বাণিজ্য যুদ্ধে চীনকে হারাতে যেভাবে এগুচ্ছেন ট্রাম্প
তারিখ লোড হচ্ছে...
সর্বশেষ লাইভ ই-পেপার
       
খুঁজুন                
                               
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

বাণিজ্য যুদ্ধে চীনকে হারাতে যেভাবে এগুচ্ছেন ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৪, ৭:৫৮ পূর্বাহ্ণ
বাণিজ্য যুদ্ধে চীনকে হারাতে যেভাবে এগুচ্ছেন ট্রাম্প

নির্বাচনী প্রচারণার সময়ই চীনের বিরুদ্ধে বাণিজ্য যুদ্ধ শুরুর হুমকি দিয়ে রেখেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অবশ্য তা নিছক রাজনৈতিক চটকদারি ছিল নাকি সত্যিই চীনের মতো শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে কঠোর অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গ্রহণের সাহস দেখাবেন ট্রাম্প- সেটাও ছিল দেখার বিষয়।

তবে তিনি যে ‘এক কথার মানুষ’’ এবং চীনের বিরুদ্ধে সত্যি সত্যিই কঠোর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছেন, তার লক্ষণ এরমধ্যেই দেখা দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর যাদের নিয়ে হোয়াইট হাউজ প্রশাসন সাজাচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, তাদের বেশির ভাগই কট্টর চীনবিরোধী হিসেবে পরিচিত। ফলে ট্রাম্পের আমলে সামনের দিনগুলোতে মার্কিন চীন সম্পর্কে আরও শীতল এবং অনেক বেশি সংকটময় হয়ে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) সিআইএ প্রধান হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনটেলিজেন্সের সাবেক পরিচালক জন র‌্যাটক্লিফকে মনোনীত করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এছাড়া ফক্স নিউজের উপস্থাপক ও সাবেক সেনা সদস্য পিট হেগসেথকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং ফ্লোরিডার কংগ্রেস সদস্য মাইকেল ওয়াল্টজকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মনোনীত করেন তিনি।

এর আগে জাতিসংঘে মার্কিন দূত হিসেবে নিউইয়র্ক থেকে নির্বাচিত নিম্নকক্ষ সদস্য এলিস স্টেফানিককে এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে ফ্লোরিডার সিনেটর মার্কো রুবিওকে মনোনীত করেন ট্রাম্প। এই পাঁচজনের ব্যাকগ্রাউন্ড ভিন্ন ভিন্ন হলেও একটি ক্ষেত্রে তাদের মিল রয়েছে। তারা প্রত্যেকেই কট্টর চীনবিরোধী হিসেবে পরিচিত। চীনকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মনে করেন তারা এবং বেইজিংয়ের বিরুদ্ধে আরও কঠোর অবস্থান গ্রহণ করার পক্ষপাতী।

শুধু এই পাঁচজনই নয়, ট্রাম্পের প্রশাসনে আরও যেসব চীনবিরোধী ব্যক্তি অন্তর্ভুক্ত হতে যাচ্ছেন বলে শোনা যাচ্ছে; তাদের মধ্যে রয়েছেন জার্মানিতে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত রিচার্ড গ্রেনেল, টেনেসির সিনেটর বিল হ্যাগার্টি এবং সাবেক মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি রবার্ট লাইথিজার। এর মধ্যে লাইথিজারকে ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের ‘ট্রেড জার’ হিসেবে অভিহিত করেছেন বলে মঙ্গলবার জানিয়েছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।
চীনের বিরুদ্ধে যে সম্ভাব্য বাণিজ্য যুদ্ধ শুরু করতে যাচ্ছেন ট্রাম্প, তার প্রধান সেনাপতির দায়িত্ব পালন করবেন রবার্ট লাইথিজার। অবশ্য হোয়াইট হাউজে ট্রাম্পের আগের মেয়াদেও চীনের বিরুদ্ধে নেয়া তার ট্যারিফ নীতির অন্যতম নাটের গুরু হিসেবে মনে করা হয় লাইথিজারকে। সে সময় যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

