দ্রব্যমূল্যের ক্ষেত্রে সিন্ডিকেট বড় সমস্যা: উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ
তারিখ লোড হচ্ছে...
সর্বশেষ লাইভ ই-পেপার
       
খুঁজুন                
                               
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

দ্রব্যমূল্যের ক্ষেত্রে সিন্ডিকেট বড় সমস্যা: উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৪, ৬:০৭ অপরাহ্ণ
দ্রব্যমূল্যের ক্ষেত্রে সিন্ডিকেট বড় সমস্যা: উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

দ্রব্যমূল্য ঊর্ধ্বগতির জন্য সিন্ডিকেট একটি বড় সমস্যা বলে জানিয়েছেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

রোববার (১৭ নভেম্বর) যুব ও ক্রীড়া এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ১০০ দিনের কার্যক্রমের অগ্রগতি সংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।

 

আসিফ মাহমুদ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা। আগে তিনি শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বেও ছিলেন। গত ১০ নভেম্বর আসিফ মাহমুদকে শ্রম মন্ত্রণালয়ের পরিবর্তে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও দ্রব্যমূল্যের বিষয়ে জানতে চাইলে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান পরিবর্তন হচ্ছে। সামনের দিনগুলোতেও নতুন নিয়োগসহ পুলিশের যানবাহন সংগ্রহের কাজ চলমান আছে।’

 

তিনি বলেন, ‘দ্রব্যমূল্যের ক্ষেত্রে সিন্ডিকেট একটা বড় সমস্যা। এখন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে একজন উপদেষ্টা নিয়োগ পেয়েছেন। তিনি ক্লোজলি বিষয়গুলো দেখছেন। আলুর দাম বেড়ে গিয়েছে আবার শাকসবজির দাম বাড়ছে। সরবরাহ বেড়েছে তারপরও দাম বাড়ছে। সেগুলো তিনি খুব ক্লোজলি মনিটর করছেন।’

‘টাস্কফোর্স এখনো কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিদিনই বিভিন্ন জায়গায় জরিমানা করছে। মনিটর করছেন। কৃষক থেকে ভোক্তা পর্যন্ত যাতে সরাসরি পণ্য পৌঁছে যায়, সেজন্য আমরা উদ্যোক্তাদের সহযোগিতা দিচ্ছি। টিসিবির কার্যক্রম সক্রিয় করা হয়েছে এবং বাড়ানো হয়েছে। আশা করি সমস্যাগুলো আমরা সমাধান করতে পারবো।’

সরকারের সংস্কার অগ্রগতি কতদূর জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, আমরা আসলে একটা টিম হিসেবে কাজ করছি। রাষ্ট্র সংস্কার ও দেশ পুনর্গঠনে দশটি সংস্কার কমিশন করা হয়েছে। কমিশনগুলোর সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টাসহ স্টেকহোল্ডাররা নিয়মিত আলোচনা করছি। আশা করি যে তিন মাস সময় দেওয়া হয়েছে, এর মধ্যেই সরকারের কাছে একটা প্রস্তাবনা আসবে। সরকারও স্টেকহোল্ডার কনসালটেশনের মাধ্যমে দ্রুত সময়ে সেগুলো বাস্তবায়নের পথে এগোতে পারবে।

 

একশ দিনের অগ্রগতি তুলে ধরার বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, সরকারের বিভিন্ন জায়গায় আমরা জবাবদিহি নিশ্চিত করবো, কিন্তু আমরা কার কাছে জবাবদিহি করবো? আমরা জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য। সেই জায়গা থেকে একশ দিনের রিপোর্টটা প্রকাশ করলাম। কতটুকু ভালো করতে পেরেছি, কতটুকু পারিনি- সেই মূল্যায়ন জনগণের।

