে নিয়ে বাবা-মা চলে আসে। এটাকে অনেকটা ‘বার্থ ট্যুরিজম’ বলে।

বিজ্ঞাপন

 

রাজু মহাজন: এই বার্থ ট্যুরিজম বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা আছে। ট্রাম্প হয়তো সিস্টেমটা এমন করে দিল যে জন্মের সঙ্গে সঙ্গে বার্থ সার্টিফিকেট পেলেও পাসপোর্ট দ্রুত পাওয়া যাবে না। পাসপোর্ট পেতে হয়তো দু-তিন বছর অপেক্ষা করা লাগতে পারে। এরকম সিচ্যুয়েশনে যেটা হবে বাবা-মা বাচ্চা নিয়ে চলে আসতে বাধ্য হবে কিন্তু পাসপোর্ট পাবে না। পরবর্তীসময়ে হয়তো পাসপোর্ট পাবে তবে সেটি সহজ হবে না। ইমিগ্রেশনের সব জায়গায়ই আগামী চার বছর পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব না হলেও উনি প্রক্রিয়াগুলো আরও কঠিন করে ফেলবেন। বিশেষ করে অভিবাসী যারা, অ্যাসাইলামপ্রত্যাশীদের জীবন আরও কঠিন করে ফেলবেন বলে মনে হচ্ছে।

জাগো নিউজ: তার মানে কি জন্মসূত্রে নাগরিত্ব বন্ধ হচ্ছে না?

বিজ্ঞাপন

রাজু মহাজন: আমার মতামত হলো জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বন্ধ করা একেবারেই সম্ভব হবে না। কারণ এটা সাংবিধানিক বিষয়, যুক্তরাষ্ট্রে সংবিধান পরিবর্তন খুবই কঠিন। এটা হবে না।

 

রাজু মহাজন: যারা অ্যাসাইলাম চান তারা সঙ্গে সঙ্গে অবৈধ হন না। এটির লম্বা একটি প্রসেস আছে। প্রথমে ইউএসসিআইএস যেটা ফেডারেল এজেন্সি তাদের কাছে আবেদন করবে। সেখানে রিজেক্ট হলে কোর্টে যায়। কোর্টে যদি রিজেক্ট হয় এরপর আছে বোর্ড অব ইমিগ্রেশন অ্যাপিল সেখানে যায়। সেখানেও রিজেক্ট হলে সার্কিট কোর্টে যায়। সেখানেও রিজেক্ট হলে থিওরেটিক্যালি আবার একটি অ্যাসাইলাম আবেদন করা যায়। আর যদি নতুন আবেদন না করে তাহলে এটাই শেষ। কারণ সার্কিট কোর্ট থেকে তাকে একটি গ্রেস পিরিয়ড দেওয়া হয়। সেই সময়ের মধ্যে তিনি যদি নিজে থেকে আমেরিকা ছেড়ে চলে যান, তাহলে তিনি অবৈধ হন না। কিন্তু সেই সময়ের পরেও যদি তিনি আমেরিকা থেকে না যান, তখন তিনি অবৈধ হয়ে যান। এখন প্রায় ১১ মিলিয়ন অবৈধ অভিবাসী আছে। ট্রাম্প বলছেন সবাইকে বের করে দেবেন। কিন্তু আমার মনে হয় না তিনি সেটি করতে পারবেন। কারণ এ প্রক্রিয়া অনেক ব্যয়বহুল।

 

‘যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বন্ধ করা সম্ভব হবে না’

প্রথমে চিহ্নিত করতে হবে কোন কোন ব্যক্তি অবৈধ। তাদের গ্রেফতার করতে হবে। এরপর তাদের ডিটেনশন ফ্যাসিলিটিজে রাখতে হবে। সেখান থেকে যে দেশ থেকে এসেছেন সেই দেশের ট্রাভেল ডকুমেন্ট সংগ্রহ করতে হবে দূতাবাসের মাধ্যমে। এরপর তাকে প্লেনে তুলে দিতে হবে। কিন্তু প্লেনে তাকে একা তুলে দিতে পারে না, একজন সিকিউরিটি দিতে হয়। সবকিছু মিলে খুব ব্যয়বহুল একটি বিষয়। এই টাকা কোথা থেকে আসবে। আমরা জানি যুক্তরাষ্ট্রে কিন্তু খুব টাইট বাজেট হয় প্রতি বছর। এই টাকা সাধারণভাবেই মিলিটারি ফান্ড থেকে আসবে না, বর্ডার সিকিউরিটি থেকে আসবে না, ফলে টাকা আসবে কোথা থেকে? তাই ট্রাম্প যেটি চাচ্ছেন সেটি হয়তো পুরোপুরি পারবেন না। তবে বাইডেন বা তারও আগে ট্রাম্পের আমলে যতজনকে ফেরত পাঠানো হয়েছে তারচেয়ে বেশি ফেরত পাঠানো হবে বলে অনেকে ভয় পাচ্ছেন।

