প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যে আশাহত হয়েছি: ফখরুল
তারিখ লোড হচ্ছে...
সর্বশেষ লাইভ ই-পেপার
       
খুঁজুন                
                               
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যে আশাহত হয়েছি: ফখরুল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৪, ২:০০ অপরাহ্ণ
প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যে আশাহত হয়েছি: ফখরুল

জাতীয় নির্বাচনের রূপরেখা না দেয়ায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি আশাহত হয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ অবস্থায় অন্তর্বর্তী সরকারকে সংস্কার দৃশ্যমান করার আহ্বান জানিয়েছেন ফখরুল।

সোমবার (১৮ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে মওলানা ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

 

 

মির্জা ফখরুর বলেন, ‘আমরা একটা ক্রান্তিকাল পার করছি। রোববার (১৭ নভেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যে আমি আশাহত হয়েছি। ধারণা করেছিলাম, তিনি তার প্রজ্ঞা দিয়ে একটা নির্বাচনের রূপরেখা দেবেন। আমরা এখন পর্যন্ত আপনাকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু ফ্যাসিবাদের দোসররা সচিবালয়ে বসে আছেন। তারা তো আপনাকে সংস্কার করতে দেবেন না। তাই সংস্কার দৃশ্যমান করুন। তবুও মানুষ মেনে নিচ্ছে। তারা ভাবছে, আপনি একটা সুন্দর জিনিস দেবেন।’

 

তিনি বলেন,

আমরা অবশ্যই সংস্কার চাই। তবে এমন সময় যেনো না নেয়া হয়, যাতে জনগণের ভেতর ভ্রান্ত ধারণা তৈরি হয়। আমরা বলেছি, একজন দুবারের বেশি প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না। পার্লামেন্ট হতে হবে দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট। বিচার বিভাগের সংস্কারের কথা আগেও বলেছি আমরা। তারেক রহমানের কথা দেশবাসী ও তরুণরা গ্রহণ করছেন।

ফখরুল বলেন, ‘আমি যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শেষ বর্ষের ছাত্র, তখন পল্টনে মাওলানা ভাসানী ডাক দিয়েছিলেন। সমাবেশ নিষিদ্ধ ছিল। কিন্তু হাজার হাজার লোক হয়েছিল। আমরা কী করে তাকে ভুলবো? তিনি যখন অসুস্থ হয়ে পিজিতে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন, সে সময় তিনি জিয়াউর রহমানকে বলেছিলেন তুমি তরুণ; তুমি সৎ; তুমি পারবে।’

 

‘তাই আসুন আমরা মাওলানা সাহেবের আদর্শ ধারণ করে সামনের দিকে এগিয়ে যাই। আমরা বিশ্বাস করি, এ সরকার পারবে, এ দেশের মানুষ পারবে’, যোগ করেন বিএনপি মহাসচিব।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘রাজনীতি যদি ভুল হয়, তাহলে সে দলের ভরাডুবি হয়। যেমন এখন একটা পরিবর্তন এসেছে, এটাকে বুঝতে হবে যে ছেলেরা কী বলছে। ছাত্ররা অনেক কথা বলছে, তাদের অধিকারও আছে। আমরা ১৫ বছর ধরে জান দিয়েছি, প্রাণ দিয়েছি। যখন বিভাগীয় সমাবেশ করতাম তখন আমরা বলতাম তরুণরা না আসলে বুক পেতে গুলি নেবে কে? আমরা বয়স্করা চিন্তা করি, আমার কী হবে? আমার পরিবারের কী হবে? কাজেই ছাত্রদের সঙ্গে কোনো দূরত্ব তৈরি করা যাবে না।’

 

‘আমরা আবার একটু হিসাবি। সেজন্যই আমরা বলছি, দ্রুত নির্বাচন হওয়া দেশের জন্য মঙ্গল। এই সরকার যত বেশি দিন থাকবে ততই সমস্যা বাড়বে। কারণ এই সরকারের কোনো মেন্ডেড নেই। হাসিনা পালিয়েছেন কেন? কারণ তিনি বুঝতে ভুল করেছেন। তিনি আমাদের কথা শোনেননি। আবারও বলতে চাই, এমন কাজ না করি, যাতে দেশ অনিশ্চয়তার দিকে যায়’, যোগ করেন ফখরুল।

 

মাওলানা ভাসানী ব্যতিক্রমী রাজনৈতিক নেতা উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন,

ভাসানী কিংবদন্তি, তিনি বিরাট বটগাছ। তার অভ্যুত্থান একদম সাধারণ পরিবার থেকে। তার ভেতরে একটা আগুন আছে। সমগ্র ভারতবর্ষে পাকিস্তান আন্দোলনের জন্য তিনি কাজ করেছেন। সর্বত্র তার বিচরণ ছিল। তার আদর্শ আজকের রাজনীতির সঙ্গে মিলিয়ে নিতে হবে। চাপিয়ে দেয়া বৈষম্যের বিরুদ্ধে ছিল তার আন্দোলন।

রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৪১ অপরাহ্ণ
রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