‘আমার দিক থেকে মনে হয় কাজ করার আরও সুযোগ ছিল। কিন্তু আমরা অনেক ধরনের ফায়ার ফাইটিংয়ের মধ্যদিয়ে গিয়েছি। দশ দিনের মধ্যে সাতদিন নানা অপ্রত্যাশিত বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করতে ব্যয় করতে হয়েছে। আর তিনদিন আমরা মূল কাজটি করার সুযোগ পেয়েছি। আমার মনে হয় ১০০ দিনের মধ্যে ৩০ দিন আমরা মন্ত্রণালয় কেন্দ্রিক যে নীতিনির্ধারণী কাজ সেটা করার সুযোগ পেয়েছি।

 

উপদেষ্টা আরও বলেন, যখন উপদেষ্টা পরিষদের ছাত্র প্রতিনিধি হিসেবে আমাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়, তখন অনেক সংশয় ছিল- সদ্য গ্র্যাজুয়েট শেষ করা আমরা কতটুকু মন্ত্রণালয় কিংবা সরকারের চালাতে পারবো। আমাদের জন্য একটা চ্যালেঞ্জ ছিল এবং এখনো আছে। আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জটা শুধু নিজেকে প্রমাণ করা নয়, আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ এই জেনারেশনটাকে প্রমাণ করার জন্য- এ তরুণ প্রজন্ম শুধু ডেসট্রাক্টিভ ওয়েতে একটা ফ্যাসিস্ট সরকারকে পতন করতে পারি না, আমরা গঠনমূলকভাবে দেশ পুনর্গঠনের কাজও করতে পারি।

 

‘আমরা দেশকে পলিসি লেভেলে ভালো কিছু উপহার দিতে পারি। আমরা আমাদের মন্ত্রণালয়ের সেই কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করতে চাই আমাদের প্রজন্মের যারা আছেন… আপনারা জানেন প্রাইভেট সেক্টরে আমাদের প্রজন্ম খুব ভালো করছে। সেখানে পরিবর্তনটা খুব দ্রুত হয়। সেখানে অ্যাডাপটেশনটা খুব দ্রুত হয়। যে যোগ্য তাকে নিয়ে আসা হয়। কিন্তু পাবলিক সেক্টরে অনেক হায়ারার্কি আছে, অনেক সময় যায় তাই তরুণদের অংশগ্রহণ কম। বিভিন্ন পর্যায়ে তরুণদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য আমরা কাজ করছি।

রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৪১ অপরাহ্ণ
রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

স্টাফরিপোর্টার:: মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার বর্ণীতে আয়োজিত এক সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেছেন, মানবকল্যাণে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। তারা বলেন, অসহায় ও আর্তমানবতার সেবার মাধ্যমে যেমন মহান স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়, তেমনি পাওয়া যায় মানুষের ভালোবাসা। মানবসেবাকে ইবাদতের সঙ্গে তুলনা করে বক্তারা আরও বলেন, এতিম-অসহায়দের সহায়তা এবং দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে কাজ করলে ইহকাল ও পরকালে কল্যাণ অর্জিত হয়। মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেয়ে বড় আনন্দ আর কিছু নেই বলেও উল্লেখ করেন তারা।শুক্রবার বিকেলে পীরে কামেল ওস্তাজুল উলামা আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.) প্রতিষ্ঠিত রহমানিয়া টুকা হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ উপলক্ষে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে এবং মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল আলিম ও সহ-সুপার মাহফুজুর রহমানের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত ব্যক্তি ছিলেন যুক্তরাজ্যপ্রবাসী, লন্ডন অক্সফোর্ড জামে মসজিদের খতিব ও বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা হেলাল আহমদ খান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আঞ্জুমানে আল ইসলাহ’র মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা এ. কে. এম. মনোয়ার আলী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিবপুর কেশবপুর কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হাকিম, দৈনিক রূপালী বাংলাদেশের সিলেট ব্যুরো প্রধান কবি সালমান ফরিদ এবং মাথিউরা ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মুফতি তকি উদ্দিন।আনন্দ টেলিভিশনের সিলেট প্রতিনিধি তাহের আহমদ।
বিয়ানীবাজার সহকারী শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হোসেন আহমদ, সায়রা মুক্তাদির দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুল হামিদ মাস্টার সফর উদ্দিনসহ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.)-এর জীবন ও কর্ম নিয়ে একটি স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। আয়োজকরা জানান, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির আগেই গ্রন্থটি প্রকাশ করা হবে ।

ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ
ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার দয়ামির ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কদরিছ  মিয়া প্রায় এক বছর ধরে নিখোঁজ রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। তিনি বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন ওসমানীনগর উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রলীগ নেতা সেলিম আহমদের পিতা।


‎পরিবার জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের পটপরিবর্তনের পর তাদের বাড়িতে হামলা হয়। রাজনৈতিক উত্তেজনা ও একাধিক মামলার কারণে এ সময় সেলিম আহমদ ও তার বাবা আত্মগোপনে ছিলেন। পরিবারের দাবি প্রায় এক বছর ধরে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। তার মোবাইল ফোন বন্ধ, আত্মীয়দের বাসাতেও নেই। তিনি জীবিত না মৃত এ নিয়েও নিশ্চিত হতে পারছেননা তারা।

‎স্থানীয় সূত্র জানায়, কদরিছ মিয়ার ছেলে ছাত্রলীগের ক্যাডার সেলিম আহমদ একাধিক মামলার আসামি। ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে উঠে আসা সেলিম সিলেট সিটির সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ারুজ্জামানের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শন ও বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা বাড়তে থাকে। ৫ আগস্টের ঘটনার পর থেকে সেও পলাতক।

‎পরিবারের সদস্যরা জানান,,,নিখোঁজের ঘটনায় থানায় অভিযোগ করার কথা ভাবলেও নিরাপত্তাহীনতা ও প্রতিশোধের আশঙ্কায় পরিবার এখনো অভিযোগ করতে পারেনি। পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রতিদিনই তাদের উদ্বেগ বাড়ছে কদরিছ মিয়া জীবিত না মৃত, কিছুই জানা যাচ্ছে না।

‎এই বিষয়ে ওসমানীনগর উপজেলা প্রশাসনের কাছে জানতে চাইলে তারা বলে আমরা শুনেছি এরকম একজনকে পাওয়া যাচ্ছেনা,তবে লিখিত কোন অভিযোগ পাই নাই। অভিযোগ পেলে প্রোয়োজনিয় ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে।

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সিলেট-৪ আসনে বিএনপির প্রাথী হচ্ছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী।

বুধবার রাতে আরিফুল হক চৌধুরী নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তবে বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোন ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

গত সোমবার দেশের অন্যান্য আসনের সাথে সিলেটের ৪ টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে বিএনপি। তবে সিলেট-৪ ও সিলেট-৫ আসনে সেদিন কোন প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি।

বিএনপি সূত্রে জানা যায়, আরিফুল হককে দল থেকে একাধিকবার সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে তাতে সম্মত হননি আরিফ। তিনি সবসময়ই সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে সিলেট-১ আসন অথবা সিঠের সিটি নির্বাচনের মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে আসছিলেন।সর্বশেষ সোমবার বিভিন্ন আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণার পর মঙ্গলবার বিএনপির শীর্ষ নেতবেৃন্দের পক্ষ থেকে জরুরী তলব দিয়ে আরিফকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে মঙ্গলবার ও বুধবার আরিফের সাথে দফায় দফায় বৈঠক করেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা। এসব বৈঠকে আরিফুল হককে সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি প্রথমে সম্মত হননি বলে জানা গেছে। এরপর বুধবার রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তাঁকে বাসায় ডেকে পাঠান।রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবনে চেয়ারপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে আরিফুল হক ওই আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হন।সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার কথা জানিয়ে ঢাকা থেকে রাতে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, “চেয়ারপারসন আমাদের জাতীয় মুরুব্বী। তাঁর নির্দেশে আমি সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হয়েছি। দলের প্রয়োজনে আমি বারবার নির্দেশ পালন করে আসছি। আজকের সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করার আদেশ মাথা পেতে মেনে নিয়েছি।