রাজু মহাজন: কিছু মানুষকে হয়তো ফেরত পাঠানো প্রথম থেকেই শুরু হবে। কারণ কিছুসংখ্যক এরই মধ্যে ডিটেনশন ফ্যাসিলিটিজে আছেন। তাদের হয়তো প্রথম দুই মাসে ফেরত পাঠালো। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। কিন্তু উনি যেভাবে বলছেন সবাইকে বের করে দেবেন, সেটি হবে না।

 

রাজু মহাজন: ডেমোক্রেটদের বড় বড় নেতার সঙ্গে বিশেষ করে ক্লিন্টন, জো বাইডেন, ওবামার সঙ্গে ড. ইউনূসের ব্যক্তিগত পর্যায়ের সম্পর্ক। যতই রাষ্ট্রীয় সম্পর্ক থাকুক ব্যক্তিগত সম্পর্কের তো একটা মূল্য থাকেই। বাইডেন প্রশাসনের সঙ্গে ড. ইউনূসের যে সুসম্পর্ক, ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে অতটা হয়তো থাকবে না। একটু চাপে থাকবে। যদিও তাদের ফরেন পলিসি এত দ্রুত পরিবর্তন হয় না। এশিয়া প্যাসিফিকে তারা মেজর ফরেন পলিসি নিয়ে চলছে। চীন ঠেকানোর পলিসি আছে, যেখানে বাংলাদেশ-ভারত ফ্যাক্টর। সুতরাং, খুব বেশি পরিবর্তন আসবে তা নয়। কিন্তু এখন যতটা উষ্ণ আছে অতটা থাকবে না।

রাজু মহাজন: ট্রাম্পের ব্যক্তিগত জীবন এবং তিনি কেবিনেটের জন্য যাদের নিয়েছেন তাদের গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে তিনি দুই ধরনের মানুষ নিয়েছেন। প্রথমত যারা ধনী ব্যবসায়ী, দ্বিতীয়ত কনজারভেটিভ খ্রিস্টান রাজনীতি করে আসা মানুষ। আমাদের প্রচুর খ্রিস্টান আছে আমেরিকায়, যারা বিভিন্ন চার্চের সঙ্গে জড়িত। তাদের বাংলাদেশের শুভেচ্ছা দূত হিসেবে কাজে লাগানো যেতে পারে। এতে খ্রিস্টান রাজনীতি করা যে নেতারা আছেন তাদের কাছে বাংলাদেশের শান্তি-শৃঙ্খলার মেসেজটি পৌঁছানো যেতে পারে।

 

অন্যদিকে ধনী ব্যবসায়ীদের যাদের ক্যাবিনেটে রেখেছেন তাদের অনেক ধরনের ব্যবসা আছে। যেমন ইলন মাস্ক। তার যে কোম্পানি টেসলা বা তার গিগা ফ্যাক্টরির প্ল্যান্ট বাংলাদেশে স্থাপন করার সুযোগ দেওয়া হলে বাংলাদেশে একদিকে বিদেশি বিনোয়োগ আসবে, কর্মসংস্থান হবে অন্যদিকে ইলন মাস্ক দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভূমিকা পালন করতে পারেন। এভাবে পরিকল্পনা করে কাজ করলে খুব বেশি সমস্যায় বাংলাদেশ পড়বে না।

রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৪১ অপরাহ্ণ
রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

স্টাফরিপোর্টার:: মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার বর্ণীতে আয়োজিত এক সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেছেন, মানবকল্যাণে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। তারা বলেন, অসহায় ও আর্তমানবতার সেবার মাধ্যমে যেমন মহান স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়, তেমনি পাওয়া যায় মানুষের ভালোবাসা। মানবসেবাকে ইবাদতের সঙ্গে তুলনা করে বক্তারা আরও বলেন, এতিম-অসহায়দের সহায়তা এবং দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে কাজ করলে ইহকাল ও পরকালে কল্যাণ অর্জিত হয়। মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেয়ে বড় আনন্দ আর কিছু নেই বলেও উল্লেখ করেন তারা।শুক্রবার বিকেলে পীরে কামেল ওস্তাজুল উলামা আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.) প্রতিষ্ঠিত রহমানিয়া টুকা হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ উপলক্ষে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে এবং মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল আলিম ও সহ-সুপার মাহফুজুর রহমানের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত ব্যক্তি ছিলেন যুক্তরাজ্যপ্রবাসী, লন্ডন অক্সফোর্ড জামে মসজিদের খতিব ও বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা হেলাল আহমদ খান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আঞ্জুমানে আল ইসলাহ’র মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা এ. কে. এম. মনোয়ার আলী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিবপুর কেশবপুর কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হাকিম, দৈনিক রূপালী বাংলাদেশের সিলেট ব্যুরো প্রধান কবি সালমান ফরিদ এবং মাথিউরা ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মুফতি তকি উদ্দিন।আনন্দ টেলিভিশনের সিলেট প্রতিনিধি তাহের আহমদ।
বিয়ানীবাজার সহকারী শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হোসেন আহমদ, সায়রা মুক্তাদির দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুল হামিদ মাস্টার সফর উদ্দিনসহ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.)-এর জীবন ও কর্ম নিয়ে একটি স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। আয়োজকরা জানান, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির আগেই গ্রন্থটি প্রকাশ করা হবে ।

ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ
ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার দয়ামির ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কদরিছ  মিয়া প্রায় এক বছর ধরে নিখোঁজ রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। তিনি বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন ওসমানীনগর উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রলীগ নেতা সেলিম আহমদের পিতা।


‎পরিবার জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের পটপরিবর্তনের পর তাদের বাড়িতে হামলা হয়। রাজনৈতিক উত্তেজনা ও একাধিক মামলার কারণে এ সময় সেলিম আহমদ ও তার বাবা আত্মগোপনে ছিলেন। পরিবারের দাবি প্রায় এক বছর ধরে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। তার মোবাইল ফোন বন্ধ, আত্মীয়দের বাসাতেও নেই। তিনি জীবিত না মৃত এ নিয়েও নিশ্চিত হতে পারছেননা তারা।

‎স্থানীয় সূত্র জানায়, কদরিছ মিয়ার ছেলে ছাত্রলীগের ক্যাডার সেলিম আহমদ একাধিক মামলার আসামি। ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে উঠে আসা সেলিম সিলেট সিটির সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ারুজ্জামানের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শন ও বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা বাড়তে থাকে। ৫ আগস্টের ঘটনার পর থেকে সেও পলাতক।

‎পরিবারের সদস্যরা জানান,,,নিখোঁজের ঘটনায় থানায় অভিযোগ করার কথা ভাবলেও নিরাপত্তাহীনতা ও প্রতিশোধের আশঙ্কায় পরিবার এখনো অভিযোগ করতে পারেনি। পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রতিদিনই তাদের উদ্বেগ বাড়ছে কদরিছ মিয়া জীবিত না মৃত, কিছুই জানা যাচ্ছে না।

‎এই বিষয়ে ওসমানীনগর উপজেলা প্রশাসনের কাছে জানতে চাইলে তারা বলে আমরা শুনেছি এরকম একজনকে পাওয়া যাচ্ছেনা,তবে লিখিত কোন অভিযোগ পাই নাই। অভিযোগ পেলে প্রোয়োজনিয় ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে।

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সিলেট-৪ আসনে বিএনপির প্রাথী হচ্ছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী।

বুধবার রাতে আরিফুল হক চৌধুরী নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তবে বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোন ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

গত সোমবার দেশের অন্যান্য আসনের সাথে সিলেটের ৪ টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে বিএনপি। তবে সিলেট-৪ ও সিলেট-৫ আসনে সেদিন কোন প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি।

বিএনপি সূত্রে জানা যায়, আরিফুল হককে দল থেকে একাধিকবার সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে তাতে সম্মত হননি আরিফ। তিনি সবসময়ই সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে সিলেট-১ আসন অথবা সিঠের সিটি নির্বাচনের মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে আসছিলেন।সর্বশেষ সোমবার বিভিন্ন আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণার পর মঙ্গলবার বিএনপির শীর্ষ নেতবেৃন্দের পক্ষ থেকে জরুরী তলব দিয়ে আরিফকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে মঙ্গলবার ও বুধবার আরিফের সাথে দফায় দফায় বৈঠক করেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা। এসব বৈঠকে আরিফুল হককে সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি প্রথমে সম্মত হননি বলে জানা গেছে। এরপর বুধবার রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তাঁকে বাসায় ডেকে পাঠান।রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবনে চেয়ারপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে আরিফুল হক ওই আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হন।সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার কথা জানিয়ে ঢাকা থেকে রাতে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, “চেয়ারপারসন আমাদের জাতীয় মুরুব্বী। তাঁর নির্দেশে আমি সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হয়েছি। দলের প্রয়োজনে আমি বারবার নির্দেশ পালন করে আসছি। আজকের সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করার আদেশ মাথা পেতে মেনে নিয়েছি।