স্টাফরিপোর্টার:: মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার বর্ণীতে আয়োজিত এক সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেছেন, মানবকল্যাণে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। তারা বলেন, অসহায় ও আর্তমানবতার সেবার মাধ্যমে যেমন মহান স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়, তেমনি পাওয়া যায় মানুষের ভালোবাসা। মানবসেবাকে ইবাদতের সঙ্গে তুলনা করে বক্তারা আরও বলেন, এতিম-অসহায়দের সহায়তা এবং দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে কাজ করলে ইহকাল ও পরকালে কল্যাণ অর্জিত হয়। মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেয়ে বড় আনন্দ আর কিছু নেই বলেও উল্লেখ করেন তারা।শুক্রবার বিকেলে পীরে কামেল ওস্তাজুল উলামা আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.) প্রতিষ্ঠিত রহমানিয়া টুকা হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ উপলক্ষে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে এবং মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল আলিম ও সহ-সুপার মাহফুজুর রহমানের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত ব্যক্তি ছিলেন যুক্তরাজ্যপ্রবাসী, লন্ডন অক্সফোর্ড জামে মসজিদের খতিব ও বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা হেলাল আহমদ খান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আঞ্জুমানে আল ইসলাহ’র মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা এ. কে. এম. মনোয়ার আলী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিবপুর কেশবপুর কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হাকিম, দৈনিক রূপালী বাংলাদেশের সিলেট ব্যুরো প্রধান কবি সালমান ফরিদ এবং মাথিউরা ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মুফতি তকি উদ্দিন।আনন্দ টেলিভিশনের সিলেট প্রতিনিধি তাহের আহমদ।
বিয়ানীবাজার সহকারী শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হোসেন আহমদ, সায়রা মুক্তাদির দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুল হামিদ মাস্টার সফর উদ্দিনসহ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.)-এর জীবন ও কর্ম নিয়ে একটি স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। আয়োজকরা জানান, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির আগেই গ্রন্থটি প্রকাশ করা হবে ।

ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ
ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার দয়ামির ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কদরিছ  মিয়া প্রায় এক বছর ধরে নিখোঁজ রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। তিনি বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন ওসমানীনগর উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রলীগ নেতা সেলিম আহমদের পিতা।


‎পরিবার জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের পটপরিবর্তনের পর তাদের বাড়িতে হামলা হয়। রাজনৈতিক উত্তেজনা ও একাধিক মামলার কারণে এ সময় সেলিম আহমদ ও তার বাবা আত্মগোপনে ছিলেন। পরিবারের দাবি প্রায় এক বছর ধরে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। তার মোবাইল ফোন বন্ধ, আত্মীয়দের বাসাতেও নেই। তিনি জীবিত না মৃত এ নিয়েও নিশ্চিত হতে পারছেননা তারা।

‎স্থানীয় সূত্র জানায়, কদরিছ মিয়ার ছেলে ছাত্রলীগের ক্যাডার সেলিম আহমদ একাধিক মামলার আসামি। ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে উঠে আসা সেলিম সিলেট সিটির সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ারুজ্জামানের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শন ও বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা বাড়তে থাকে। ৫ আগস্টের ঘটনার পর থেকে সেও পলাতক।

‎পরিবারের সদস্যরা জানান,,,নিখোঁজের ঘটনায় থানায় অভিযোগ করার কথা ভাবলেও নিরাপত্তাহীনতা ও প্রতিশোধের আশঙ্কায় পরিবার এখনো অভিযোগ করতে পারেনি। পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রতিদিনই তাদের উদ্বেগ বাড়ছে কদরিছ মিয়া জীবিত না মৃত, কিছুই জানা যাচ্ছে না।

‎এই বিষয়ে ওসমানীনগর উপজেলা প্রশাসনের কাছে জানতে চাইলে তারা বলে আমরা শুনেছি এরকম একজনকে পাওয়া যাচ্ছেনা,তবে লিখিত কোন অভিযোগ পাই নাই। অভিযোগ পেলে প্রোয়োজনিয় ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে।

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সিলেট-৪ আসনে বিএনপির প্রাথী হচ্ছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী।

বুধবার রাতে আরিফুল হক চৌধুরী নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তবে বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোন ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

গত সোমবার দেশের অন্যান্য আসনের সাথে সিলেটের ৪ টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে বিএনপি। তবে সিলেট-৪ ও সিলেট-৫ আসনে সেদিন কোন প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি।

বিএনপি সূত্রে জানা যায়, আরিফুল হককে দল থেকে একাধিকবার সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে তাতে সম্মত হননি আরিফ। তিনি সবসময়ই সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে সিলেট-১ আসন অথবা সিঠের সিটি নির্বাচনের মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে আসছিলেন।সর্বশেষ সোমবার বিভিন্ন আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণার পর মঙ্গলবার বিএনপির শীর্ষ নেতবেৃন্দের পক্ষ থেকে জরুরী তলব দিয়ে আরিফকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে মঙ্গলবার ও বুধবার আরিফের সাথে দফায় দফায় বৈঠক করেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা। এসব বৈঠকে আরিফুল হককে সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি প্রথমে সম্মত হননি বলে জানা গেছে। এরপর বুধবার রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তাঁকে বাসায় ডেকে পাঠান।রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবনে চেয়ারপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে আরিফুল হক ওই আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হন।সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার কথা জানিয়ে ঢাকা থেকে রাতে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, “চেয়ারপারসন আমাদের জাতীয় মুরুব্বী। তাঁর নির্দেশে আমি সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হয়েছি। দলের প্রয়োজনে আমি বারবার নির্দেশ পালন করে আসছি। আজকের সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করার আদেশ মাথা পেতে মেনে নিয়েছি।