দেশের বিভিন্ন সভায় যুবদল নেতাকর্মীরা হামলা করেছে, দাবি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের
তারিখ লোড হচ্ছে...
সর্বশেষ লাইভ ই-পেপার
       
খুঁজুন                
                               
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

দেশের বিভিন্ন সভায় যুবদল নেতাকর্মীরা হামলা করেছে, দাবি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের

কামরান আহমদ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৭:৪৯ পূর্বাহ্ণ
দেশের বিভিন্ন  সভায় যুবদল নেতাকর্মীরা হামলা করেছে, দাবি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের

বিজয় দিবসে বাংলাদেশে বিভিন্ন জেলায় হামলা করেছে যুবদল,ছাত্রদলের কর্মীরা। তবে, সচেতন মহল বলছে, এটা পূর্ব থেকেই পরিকল্পিত ভাবে সাজিয়েছিল বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নেতারা। হামলা হয়েছে হিন্দু সম্প্রদায়ের সহ আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী ও সাধারণ সমর্থকদের উপর।

বরিশাল জাতীয় নাগরিক কমিটির বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় হামলায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা। সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) বিকালে বরিশাল প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান তারা।
সংবাদ সম্মেলনে ছাত্র আন্দোলনের নেতারা বলেন, কৃষক দল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা দলীয় স্লোগান দিয়ে এ হামলা করেছে। তাদের গ্রেফতারের দাবি জানাই।

সংবাদ সম্মেলনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বরিশাল মহানগর কমিটির আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম ও সমন্বয়ক ইসরাত জাহান বক্তব্য দেন।

লিখিত বক্তব্যে ইসরাত বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আমরা আশা করেছিলাম, দেশের মানুষের বাক্‌স্বাধীনতার ওপর আর আঘাত আসবে না। মৌলিক অধিকার আর কখনও হরণের অপচেষ্টা হবে না। আক্রমণ আসবে না। দেশের  মানুষ দল কিংবা ব্যক্তিগত মতামত নির্বিঘ্নে প্রকাশ করতে পারবে। তবে দুঃখের বিষয়, মহান বিজয় দিবসের দিনে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের মতোই বিএনপি নামধারী কতিপয় সন্ত্রাসী জাতীয় নাগরিক কমিটির আলোচনা সভায় ন্যাক্কারজনক হামলা চালিয়ে তা পণ্ড করে দিয়েছে। আমরা এই নারকীয় হামলার তীব্র নিন্দা জানাই।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, ছাত্র-জনতার রক্ত ও জীবনের বিনিময়ে যে বিপ্লব সফল হয়েছে, সেটা ভূলুণ্ঠিত করার অপচেষ্টা চলছে। নতুন করে ফ্যাসিবাদী ও সন্ত্রাসী ব্যবস্থা যারা কায়েম করার পাঁয়তারা চালাচ্ছে, তাদের ছাত্র-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করবে। এই ঘৃণ্য অপচেষ্টা ছাত্র-জনতা যেকোনোভাবে রুখে দেবে।

সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় নাগরিক কমিটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব মাহমুদা মিতু উপস্থিত ছিলেন। তিনি মারধরে আহত হয়েছেন। মাহমুদা বলেন, নগরের সোহেল চত্বরে জাতীয় নাগরিক কমিটির উদ্যোগে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। তখন কয়েকজন লোক এসে সভাস্থল ঘুরে যান। পরে তারা এসে সভা করতে নিষেধ করেন। পুলিশের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে সভা করছেন জানালেও বিএনপির স্লোগান দিয়ে এ হামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় কোতোয়ালি মডেল থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

হামলাকারীদের মধ্যে শুধু যুবদলের কর্মী আখতারুজ্জামান নামের একজনকে চিনতে পেরেছেন জানিয়ে মাহমুদা মিতু বলেন, ‘বিএনপি নেতাদের সঙ্গেও আমাদের এ ব্যাপারে কথা হয়েছে। তাদের কাছে হামলাকারীদের সংগঠন থেকে বহিষ্কারের দাবি জানানো হয়েছে।’ তবে কতটুকু কার্যকর হবে আমাদের অজানা।

বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়াউদ্দিন সিকদার জিয়া বলেন, কী ঘটেছে বিস্তারিত না জেনে কোনও মন্তব্য করতে পারবো না।

এর আগে, সোমবার সকালে বরিশাল নগরের সদর রোডে বিবির পুকুরের দক্ষিণ পাড়ে মহানগর আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে জাতীয় নাগরিক কমিটি আলোচনা সভা আয়োজন করে। এতে যুবদল ও কৃষক দলের নেতাকর্মীরা হামলা চালান। ফলে পণ্ড হয়ে যায় আলোচনা সভাটি। এ সময় সভাস্থলের চেয়ার ভাঙচুর ও সংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মীকে মারধর করা হয়।

অভিযোগের বিষয়ে মহানগর কৃষক দলের সদস্যসচিব সাঈদ তালুকদার  হাস্যকর বক্তব্য দেন বলেন, ‘আমরা সেখান দিয়ে যাওয়ার সময় আলোচনা সভা থেকে স্লোগান দেওয়া হচ্ছিল, ‘আওয়ামী লীগ সরকার, বারবার দরকার’। এমন স্লোগান শুনে আমাদের কর্মীরা কিছুটা উত্তেজিত হয়ে সামান্য অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটিয়েছে। তবে আমরা তাঁদের নির্বৃত্ত করেছি। এখানে বড় কিছু হয়নি।’

বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, জাতীয় নাগরিক কমিটির পক্ষ থেকে থানায় লিখিত একটি অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আমাদের তথ্য বলছে আওয়ামীলীগের মতই পুলিশ বাহিনীকেও ব্যবহার করে এমন অরাজকতা সৃষ্টি করছে বিএনপি। তাহলে প্রশ্ব হলো কী তদন্ত হবে?

বিচার কারা করবে?

রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৪১ অপরাহ্ণ
রহমানিয়া টুকা মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান: আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণীর স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের ঘোষণা

স্টাফরিপোর্টার:: মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার বর্ণীতে আয়োজিত এক সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেছেন, মানবকল্যাণে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। তারা বলেন, অসহায় ও আর্তমানবতার সেবার মাধ্যমে যেমন মহান স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়, তেমনি পাওয়া যায় মানুষের ভালোবাসা। মানবসেবাকে ইবাদতের সঙ্গে তুলনা করে বক্তারা আরও বলেন, এতিম-অসহায়দের সহায়তা এবং দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে কাজ করলে ইহকাল ও পরকালে কল্যাণ অর্জিত হয়। মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেয়ে বড় আনন্দ আর কিছু নেই বলেও উল্লেখ করেন তারা।শুক্রবার বিকেলে পীরে কামেল ওস্তাজুল উলামা আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.) প্রতিষ্ঠিত রহমানিয়া টুকা হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ উপলক্ষে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে এবং মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল আলিম ও সহ-সুপার মাহফুজুর রহমানের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত ব্যক্তি ছিলেন যুক্তরাজ্যপ্রবাসী, লন্ডন অক্সফোর্ড জামে মসজিদের খতিব ও বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা হেলাল আহমদ খান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আঞ্জুমানে আল ইসলাহ’র মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা এ. কে. এম. মনোয়ার আলী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিবপুর কেশবপুর কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হাকিম, দৈনিক রূপালী বাংলাদেশের সিলেট ব্যুরো প্রধান কবি সালমান ফরিদ এবং মাথিউরা ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মুফতি তকি উদ্দিন।আনন্দ টেলিভিশনের সিলেট প্রতিনিধি তাহের আহমদ।
বিয়ানীবাজার সহকারী শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হোসেন আহমদ, সায়রা মুক্তাদির দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুল হামিদ মাস্টার সফর উদ্দিনসহ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে আল্লামা আব্দুর রহমান বর্ণী (রহ.)-এর জীবন ও কর্ম নিয়ে একটি স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। আয়োজকরা জানান, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির আগেই গ্রন্থটি প্রকাশ করা হবে ।

ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ
ওসমানীনগরে দয়ামির আ.লীগ নেতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ ‎

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার দয়ামির ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কদরিছ  মিয়া প্রায় এক বছর ধরে নিখোঁজ রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। তিনি বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন ওসমানীনগর উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রলীগ নেতা সেলিম আহমদের পিতা।


‎পরিবার জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের পটপরিবর্তনের পর তাদের বাড়িতে হামলা হয়। রাজনৈতিক উত্তেজনা ও একাধিক মামলার কারণে এ সময় সেলিম আহমদ ও তার বাবা আত্মগোপনে ছিলেন। পরিবারের দাবি প্রায় এক বছর ধরে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। তার মোবাইল ফোন বন্ধ, আত্মীয়দের বাসাতেও নেই। তিনি জীবিত না মৃত এ নিয়েও নিশ্চিত হতে পারছেননা তারা।

‎স্থানীয় সূত্র জানায়, কদরিছ মিয়ার ছেলে ছাত্রলীগের ক্যাডার সেলিম আহমদ একাধিক মামলার আসামি। ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে উঠে আসা সেলিম সিলেট সিটির সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ারুজ্জামানের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শন ও বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা বাড়তে থাকে। ৫ আগস্টের ঘটনার পর থেকে সেও পলাতক।

‎পরিবারের সদস্যরা জানান,,,নিখোঁজের ঘটনায় থানায় অভিযোগ করার কথা ভাবলেও নিরাপত্তাহীনতা ও প্রতিশোধের আশঙ্কায় পরিবার এখনো অভিযোগ করতে পারেনি। পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রতিদিনই তাদের উদ্বেগ বাড়ছে কদরিছ মিয়া জীবিত না মৃত, কিছুই জানা যাচ্ছে না।

‎এই বিষয়ে ওসমানীনগর উপজেলা প্রশাসনের কাছে জানতে চাইলে তারা বলে আমরা শুনেছি এরকম একজনকে পাওয়া যাচ্ছেনা,তবে লিখিত কোন অভিযোগ পাই নাই। অভিযোগ পেলে প্রোয়োজনিয় ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে।

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সিলেট-৪ আসনেই আরিফ চৌধুরী চূড়ান্ত

সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সিলেট-৪ আসনে বিএনপির প্রাথী হচ্ছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী।

বুধবার রাতে আরিফুল হক চৌধুরী নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তবে বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোন ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

গত সোমবার দেশের অন্যান্য আসনের সাথে সিলেটের ৪ টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে বিএনপি। তবে সিলেট-৪ ও সিলেট-৫ আসনে সেদিন কোন প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি।

বিএনপি সূত্রে জানা যায়, আরিফুল হককে দল থেকে একাধিকবার সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে তাতে সম্মত হননি আরিফ। তিনি সবসময়ই সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে সিলেট-১ আসন অথবা সিঠের সিটি নির্বাচনের মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে আসছিলেন।সর্বশেষ সোমবার বিভিন্ন আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণার পর মঙ্গলবার বিএনপির শীর্ষ নেতবেৃন্দের পক্ষ থেকে জরুরী তলব দিয়ে আরিফকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে মঙ্গলবার ও বুধবার আরিফের সাথে দফায় দফায় বৈঠক করেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা। এসব বৈঠকে আরিফুল হককে সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি প্রথমে সম্মত হননি বলে জানা গেছে। এরপর বুধবার রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তাঁকে বাসায় ডেকে পাঠান।রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবনে চেয়ারপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে আরিফুল হক ওই আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হন।সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ার কথা জানিয়ে ঢাকা থেকে রাতে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, “চেয়ারপারসন আমাদের জাতীয় মুরুব্বী। তাঁর নির্দেশে আমি সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হয়েছি। দলের প্রয়োজনে আমি বারবার নির্দেশ পালন করে আসছি। আজকের সিলেট-৪ আসনে নির্বাচন করার আদেশ মাথা পেতে মেনে নিয়েছি।