নিজের লেখা বইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে চীনকে উল্লেখ করে, বেইজিংকে শায়েস্তা করতে তার রফতানি সীমিত করার পাশাপাশি চীনে গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি পণ্যের রফতানি বন্ধের পক্ষে জোর অবস্থান তুলে ধরেছিলেন লাইথিজার। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিষয়ক প্রধান নীতিনির্ধারকের দায়িত্ব পেলে, স্বভাবতই বেইজিংয়ের জন্য অস্বস্তি বয়ে আনবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে চীনের বিরুদ্ধে ট্রাম্প সত্যি সত্যিই তার প্রতিশ্রুতি মোতাবেক কঠোর ট্যারিফ নীতি আরোপ করলে তা শুধু চীনের অর্থনীতিকেই নয়, তার পাশাপাশি বেইজিংয়ের সঙ্গে শক্তিশালী অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে এমন এশীয় দেশগুলোর অর্থনীতিকেও আঘাত হানতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা।
লন্ডন স্কুল অব ইকোনোমিকস অ্যান্ড পলিটিক্যাল সাইন্সের গবেষণায় দেখা গেছে, যদি চীনের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ৬০ শতাংশ ট্যারিফ কার্যকর হয়, তবে তা চীনের মোট জিডিপির শূন্য দশমিক ৬৮ শতাংশকে সংকুচিত করবে। পাশাপাশি প্রতিবেশী ভারত ও ইন্দোনেশিয়া, যাদের সঙ্গে চীনের শক্তিশালী বাণিজ্যিক লেনদেন রয়েছে; তাদেরও অর্থনীতি যথাক্রমে শূন্য দশমিক শূন্য ৩ এবং শূন্য দশমিক শূন্য ৬ শতাংশকে সংকুচিত হবে।

তবে শুধু বাণিজ্যিক ক্ষেত্রেই চীনবিরোধীদের দিয়ে নিজের প্রশাসন সাজাচ্ছেন না ট্রাম্প। সামরিক ক্ষেত্রেও এমন ব্যক্তিদেরই নেতৃত্বে আনছেন যারা কট্টর চীনবিরোধী হিসেবে পরিচিত। তাদের মধ্যে অন্যতম সিনেটর মার্কো রুবিও, যাকে নিজের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করেছেন ট্রাম্প।

বস্তুত মার্কো রুবিও হতে যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম পররাষ্ট্রমন্ত্রী, যার নাম রয়েছে চীনের নিষেধাজ্ঞার তালিকায়। চীনের জিনজিয়াংয়ে ধর্মীয় সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলিমদের রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের শিকার হওয়ার বিষয়ে মন্তব্য করার কারণে ২০২০ সালে মার্কো রুবিওর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করে চীন।
চীনের কট্টর সমালোচক হিসেবে পরিচিত রুবিও একই সঙ্গে তাইওয়ানের সক্রিয় সমর্থকও বটে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে তাইওয়ান প্রশ্নে তিনি চীনকে একবিন্দু ছাড় দেবেন না বলেই মনে করা হচ্ছে। এছাড়া সিআইএ প্রধান হিসেবে ট্রাম্প-মনোনীত র‌্যাটক্লিফও কট্টর চীনবিরোধী হিসেবে পরিচিত।

২০২০ সালে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে নিজের লেখা কলামে তিনি চীনকে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বের গণতন্ত্র এবং স্বাধীনতার ক্ষেত্রেও বেইজিংকে সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে অভিহিত করেন তিনি। র‌্যাটক্লিফের পাশাপাশি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ট্রাম্প-মনোনীত হেগসেথও চীনের কঠোর সমালোচক হিসেবে পরিচিত।

সব মিলিয়ে শুধু বাণিজ্যিক বা অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেই নয়, সামরিক দিক থেকেও নিজের পরবর্তী মেয়াদে চীনের বিরুদ্ধে খড়গহস্ত থাকবেন ট্রাম্প, সেটা অনেকটাই আন্দাজ করা যায় তার প্রশাসন সাজানোর ধরণ দেখে।

রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৪১ অপরাহ্ণ
রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

স্টাফরিপোর্টার:: মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার বর্ণীতে আয়োজিত এক সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেছেন, মানবকল্যাণে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। তারা বলেন, অসহায় ও আর্তমানবতার সেবার মাধ্যমে যেমন মহান স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়, তেমনি পাওয়া যায় মানুষের ভালোবাসা। মানবসেবাকে ইবাদতের সঙ্গে তুলনা করে বক্তারা আরও বলেন, এতিম-অসহায়দের সহায়তা এবং দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে কাজ করলে ইহকাল ও পরকালে কল্যাণ অর্জিত হয়। মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেয়ে বড় আনন্দ আর কিছু নেই বলেও উল্লেখ করেন তারা।শুক্রবার বিকেলে পীরে কামেল ওস্তাজুল উলামা আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.) প্রতিষ্ঠিত রহমানিয়া টুকা হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ উপলক্ষে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে এবং মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল আলিম ও সহ-সুপার মাহফুজুর রহমানের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত ব্যক্তি ছিলেন যুক্তরাজ্যপ্রবাসী, লন্ডন অক্সফোর্ড জামে মসজিদের খতিব ও বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা হেলাল আহমদ খান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আঞ্জুমানে আল ইসলাহ’র মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা এ. কে. এম. মনোয়ার আলী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিবপুর কেশবপুর কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হাকিম, দৈনিক রূপালী বাংলাদেশের সিলেট ব্যুরো প্রধান কবি সালমান ফরিদ এবং মাথিউরা ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মুফতি তকি উদ্দিন।আনন্দ টেলিভিশনের সিলেট প্রতিনিধি তাহের আহমদ।
বিয়ানীবাজার সহকারী শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হোসেন আহমদ, সায়রা মুক্তাদির দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুল হামিদ মাস্টার সফর উদ্দিনসহ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.)-এর জীবন ও কর্ম নিয়ে একটি স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। আয়োজকরা জানান, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির আগেই গ্রন্থটি প্রকাশ করা হবে ।

ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ
ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার দয়ামির ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কদরিছ  মিয়া প্রায় এক বছর ধরে নিখোঁজ রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। তিনি বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন ওসমানীনগর উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রলীগ নেতা সেলিম আহমদের পিতা।


‎পরিবার জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের পটপরিবর্তনের পর তাদের বাড়িতে হামলা হয়। রাজনৈতিক উত্তেজনা ও একাধিক মামলার কারণে এ সময় সেলিম আহমদ ও তার বাবা আত্মগোপনে ছিলেন। পরিবারের দাবি প্রায় এক বছর ধরে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। তার মোবাইল ফোন বন্ধ, আত্মীয়দের বাসাতেও নেই। তিনি জীবিত না মৃত এ নিয়েও নিশ্চিত হতে পারছেননা তারা।

‎স্থানীয় সূত্র জানায়, কদরিছ মিয়ার ছেলে ছাত্রলীগের ক্যাডার সেলিম আহমদ একাধিক মামলার আসামি। ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে উঠে আসা সেলিম সিলেট সিটির সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ারুজ্জামানের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শন ও বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা বাড়তে থাকে। ৫ আগস্টের ঘটনার পর থেকে সেও পলাতক।

‎পরিবারের সদস্যরা জানান,,,নিখোঁজের ঘটনায় থানায় অভিযোগ করার কথা ভাবলেও নিরাপত্তাহীনতা ও প্রতিশোধের আশঙ্কায় পরিবার এখনো অভিযোগ করতে পারেনি। পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রতিদিনই তাদের উদ্বেগ বাড়ছে কদরিছ মিয়া জীবিত না মৃত, কিছুই জানা যাচ্ছে না।

‎এই বিষয়ে ওসমানীনগর উপজেলা প্রশাসনের কাছে জানতে চাইলে তারা বলে আমরা শুনেছি এরকম একজনকে পাওয়া যাচ্ছেনা,তবে লিখিত কোন অভিযোগ পাই নাই। অভিযোগ পেলে প্রোয়োজনিয় ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে।

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সিলেট-৪ আসনে বিএনপির প্রাথী হচ্ছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী।

বুধবার রাতে আরিফুল হক চৌধুরী নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তবে বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোন ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

গত সোমবার দেশের অন্যান্য আসনের সাথে সিলেটের ৪ টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে বিএনপি। তবে সিলেট-৪ ও সিলেট-৫ আসনে সেদিন কোন প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি।

বিএনপি সূত্রে জানা যায়, আরিফুল হককে দল থেকে একাধিকবার সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে তাতে সম্মত হননি আরিফ। তিনি সবসময়ই সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে সিলেট-১ আসন অথবা সিঠের সিটি নির্বাচনের মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে আসছিলেন।সর্বশেষ সোমবার বিভিন্ন আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণার পর মঙ্গলবার বিএনপির শীর্ষ নেতবেৃন্দের পক্ষ থেকে জরুরী তলব দিয়ে আরিফকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে মঙ্গলবার ও বুধবার আরিফের সাথে দফায় দফায় বৈঠক করেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা। এসব বৈঠকে আরিফুল হককে সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি প্রথমে সম্মত হননি বলে জানা গেছে। এরপর বুধবার রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তাঁকে বাসায় ডেকে পাঠান।রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবনে চেয়ারপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে আরিফুল হক ওই আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হন।সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার কথা জানিয়ে ঢাকা থেকে রাতে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, “চেয়ারপারসন আমাদের জাতীয় মুরুব্বী। তাঁর নির্দেশে আমি সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হয়েছি। দলের প্রয়োজনে আমি বারবার নির্দেশ পালন করে আসছি। আজকের সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করার আদেশ মাথা পেতে মেনে নিয়েছি।