শ্রম ও সড়ক পরিবহন আইন সংশোধনের দাবি
তারিখ লোড হচ্ছে...
সর্বশেষ লাইভ ই-পেপার
       
খুঁজুন                
                               
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

শ্রম ও সড়ক পরিবহন আইন সংশোধনের দাবি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৪, ৪:৪৯ অপরাহ্ণ
শ্রম ও সড়ক পরিবহন আইন সংশোধনের দাবি

মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে মূল ফটকে আয়োজিত এক সমাবেশে এ দাবি জানানো হয়েছে। সমাবেশ শেষে তারা শ্রম উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি দেবেন বলেও জানিয়েছেন।

 

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়নের কার্যকরী সভাপতি বিরেশ চন্দ্র দাশ এবং পরিচালনা করেন ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব বুলবুল।

ঢাকা জেলা ট্যাক্সি, ট্যাক্সি কার, অটোটেম্পু, অটোরিকশাচালক শ্রমিক ইউনিয়ন শ্রম আইন ও সড়ক পরিবহন আইন সংশোধন করে সারাদেশের জন্য একক আইন প্রণয়নের মাধ্যমে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত শ্রম অধিকারসমূহ সবার জন্য নিশ্চিত করার দাবিতে সমাবেশ করা হয়েছে।

 

একইসঙ্গে শ্রমিকরা প্রাইভেট কার-মাইক্রোবাসচালক, রাইডার, ই-প্ল্যাটফর্ম কর্মীসহ সব শ্রমিকের সুরক্ষা নিশ্চিত করে তাদের নিয়োগপত্র, কর্মঘণ্টা, চাকরির নিরাপত্তা, ন্যায্যমজুরি, অতিরিক্ত কাজের মজুরি, চাকরির অবসানে ক্ষতিপূরণ, উৎসব ভাতা, ছুটি, দুর্ঘটনায় আজীবন আয়ের মানদণ্ডে ক্ষতিপূরণ, ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার বাস্তবায়নের দাবি করেন।

 

 

ঢাকা জেলা ট্যাক্সি, ট্যাক্সি কার, অটোটেম্পু, অটোরিকশাচালক শ্রমিক ইউনিয়ন শ্রম আইন ও সড়ক পরিবহন আইন সংশোধন করে সারাদেশের জন্য একক আইন প্রণয়নের মাধ্যমে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত শ্রম অধিকারসমূহ সবার জন্য নিশ্চিত করার দাবিতে সমাবেশ করা হয়েছে।

 

একইসঙ্গে শ্রমিকরা প্রাইভেট কার-মাইক্রোবাসচালক, রাইডার, ই-প্ল্যাটফর্ম কর্মীসহ সব শ্রমিকের সুরক্ষা নিশ্চিত করে তাদের নিয়োগপত্র, কর্মঘণ্টা, চাকরির নিরাপত্তা, ন্যায্যমজুরি, অতিরিক্ত কাজের মজুরি, চাকরির অবসানে ক্ষতিপূরণ, উৎসব ভাতা, ছুটি, দুর্ঘটনায় আজীবন আয়ের মানদণ্ডে ক্ষতিপূরণ, ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার বাস্তবায়নের দাবি করেন।

 

 

মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে মূল ফটকে আয়োজিত এক সমাবেশে এ দাবি জানানো হয়েছে। সমাবেশ শেষে তারা শ্রম উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি দেবেন বলেও জানিয়েছেন।

 

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়নের কার্যকরী সভাপতি বিরেশ চন্দ্র দাশ এবং পরিচালনা করেন ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব বুলবুল।

 

 

 

 

সমাবেশে বক্তারা বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ শ্রমজীবী মানুষকে বঞ্চিত করে, তাদের জীবনকে অনিশ্চয়তার মধ্যে রেখে জুলাই আন্দোলনের চেতনায় বৈষম্যমুক্ত সমাজ গড়া সম্ভব হবে না। বৈষম্যের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা আন্দোলনকে বিজয়ের প্রান্তে পৌঁছানোর অন্যতম অংশীদার প্রাইভেট গাড়িরচালক, রাইডার, ই-প্ল্যাটফর্মের কর্মীসহ অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে কর্মরত লাখ লাখ শ্রমজীবী মানুষ।

 

