ঐক্যবদ্ধ জাতীয়তাবাদী শক্তি সকল ষ ড় য ন্ত্র মোকাবিলা করবে: সিলেট জেলা বিএনপি
তারিখ লোড হচ্ছে...
সর্বশেষ লাইভ ই-পেপার
       
খুঁজুন                
                               
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

ঐক্যবদ্ধ জাতীয়তাবাদী শক্তি সকল ষ ড় য ন্ত্র মোকাবিলা করবে: সিলেট জেলা বিএনপি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৪, ১০:৪৩ অপরাহ্ণ
ঐক্যবদ্ধ জাতীয়তাবাদী শক্তি সকল ষ ড় য ন্ত্র মোকাবিলা করবে: সিলেট জেলা বিএনপি

বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সিলেট  বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক জি কে গউছ বলেন, অদৃশ্যমান অশুভ শক্তির সাথে আমাদের লড়তে হচ্ছে। সকল ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধ জাতীয়তাবাদী শক্তি মোকাবিলা করবে।অদৃশ্য শক্তিকে আমরা পরাজিত করব ইনশাআল্লাহ।

শনিবার দপুর ১২ টায় সিলেট জেলা বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব বলেন।

 

তিনি বলেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক মানবিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ের মাধ্যমে আগামীর দিনের রাজনীতি পরিচালিত হবে। সময়ের সাথেসাথে সিনিয়র নেতৃবৃন্দের পথ ধরে যোগ্যতা অনুসারে জুনিয়র নেতারা স্থান পাবেন। কর্মীর সাথে নেতার সম্পর্ক থাকবে ভাইয়ের মতো।

সিলেট জেলা বিএনপি সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এড. এমরান আহমদ চৌধুরীর সঞ্চালনায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা তাহসিনা রুশদীর লুনা, খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরী ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য আবুল কাহের চৌধুরী শামীম।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় বিএনপির সিলেট বিভাগীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন বলেন বাংলাদেশের পক্ষের শক্তি এবং রাজপথের লাখো জনতার স্পন্দিত আবদার দেশের স্বার্থরক্ষার, নিজের অধিকার রক্ষার, নিজের ভোট প্রয়োগের অধিকার প্রতিষ্ঠার সম্পর্কে সচেতন হতে হবে।

 

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় বিএনপির সিলেট বিভাগীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ্ সিদ্দিকী বলেন, আন্দোলন এখনো থেমে নেই। ভোটাধিকার প্রয়োগ পর্যন্ত আরো আন্দোলন চালাতে হবে। মানুষের সরাসরি ভোটের অধিকার আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। সবার সাংগঠনিক বক্তব্য লিপিবদ্ধ রয়েছে। দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের কাছে পৌঁছে যাবে।

সভাপতির বক্তব্যে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, আমাদের নেতা বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীর গতিবিধি লক্ষ্য করেন। প্রত্যেক সপ্তাহে আমাদের কর্মসূচি পালন করতে হয়েছে। বিশৃঙ্খলাকারীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পর্যালোচনা করে সাংগঠনিক ব্যাবস্থা নেয়া হয়েছে। দেশের স্বার্থবিরোধী অপশক্তি প্রতিরোধে আমরা ঐক্যবদ্ধ আছি এবং সেভাবেই জেলা বিএনপির কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

সভার কার্যক্রম কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু করে, শোক প্রস্তাব, সাংগঠনিক রিপোর্ট পেশ ও সমর্থন শেষে দলের প্রয়াত নেতা, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন এবং ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে হাজারো শহীদের রুহের মাগফেরাত কামনা ও আহত অসংখ্য ছাত্র জনতার জন্য দোয়া করা হয়।

 

সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন সম্মানিত সদস্যদের মধ্যে কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য এডভোকেট হাদিয়া চৌধুরী মুন্নী, জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক কামরুল হুদা জায়গীরদার, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদ, ব্যারিষ্টার আবরার ইলিয়াস। জেলা বিএনপির সহ-সভাপতিবৃন্দের মধ্যে এড. আশিক উদ্দিন আশুক, সহসভাপতি মামুনুর রশিদ মামুন চাকসু , হাজী শাহাব উদ্দিন আহমদ, শাহ জামাল নুরুল হুদা, ফখরুল ইসলাম ফারুক, একেএম তারেক কালাম, ইকবাল বাহার চৌধুরী, আজির উদ্দিন চেয়ারম্যান, শহিদ আহমদ চেয়ারম্যান, মাহবুবুর রব চৌধুরী ফয়সল, নজমুল হোসেন পুতুল, নাজিম উদ্দিন লস্কর, শাহাব উদ্দিন আহমদ, গোলাম রব্বানী, ইকবাল আহমদ, সামিয়া বেগম চৌধুরী, লিলু মিয়া চেয়ারম্যান। উপদেষ্টা বৃন্দের মধ্যে ময়নুল হক চৌধুরী, আশিক উদ্দিন চৌধুরী, এডভোকেট এটিএম ফয়েজ, মহিউসসুন্নাহ চৌধুরী নার্জিস, মামুনুর রশিদ মামুন চেয়ারম্যান, আব্দুল হাকিম চৌধুরী, ফালাকুজ্জামান চৌধুরী জগলু, সুরমান আলী, ওসমান গনি, ডা. আব্দুল গফুর, মাসুক উদ্দিন, শওকত আলী, অধ্যাপক জিল্লুর রহমান সুয়েব, অধ্যক্ষ নিজাম উদ্দিন তরফদার, কাজী মুহিবুর রহমান, আব্দুর রহিম, কামরুল হাসান শাহিন, গৌছ খান।

যুগ্ম সম্পাদকবৃন্দের মধ্যে ইশতিয়াক আহমদ সিদ্দিকী, এড. হাসান আহমদ পাটোয়ারী রিপন, সিদ্দিকুর রহমান পাপলু, তাজরুল ইসলাম তাজুল, মামুনুর রশিদ মামুন, আনোয়ার হোসেন মানিক, এড. আবু তাহের, ওয়াহিদুজ্জামান চৌধুরী সুফি, এড. মোমিনুল ইসলাম মোমিন, কোহিনুর আহমদ, আবুল কাশেম, আব্দুল আহাদ খান জামাল, এড. সাঈদ আহমদ, শাকিল মোর্শেদ, এড. মুজিবুর রহমান, জসিম উদ্দিন। সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম আহমদ, শফিকুর রহমান, মুশিকুর রহমান মুহি, এড. আল আসলাম মুমিন। আরো উপদেষ্টাদের মধ্যে এডভোকেট জুবায়ের আহমদ খান, এডভোকেট কামাল হোসেন, আব্দুল মতিন, আব্দুস শুকুর, লুৎফুর রহমান খোকন, ইসলাম উদ্দিন, গোলাম কিবরিয়া, ময়নুল হক, আব্দুল মতিন, হাসান ইমাদ, গোলাম কিবরিয়া শাহিন, বদরুল ইসলাম জয়দু, এবিএম জাকারিয়া, সামসুল হক, শওকত আলী বাবুল, আব্দুস শুকুর, আশফাক আহমদ, লুৎফুর রহমান, নিজাম জায়গীরদার, মিজানুর রহমান রুমেল, আবিদুর রহমান, আম্বিয়া চৌধুরী, ডা. এনামুল হক, নুরুল আমিন দুলু, বদরুল ইসলাম, সালেক চৌধুরী, আব্দুর রহমান। সম্পাদক ও সহ সম্পাদক লোকমান আহমদ, শামীম হেলালী, তাজ মোহাম্মদ ফখর উদ্দিন, তাসনিম শারমিন তামান্না, রাহাত চৌধুরী মুন্না, আব্দুল হাফিজ, এম. মুজিবুর রহমান, সিদ্দিক আহমদ, আবু নাসের পিন্টু, এড. মোস্তাক আহমদ, আল মামুন খান, নুমান উদ্দিন মুরাদ, জয়নাল আহমদ রানু, আলাউদ্দিন রিপন, আজিজুর রহমান, সাহিদুল হক সুহেল, হাবিবুর রহমান, নজরুল ইসলাম, জালাল খান, আব্দুল মালেক, মাহবুব আলম, এড. আহমেদ রেজা, বাদশা আহমদ, অর্জুন ঘোষ, মনিরুল ইসলাম তুরন, আহাদ চৌধুরী শামীম, ডাঃ নাজিম উদ্দিন, আসাদ উদ্দিন, এড. ওবায়দুর রহমান ফাহমী, কুমকুম ফাহিমা, সুলতানা রহমান দিনা, আলাউদ্দিন আলাই, নাজিম উদ্দিন পান্না, ফজলে আহসান রাব্বী, দেলোয়ার হোসেন দিনার, শাহীন আলম জয়, রুহেল আহমদ, শামসুর রহমান সুজা, বখতিয়ার আহমদ ইমরান, ইসমাইল হোসেন সেলিম, আকবর হোসেন, মনিরুজ্জামান উজ্জল, সুমেল আহমদ চৌধুরী, রায়হান এইচ খাঁন, মামুনুর রশিদ মামুন, এনাম আহমদ, আব্দুল্লাহ মিছবাহ, আক্তার হোসেন রাজু, মিনহাজ উদ্দিন চৌধুরী, এনায়েত হোসেন রুহেল, সারোয়ার হোসেন, ইন্তাজ আলী, আব্দুল মুনিম, হাসান মঈন উদ্দিন আহমদ, তামিম ইয়াহিয়া, শামসুর রহমান শামীম, ইসলাম উদ্দিন।

