সিলেটে ফাইভ স্টার হোটেল দাবি অনেকের, আসলে কী আছে?
তারিখ লোড হচ্ছে...
সর্বশেষ লাইভ ই-পেপার
       
খুঁজুন                
                               
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

সিলেটে ফাইভ স্টার হোটেল দাবি অনেকের, আসলে কী আছে?

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৪, ৮:৩৬ পূর্বাহ্ণ
সিলেটে ফাইভ স্টার হোটেল দাবি অনেকের, আসলে কী আছে?

গেল দুই দশকে সিলেটে অভিজাত অনেক হোটেল হয়েছে। কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে আধুনিক সুযোগ সুবিধাসম্মত হোটেল। দৃষ্টিনন্দন হোটেলগুলোর রুম ভাড়াও সাধারণের হাতে নাগালের বাইরে। ‘ফাইভ স্টার’ বা ‘পাঁচ তারকা’ হোটেল দাবি করে হোটেল কর্তৃপক্ষ অতিথিদের কাছ থেকে আদায় করেন মোটা অংকের রুম ভাড়া।

 

সিলেটে ফাইভ স্টার হোটেল দাবি অনেকের, আসলে কী আছে?

 

 

গেল দুই দশকে সিলেটে অভিজাত অনেক হোটেল হয়েছে। কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে আধুনিক সুযোগ সুবিধাসম্মত হোটেল। দৃষ্টিনন্দন হোটেলগুলোর রুম ভাড়াও সাধারণের হাতে নাগালের বাইরে। ‘ফাইভ স্টার’ বা ‘পাঁচ তারকা’ হোটেল দাবি করে হোটেল কর্তৃপক্ষ অতিথিদের কাছ থেকে আদায় করেন মোটা অংকের রুম ভাড়া।

 

কিন্তু আসলে কী সিলেটে কোন ফাইভ স্টার হোটেল আছে? নাকি ফাইভ স্টারের তকমা লাগিয়ে অতিথিদের কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে অধিক রুম ভাড়া- সেই প্রশ্ন অনেকেরই।

 

বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে- বাংলাদেশে সরকার অনুমোদিত ফাইভ স্টার হোটেল রয়েছে মাত্র ১৭টি। এর মধ্যে সর্বাধিক ৮টি পাঁচ তারকা হোটেল রয়েছে ঢাকায়। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রয়েছে কক্সবাজারে। সাগরকন্যাখ্যাত জেলাটিতে রয়েছে ৪টি।

আর বিভাগে ২টি পাঁচ তারকা হোটেল থাকলেও সিলেট জেলায় নেই একটিও। সিলেট শহরের কয়েকটি হোটেল নিজেদেরকে পাঁচ তারকা দাবি করলেও সরকারের তালিকা অনুযায়ী এগুলোর একটিও নেই।

 

সিলেট বিভাগের ২টি পাঁচ তারকা হোটেলের মধ্যে একটি হচ্ছে মৌলভীবাজার শ্রীমঙ্গলের গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট অ্যান্ড গলফ এবং আরেকটি হচ্ছে হবিগঞ্জের বাহুবলের দি প্যালেস লাক্সারি রিসোর্ট।

 

 

 

পর্যটন করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা জিয়া হক জানান, সরকার অনুমোদিত বাংলাদেশে পাঁচ তারকা মানের হোটেল ১৭টি। অনেকে পাঁচ তারকা মানের না হয়েও দাবি করে।

 

সরকার অনুমোদিত ১৭ পাঁচ তারকা হোটেল হলো-

১. সোনারগাঁও হোটেল ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড (১০৭ নং কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, ঢাকা)।

২. ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা (১ নং মিন্টু রোড, ঢাকা-১০০)।

৩. রেডিসন ওয়াটার গার্ডেন হোটেল (এয়ারপোর্ট রোড, জোয়ারসাহারা, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা)।