বক্তারা আরও বলেন, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) গভর্নিং বডির সভায় সরকার আগামী মার্চ মাসের মধ্যে শ্রম আইন-২০০৬ সংশোধন করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এসেছে। এই সংশোধনী যেন ২০১৩ বা ২০১৮ এর মতো প্রতারণামূলক না হয় যা শ্রম অধিকারের সুরক্ষার পরিবর্তে শ্রমিকদের অধিকারকে সংকুচিত করে। বিদ্যমান শ্রম আইনকে আইএলও এর মৌলিক কনভেনশনসমূহ এবং আইএলও কনভেনশন ১০২, ১২১, ১৩১, ১৮৯ ও ১৯০ এর আলোকে এমনভাবে সংশোধন করতে হবে যেন ব্যক্তিগত গাড়ির চালক, রাইডার, ই-প্ল্যাটফর্ম কর্মীসহ সব শ্রমিকের অধিকারের সুরক্ষা একই আইনের অধীনে নিশ্চিত করা যায়।

তারা বলেন, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে ভয় দেখানোর চেয়ে গাড়ি চালকদের শারীরিক ও মানসিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া দরকার। সেজন্য সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর অপব্যবহার করে জরিমানা ব্যবসা ও দুর্নীতির সুযোগ বন্ধ করার পাশাপাশি গাড়ি চালকদের চাকরির শর্তাবলি ও সামাজিক সুরক্ষা উন্নত করার মাধ্যমে তাদের মধ্যে সামাজিক মর্যদা ও দায়িত্বশীলতার চেতনা গড়ে তোলার জন্য সমআচরণের পরিবেশ গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

 

সরকারকে উদ্দেশ্য করে বক্তারা বলেন, গাড়ি চালকদের শান্তিপূর্ণভাবে উত্থাপিত দাবিসমূহ বিবেচনায় নিয়ে শ্রম আইন এবং সড়ক পরিবহন আইনের প্রয়োজনীয় সংশোধন ও যথার্থ বাস্তবায়নের মাধ্যমে সবার জন্য সমান অধিকার নিশ্চিত করবেন। অন্যথায় গাড়িচালকের মানবিক জীবনের দাবি আদায়ে কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবো।

 

সমাবেশে বক্তব্য দেন, ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি মোহাম্মদ শাহাজালাল, যুগ্ম সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক, সহ-সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব, সাংগঠনিক সম্পাদক রুবেল মিয়া, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোশাররফ গেসেন, দপ্তর সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক জিল্লুর রহমান সবুজ, সহ-প্রচার সম্পাদক দুলাল হাওলাদার, ক্রীড়া সম্পাদক মোহাম্মদ শফিক, বাড্ডা উপ-কমিটির সভাপতি গোলাম রহমান।

রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৪১ অপরাহ্ণ
রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

স্টাফরিপোর্টার:: মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার বর্ণীতে আয়োজিত এক সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেছেন, মানবকল্যাণে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। তারা বলেন, অসহায় ও আর্তমানবতার সেবার মাধ্যমে যেমন মহান স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়, তেমনি পাওয়া যায় মানুষের ভালোবাসা। মানবসেবাকে ইবাদতের সঙ্গে তুলনা করে বক্তারা আরও বলেন, এতিম-অসহায়দের সহায়তা এবং দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে কাজ করলে ইহকাল ও পরকালে কল্যাণ অর্জিত হয়। মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেয়ে বড় আনন্দ আর কিছু নেই বলেও উল্লেখ করেন তারা।শুক্রবার বিকেলে পীরে কামেল ওস্তাজুল উলামা আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.) প্রতিষ্ঠিত রহমানিয়া টুকা হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ উপলক্ষে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে এবং মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল আলিম ও সহ-সুপার মাহফুজুর রহমানের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত ব্যক্তি ছিলেন যুক্তরাজ্যপ্রবাসী, লন্ডন অক্সফোর্ড জামে মসজিদের খতিব ও বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা হেলাল আহমদ খান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আঞ্জুমানে আল ইসলাহ’র মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা এ. কে. এম. মনোয়ার আলী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিবপুর কেশবপুর কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হাকিম, দৈনিক রূপালী বাংলাদেশের সিলেট ব্যুরো প্রধান কবি সালমান ফরিদ এবং মাথিউরা ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মুফতি তকি উদ্দিন।আনন্দ টেলিভিশনের সিলেট প্রতিনিধি তাহের আহমদ।
বিয়ানীবাজার সহকারী শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হোসেন আহমদ, সায়রা মুক্তাদির দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুল হামিদ মাস্টার সফর উদ্দিনসহ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.)-এর জীবন ও কর্ম নিয়ে একটি স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। আয়োজকরা জানান, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির আগেই গ্রন্থটি প্রকাশ করা হবে ।

ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ
ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার দয়ামির ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কদরিছ  মিয়া প্রায় এক বছর ধরে নিখোঁজ রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। তিনি বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন ওসমানীনগর উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রলীগ নেতা সেলিম আহমদের পিতা।


‎পরিবার জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের পটপরিবর্তনের পর তাদের বাড়িতে হামলা হয়। রাজনৈতিক উত্তেজনা ও একাধিক মামলার কারণে এ সময় সেলিম আহমদ ও তার বাবা আত্মগোপনে ছিলেন। পরিবারের দাবি প্রায় এক বছর ধরে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। তার মোবাইল ফোন বন্ধ, আত্মীয়দের বাসাতেও নেই। তিনি জীবিত না মৃত এ নিয়েও নিশ্চিত হতে পারছেননা তারা।

‎স্থানীয় সূত্র জানায়, কদরিছ মিয়ার ছেলে ছাত্রলীগের ক্যাডার সেলিম আহমদ একাধিক মামলার আসামি। ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে উঠে আসা সেলিম সিলেট সিটির সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ারুজ্জামানের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শন ও বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা বাড়তে থাকে। ৫ আগস্টের ঘটনার পর থেকে সেও পলাতক।

‎পরিবারের সদস্যরা জানান,,,নিখোঁজের ঘটনায় থানায় অভিযোগ করার কথা ভাবলেও নিরাপত্তাহীনতা ও প্রতিশোধের আশঙ্কায় পরিবার এখনো অভিযোগ করতে পারেনি। পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রতিদিনই তাদের উদ্বেগ বাড়ছে কদরিছ মিয়া জীবিত না মৃত, কিছুই জানা যাচ্ছে না।

‎এই বিষয়ে ওসমানীনগর উপজেলা প্রশাসনের কাছে জানতে চাইলে তারা বলে আমরা শুনেছি এরকম একজনকে পাওয়া যাচ্ছেনা,তবে লিখিত কোন অভিযোগ পাই নাই। অভিযোগ পেলে প্রোয়োজনিয় ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে।

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সিলেট-৪ আসনে বিএনপির প্রাথী হচ্ছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী।

বুধবার রাতে আরিফুল হক চৌধুরী নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তবে বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোন ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

গত সোমবার দেশের অন্যান্য আসনের সাথে সিলেটের ৪ টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে বিএনপি। তবে সিলেট-৪ ও সিলেট-৫ আসনে সেদিন কোন প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি।

বিএনপি সূত্রে জানা যায়, আরিফুল হককে দল থেকে একাধিকবার সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে তাতে সম্মত হননি আরিফ। তিনি সবসময়ই সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে সিলেট-১ আসন অথবা সিঠের সিটি নির্বাচনের মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে আসছিলেন।সর্বশেষ সোমবার বিভিন্ন আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণার পর মঙ্গলবার বিএনপির শীর্ষ নেতবেৃন্দের পক্ষ থেকে জরুরী তলব দিয়ে আরিফকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে মঙ্গলবার ও বুধবার আরিফের সাথে দফায় দফায় বৈঠক করেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা। এসব বৈঠকে আরিফুল হককে সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি প্রথমে সম্মত হননি বলে জানা গেছে। এরপর বুধবার রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তাঁকে বাসায় ডেকে পাঠান।রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবনে চেয়ারপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে আরিফুল হক ওই আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হন।সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার কথা জানিয়ে ঢাকা থেকে রাতে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, “চেয়ারপারসন আমাদের জাতীয় মুরুব্বী। তাঁর নির্দেশে আমি সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হয়েছি। দলের প্রয়োজনে আমি বারবার নির্দেশ পালন করে আসছি। আজকের সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করার আদেশ মাথা পেতে মেনে নিয়েছি।