জেলা বিএনপির সদস্য বাহরুল ইসলাম বাহার, জসিম উদ্দিন, রেজাউল করিম রায়হান, সাদিকুর রহমান টিপু, নজরুল ইসলাম, শিব্বির আহমদ রনি, তোফায়েল আহমদ সুহেল, এড. মামুন আহমদ রিপন, কবির আহমদ, মাহবুব আহমদ, সৈয়দ এনায়েত হোসেন, আফতাব উদ্দিন, আশরাফুল আলম বাহার, জহিরুল ইসলাম তানিম, রুহুল আমিন প্রমুখ।

 

 

রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৪১ অপরাহ্ণ
রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

স্টাফরিপোর্টার:: মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার বর্ণীতে আয়োজিত এক সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেছেন, মানবকল্যাণে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। তারা বলেন, অসহায় ও আর্তমানবতার সেবার মাধ্যমে যেমন মহান স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়, তেমনি পাওয়া যায় মানুষের ভালোবাসা। মানবসেবাকে ইবাদতের সঙ্গে তুলনা করে বক্তারা আরও বলেন, এতিম-অসহায়দের সহায়তা এবং দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে কাজ করলে ইহকাল ও পরকালে কল্যাণ অর্জিত হয়। মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেয়ে বড় আনন্দ আর কিছু নেই বলেও উল্লেখ করেন তারা।শুক্রবার বিকেলে পীরে কামেল ওস্তাজুল উলামা আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.) প্রতিষ্ঠিত রহমানিয়া টুকা হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ উপলক্ষে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে এবং মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল আলিম ও সহ-সুপার মাহফুজুর রহমানের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত ব্যক্তি ছিলেন যুক্তরাজ্যপ্রবাসী, লন্ডন অক্সফোর্ড জামে মসজিদের খতিব ও বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা হেলাল আহমদ খান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আঞ্জুমানে আল ইসলাহ’র মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা এ. কে. এম. মনোয়ার আলী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিবপুর কেশবপুর কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হাকিম, দৈনিক রূপালী বাংলাদেশের সিলেট ব্যুরো প্রধান কবি সালমান ফরিদ এবং মাথিউরা ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মুফতি তকি উদ্দিন।আনন্দ টেলিভিশনের সিলেট প্রতিনিধি তাহের আহমদ।
বিয়ানীবাজার সহকারী শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হোসেন আহমদ, সায়রা মুক্তাদির দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুল হামিদ মাস্টার সফর উদ্দিনসহ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.)-এর জীবন ও কর্ম নিয়ে একটি স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। আয়োজকরা জানান, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির আগেই গ্রন্থটি প্রকাশ করা হবে ।

ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ
ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার দয়ামির ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কদরিছ  মিয়া প্রায় এক বছর ধরে নিখোঁজ রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। তিনি বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন ওসমানীনগর উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রলীগ নেতা সেলিম আহমদের পিতা।


‎পরিবার জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের পটপরিবর্তনের পর তাদের বাড়িতে হামলা হয়। রাজনৈতিক উত্তেজনা ও একাধিক মামলার কারণে এ সময় সেলিম আহমদ ও তার বাবা আত্মগোপনে ছিলেন। পরিবারের দাবি প্রায় এক বছর ধরে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। তার মোবাইল ফোন বন্ধ, আত্মীয়দের বাসাতেও নেই। তিনি জীবিত না মৃত এ নিয়েও নিশ্চিত হতে পারছেননা তারা।

‎স্থানীয় সূত্র জানায়, কদরিছ মিয়ার ছেলে ছাত্রলীগের ক্যাডার সেলিম আহমদ একাধিক মামলার আসামি। ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে উঠে আসা সেলিম সিলেট সিটির সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ারুজ্জামানের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শন ও বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা বাড়তে থাকে। ৫ আগস্টের ঘটনার পর থেকে সেও পলাতক।

‎পরিবারের সদস্যরা জানান,,,নিখোঁজের ঘটনায় থানায় অভিযোগ করার কথা ভাবলেও নিরাপত্তাহীনতা ও প্রতিশোধের আশঙ্কায় পরিবার এখনো অভিযোগ করতে পারেনি। পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রতিদিনই তাদের উদ্বেগ বাড়ছে কদরিছ মিয়া জীবিত না মৃত, কিছুই জানা যাচ্ছে না।

‎এই বিষয়ে ওসমানীনগর উপজেলা প্রশাসনের কাছে জানতে চাইলে তারা বলে আমরা শুনেছি এরকম একজনকে পাওয়া যাচ্ছেনা,তবে লিখিত কোন অভিযোগ পাই নাই। অভিযোগ পেলে প্রোয়োজনিয় ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে।

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সিলেট-৪ আসনে বিএনপির প্রাথী হচ্ছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী।

বুধবার রাতে আরিফুল হক চৌধুরী নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তবে বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোন ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

গত সোমবার দেশের অন্যান্য আসনের সাথে সিলেটের ৪ টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে বিএনপি। তবে সিলেট-৪ ও সিলেট-৫ আসনে সেদিন কোন প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি।

বিএনপি সূত্রে জানা যায়, আরিফুল হককে দল থেকে একাধিকবার সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে তাতে সম্মত হননি আরিফ। তিনি সবসময়ই সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে সিলেট-১ আসন অথবা সিঠের সিটি নির্বাচনের মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে আসছিলেন।সর্বশেষ সোমবার বিভিন্ন আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণার পর মঙ্গলবার বিএনপির শীর্ষ নেতবেৃন্দের পক্ষ থেকে জরুরী তলব দিয়ে আরিফকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে মঙ্গলবার ও বুধবার আরিফের সাথে দফায় দফায় বৈঠক করেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা। এসব বৈঠকে আরিফুল হককে সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি প্রথমে সম্মত হননি বলে জানা গেছে। এরপর বুধবার রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তাঁকে বাসায় ডেকে পাঠান।রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবনে চেয়ারপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে আরিফুল হক ওই আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হন।সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার কথা জানিয়ে ঢাকা থেকে রাতে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, “চেয়ারপারসন আমাদের জাতীয় মুরুব্বী। তাঁর নির্দেশে আমি সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হয়েছি। দলের প্রয়োজনে আমি বারবার নির্দেশ পালন করে আসছি। আজকের সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করার আদেশ মাথা পেতে মেনে নিয়েছি।