৪. ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট লিমিটেড (দ্য ওয়েস্টিন ঢাকা- প্লট নং ০১, সি ডব্লিউ এন, বি, রাস্তা-৪৫, গুলশান-২, ঢাকা)।

৫. হোটেল সারিনা লিমিটেড (হাউজ নং ২৭, রোড নং ১৭, বনানী বা/এ, ঢাকা-১২১৩)।

৬. ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট (এয়ারপোর্ট রোড, নিকুঞ্জ-২, ঢাকা-১২২৯)।

৭. লা মেরিডিয়ান ঢাকা (৭৯/এ বাণিজ্যিক এলাকা, এয়ারপোর্ট রোড, নিকুঞ্জ-২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯)।

৮. রেনেসান্স হোটেলস (প্লট নং-৩, ব্লক সিইএস-এফ, ৭৮ নং গুলশান এভিনিউ, ঢাকা)

৯. সিগ্যাল হোটেল লিমিটেড (হোটেল-মোটেল জোন, কক্সবাজার বিচ, কক্সবাজার)।

১০. ওশান প্যারাডাইস লিমিটেড (প্লট নং ২৮ ও ২৯, কলাতলী রোড, কক্সবাজার)।

১১. সায়মন বিচ রিসোর্ট লিমিটেড (মেরিন ড্রাইভ রোড, কলাতলী, কক্সবাজার)।

১২. রেডিসন ব্লু বে ভিউ (এস এস খালেদ রোড, লালখান বাজার, চট্টগ্রাম)।

১৩. রয়্যাল টিউলিপ সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা (জালিয়া পালং, ইনানী, উখিয়া, কক্সবাজার)।

১৪. গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট অ্যান্ড গলফ (রাধানগর, বালিশীর, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার)।

১৫. মম ইন লিমিটেড (নওদাপাড়া রংপুর রোড, বগুড়া)।

১৬. হোটেল জাবীর প্যারাডাইস লিমিটেড (১২৫৬, এম এম আলী রোড, যশোর-৭৪০০)।

১৭. দি প্যালেস লাক্সারি রিসোর্ট (পুটিজুরী, বাহুবল, হবিগঞ্জ)।

রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৪১ অপরাহ্ণ
রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

স্টাফরিপোর্টার:: মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার বর্ণীতে আয়োজিত এক সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেছেন, মানবকল্যাণে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। তারা বলেন, অসহায় ও আর্তমানবতার সেবার মাধ্যমে যেমন মহান স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়, তেমনি পাওয়া যায় মানুষের ভালোবাসা। মানবসেবাকে ইবাদতের সঙ্গে তুলনা করে বক্তারা আরও বলেন, এতিম-অসহায়দের সহায়তা এবং দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে কাজ করলে ইহকাল ও পরকালে কল্যাণ অর্জিত হয়। মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেয়ে বড় আনন্দ আর কিছু নেই বলেও উল্লেখ করেন তারা।শুক্রবার বিকেলে পীরে কামেল ওস্তাজুল উলামা আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.) প্রতিষ্ঠিত রহমানিয়া টুকা হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ উপলক্ষে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে এবং মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল আলিম ও সহ-সুপার মাহফুজুর রহমানের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত ব্যক্তি ছিলেন যুক্তরাজ্যপ্রবাসী, লন্ডন অক্সফোর্ড জামে মসজিদের খতিব ও বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা হেলাল আহমদ খান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আঞ্জুমানে আল ইসলাহ’র মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা এ. কে. এম. মনোয়ার আলী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিবপুর কেশবপুর কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হাকিম, দৈনিক রূপালী বাংলাদেশের সিলেট ব্যুরো প্রধান কবি সালমান ফরিদ এবং মাথিউরা ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মুফতি তকি উদ্দিন।আনন্দ টেলিভিশনের সিলেট প্রতিনিধি তাহের আহমদ।
বিয়ানীবাজার সহকারী শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হোসেন আহমদ, সায়রা মুক্তাদির দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুল হামিদ মাস্টার সফর উদ্দিনসহ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.)-এর জীবন ও কর্ম নিয়ে একটি স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। আয়োজকরা জানান, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির আগেই গ্রন্থটি প্রকাশ করা হবে ।

ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ
ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার দয়ামির ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কদরিছ  মিয়া প্রায় এক বছর ধরে নিখোঁজ রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। তিনি বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন ওসমানীনগর উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রলীগ নেতা সেলিম আহমদের পিতা।


‎পরিবার জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের পটপরিবর্তনের পর তাদের বাড়িতে হামলা হয়। রাজনৈতিক উত্তেজনা ও একাধিক মামলার কারণে এ সময় সেলিম আহমদ ও তার বাবা আত্মগোপনে ছিলেন। পরিবারের দাবি প্রায় এক বছর ধরে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। তার মোবাইল ফোন বন্ধ, আত্মীয়দের বাসাতেও নেই। তিনি জীবিত না মৃত এ নিয়েও নিশ্চিত হতে পারছেননা তারা।

‎স্থানীয় সূত্র জানায়, কদরিছ মিয়ার ছেলে ছাত্রলীগের ক্যাডার সেলিম আহমদ একাধিক মামলার আসামি। ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে উঠে আসা সেলিম সিলেট সিটির সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ারুজ্জামানের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শন ও বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা বাড়তে থাকে। ৫ আগস্টের ঘটনার পর থেকে সেও পলাতক।

‎পরিবারের সদস্যরা জানান,,,নিখোঁজের ঘটনায় থানায় অভিযোগ করার কথা ভাবলেও নিরাপত্তাহীনতা ও প্রতিশোধের আশঙ্কায় পরিবার এখনো অভিযোগ করতে পারেনি। পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রতিদিনই তাদের উদ্বেগ বাড়ছে কদরিছ মিয়া জীবিত না মৃত, কিছুই জানা যাচ্ছে না।

‎এই বিষয়ে ওসমানীনগর উপজেলা প্রশাসনের কাছে জানতে চাইলে তারা বলে আমরা শুনেছি এরকম একজনকে পাওয়া যাচ্ছেনা,তবে লিখিত কোন অভিযোগ পাই নাই। অভিযোগ পেলে প্রোয়োজনিয় ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে।

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সিলেট-৪ আসনে বিএনপির প্রাথী হচ্ছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী।

বুধবার রাতে আরিফুল হক চৌধুরী নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তবে বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোন ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

গত সোমবার দেশের অন্যান্য আসনের সাথে সিলেটের ৪ টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে বিএনপি। তবে সিলেট-৪ ও সিলেট-৫ আসনে সেদিন কোন প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি।

বিএনপি সূত্রে জানা যায়, আরিফুল হককে দল থেকে একাধিকবার সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে তাতে সম্মত হননি আরিফ। তিনি সবসময়ই সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে সিলেট-১ আসন অথবা সিঠের সিটি নির্বাচনের মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে আসছিলেন।সর্বশেষ সোমবার বিভিন্ন আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণার পর মঙ্গলবার বিএনপির শীর্ষ নেতবেৃন্দের পক্ষ থেকে জরুরী তলব দিয়ে আরিফকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে মঙ্গলবার ও বুধবার আরিফের সাথে দফায় দফায় বৈঠক করেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা। এসব বৈঠকে আরিফুল হককে সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি প্রথমে সম্মত হননি বলে জানা গেছে। এরপর বুধবার রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তাঁকে বাসায় ডেকে পাঠান।রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবনে চেয়ারপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে আরিফুল হক ওই আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হন।সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার কথা জানিয়ে ঢাকা থেকে রাতে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, “চেয়ারপারসন আমাদের জাতীয় মুরুব্বী। তাঁর নির্দেশে আমি সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হয়েছি। দলের প্রয়োজনে আমি বারবার নির্দেশ পালন করে আসছি। আজকের সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করার আদেশ মাথা পেতে মেনে নিয়েছি।